ইরান ‘সঠিক চুক্তিতে’ পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত নয়: ট্রাম্প

ইরান ‘সঠিক চুক্তিতে’ পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত নয়: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও ইরান ‘সঠিক চুক্তির’ জন্য প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দক্ষিণ ক্যারোলিনা রাজ্যে এক সমাবেশে যোগ দিতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার মুহূর্তে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী, কিন্তু আমার মতে, সঠিক চুক্তিটি করার জন্য তারা প্রস্তুত নয়। ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও যুদ্ধকালীন নাজুক অবস্থার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো টাকা নেই, তাদের নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, তারা তাদের সৈন্যদের বেতন দিচ্ছে না, তাদের পুলিশকেও বেতন দিচ্ছে না। তাদের দেশে ৩৫০% মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণের দাবির বিপরীতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের সার্বিক চিত্র বেশ উদ্বেগজনক। চলমান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ঘন ঘন হামলার কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে অনেক নিচে। ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, প্রণালিটি দিয়ে বর্তমানে জাহাজ চলাচল আগের স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ আকস্মিক আক্রমণে এ সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে তেহরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টাহামলা চালায়। এ পরিস্থিতির মাঝে জুন মাসে দুই পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল। তবে বাস্তবায়নের শর্তাবলী ও জলপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধ দেখা দেওয়ায় সে চুক্তি শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। ফলে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার মাধ্যমেই আপাতত তেহরানকে নতুন শর্তে আনার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও ইরান ‘সঠিক চুক্তির’ জন্য প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দক্ষিণ ক্যারোলিনা রাজ্যে এক সমাবেশে যোগ দিতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার মুহূর্তে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী, কিন্তু আমার মতে, সঠিক চুক্তিটি করার জন্য তারা প্রস্তুত নয়। ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও যুদ্ধকালীন নাজুক অবস্থার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো টাকা নেই, তাদের নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, তারা তাদের সৈন্যদের বেতন দিচ্ছে না, তাদের পুলিশকেও বেতন দিচ্ছে না। তাদের দেশে ৩৫০% মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণের দাবির বিপরীতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের সার্বিক চিত্র বেশ উদ্বেগজনক। চলমান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ঘন ঘন হামলার কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে অনেক নিচে। ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, প্রণালিটি দিয়ে বর্তমানে জাহাজ চলাচল আগের স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ আকস্মিক আক্রমণে এ সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে তেহরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টাহামলা চালায়। এ পরিস্থিতির মাঝে জুন মাসে দুই পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল। তবে বাস্তবায়নের শর্তাবলী ও জলপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধ দেখা দেওয়ায় সে চুক্তি শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। ফলে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার মাধ্যমেই আপাতত তেহরানকে নতুন শর্তে আনার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরান ‘সঠিক চুক্তিতে’ পৌঁছানোর জন্য প্রস্তুত নয়: ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

তেহরানের বিরুদ্ধে কঠোর অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলেও ইরান ‘সঠিক চুক্তির’ জন্য প্রস্তুত নয় বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দক্ষিণ ক্যারোলিনা রাজ্যে এক সমাবেশে যোগ দিতে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার মুহূর্তে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরান একটি চুক্তি করতে আগ্রহী, কিন্তু আমার মতে, সঠিক চুক্তিটি করার জন্য তারা প্রস্তুত নয়। ইরানের বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও যুদ্ধকালীন নাজুক অবস্থার বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, তাদের কোনো টাকা নেই, তাদের নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, তারা তাদের সৈন্যদের বেতন দিচ্ছে না, তাদের পুলিশকেও বেতন দিচ্ছে না। তাদের দেশে ৩৫০% মুদ্রাস্ফীতি হয়েছে। পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তবে ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণের দাবির বিপরীতে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথের সার্বিক চিত্র বেশ উদ্বেগজনক। চলমান নিরাপত্তা ঝুঁকি এবং বাণিজ্যিক জাহাজগুলোতে ঘন ঘন হামলার কারণে সমুদ্রপথে পণ্য পরিবহন যুদ্ধ-পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে অনেক নিচে। ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, প্রণালিটি দিয়ে বর্তমানে জাহাজ চলাচল আগের স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ আকস্মিক আক্রমণে এ সংঘাতের সূচনা হয়। এর জবাবে তেহরানও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তু এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে পাল্টাহামলা চালায়। এ পরিস্থিতির মাঝে জুন মাসে দুই পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল। তবে বাস্তবায়নের শর্তাবলী ও জলপথের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিরোধ দেখা দেওয়ায় সে চুক্তি শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায়। ফলে অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখার মাধ্যমেই আপাতত তেহরানকে নতুন শর্তে আনার চেষ্টা করছে ওয়াশিংটন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

হরমুজকে ‘নতুন মার্কিন ভূখণ্ড’ উল্লেখ করে মানচিত্র প্রকাশ ট্রাম্পের






