অর্থনীতি ধ্বংস করে ইরানে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

অর্থনীতি ধ্বংস করে ইরানে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

সামরিক লড়াই থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনৈতিক চাপে ইরানের সরকার পতনের কৌশল হাতে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, বিশ্ববাসীকে এখন যে কোনো এক পক্ষ বেছে নিতে হবে।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা ইরানের এই সরকারকে পতনের দিকে নিয়ে যাব। এখন আমাদের মিত্রদের এবং বিশ্বের বাকি দেশগুলোর সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়’। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনি হয় আমাদের সঙ্গে আছেন, নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে।’
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পও সতর্ক করেছিলেন, তেহরানকে সহায়তা করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ পোহাতে হবে। পরিকল্পিত এ পদক্ষেপকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা’ আখ্যা দেন বেসেন্ট। মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যদি তাদের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যেতে চান, তাদের কাছে অর্থ পাঠাতে চান কিংবা তাদের তেল কিনতে চান, তাহলে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকার আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তাদের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করবে।’ তার মতে, এই কৌশলে জয় এলে নতুন করে ‘বড় পরিসরে সামরিক অভিযান’ চালানোর প্রয়োজন কমবে।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার জেরে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলা-পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে পড়ায় তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দেয়। মাঝে দুই দফা যুদ্ধবিরতি হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। জুনের এক চুক্তিতে ‘সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে’ এমন কথা থাকলেও ওয়াশিংটন এখন সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথেই হাঁটছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ হুমকির পরও ইরানিদের বিশ্বাস, চাপ বাড়লেও অর্থনীতি একেবারে ভেঙে পড়বে না। খুজেস্তান প্রদেশের এক নাগরিক বলেন, ‘শুরুতে এর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ইরান এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে না।’ অন্য এক বাসিন্দা জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের কারণে সবকিছু বদলে যায় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বছরের পর বছর ধরে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে এবং মানুষও এই পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আমি নিশ্চিত, ইরান বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অন্য পথ খুঁজে নেবে।’ তার ভাষ্যমতে, ‘অবশ্যই কিছুটা প্রভাব পড়বে এবং অর্থনীতি দুর্বল হতে পারে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।’
সূত্র: বিবিসি

সামরিক লড়াই থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনৈতিক চাপে ইরানের সরকার পতনের কৌশল হাতে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, বিশ্ববাসীকে এখন যে কোনো এক পক্ষ বেছে নিতে হবে।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা ইরানের এই সরকারকে পতনের দিকে নিয়ে যাব। এখন আমাদের মিত্রদের এবং বিশ্বের বাকি দেশগুলোর সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়’। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনি হয় আমাদের সঙ্গে আছেন, নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে।’
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পও সতর্ক করেছিলেন, তেহরানকে সহায়তা করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ পোহাতে হবে। পরিকল্পিত এ পদক্ষেপকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা’ আখ্যা দেন বেসেন্ট। মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যদি তাদের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যেতে চান, তাদের কাছে অর্থ পাঠাতে চান কিংবা তাদের তেল কিনতে চান, তাহলে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকার আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তাদের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করবে।’ তার মতে, এই কৌশলে জয় এলে নতুন করে ‘বড় পরিসরে সামরিক অভিযান’ চালানোর প্রয়োজন কমবে।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার জেরে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলা-পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে পড়ায় তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দেয়। মাঝে দুই দফা যুদ্ধবিরতি হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। জুনের এক চুক্তিতে ‘সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে’ এমন কথা থাকলেও ওয়াশিংটন এখন সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথেই হাঁটছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ হুমকির পরও ইরানিদের বিশ্বাস, চাপ বাড়লেও অর্থনীতি একেবারে ভেঙে পড়বে না। খুজেস্তান প্রদেশের এক নাগরিক বলেন, ‘শুরুতে এর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ইরান এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে না।’ অন্য এক বাসিন্দা জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের কারণে সবকিছু বদলে যায় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বছরের পর বছর ধরে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে এবং মানুষও এই পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আমি নিশ্চিত, ইরান বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অন্য পথ খুঁজে নেবে।’ তার ভাষ্যমতে, ‘অবশ্যই কিছুটা প্রভাব পড়বে এবং অর্থনীতি দুর্বল হতে পারে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।’
সূত্র: বিবিসি

অর্থনীতি ধ্বংস করে ইরানে সরকার পতনের হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

সামরিক লড়াই থেকে বেরিয়ে এসে অর্থনৈতিক চাপে ইরানের সরকার পতনের কৌশল হাতে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের অর্থনীতি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, বিশ্ববাসীকে এখন যে কোনো এক পক্ষ বেছে নিতে হবে।
মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা ইরানের এই সরকারকে পতনের দিকে নিয়ে যাব। এখন আমাদের মিত্রদের এবং বিশ্বের বাকি দেশগুলোর সিদ্ধান্ত নেয়ার সময়’। তিনি আরও যোগ করেন, ‘আপনি হয় আমাদের সঙ্গে আছেন, নয়তো আমাদের বিরুদ্ধে।’
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্পও সতর্ক করেছিলেন, তেহরানকে সহায়তা করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে ‘ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিণতি’ পোহাতে হবে। পরিকল্পিত এ পদক্ষেপকে ‘বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সমন্বিত অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতা’ আখ্যা দেন বেসেন্ট। মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা যদি তাদের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যেতে চান, তাদের কাছে অর্থ পাঠাতে চান কিংবা তাদের তেল কিনতে চান, তাহলে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ও সরকার আপনাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তাদের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহার করবে।’ তার মতে, এই কৌশলে জয় এলে নতুন করে ‘বড় পরিসরে সামরিক অভিযান’ চালানোর প্রয়োজন কমবে।
পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে উত্তেজনার জেরে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলা-পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্য অস্থিতিশীল হয়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে পড়ায় তেলের বাজারে চরম অস্থিরতা দেখা দেয়। মাঝে দুই দফা যুদ্ধবিরতি হলেও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। জুনের এক চুক্তিতে ‘সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে’ এমন কথা থাকলেও ওয়াশিংটন এখন সর্বাত্মক অর্থনৈতিক যুদ্ধের পথেই হাঁটছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ হুমকির পরও ইরানিদের বিশ্বাস, চাপ বাড়লেও অর্থনীতি একেবারে ভেঙে পড়বে না। খুজেস্তান প্রদেশের এক নাগরিক বলেন, ‘শুরুতে এর কিছুটা প্রভাব পড়তে পারে। তবে এর অর্থ এই নয় যে ইরান এ সংকট কাটিয়ে উঠতে পারবে না।’ অন্য এক বাসিন্দা জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বক্তব্যের কারণে সবকিছু বদলে যায় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরান বছরের পর বছর ধরে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে রয়েছে এবং মানুষও এই পরিস্থিতির সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। আমি নিশ্চিত, ইরান বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়ার অন্য পথ খুঁজে নেবে।’ তার ভাষ্যমতে, ‘অবশ্যই কিছুটা প্রভাব পড়বে এবং অর্থনীতি দুর্বল হতে পারে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে অর্থনীতি ভেঙে পড়বে।’
সূত্র: বিবিসি

হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন করিডোর, প্রতি রাতে পার হচ্ছে এক কোটি ব্যারেল তেল






