ধ্বংসস্তূপ থেকে এক পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার

ধ্বংসস্তূপ থেকে এক পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার
সিজেডএন ডেস্ক

মানবতার যত সীমা আছে, এর সবকিছুই অতিক্রম করেছে ইসরায়েল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার দেশটি। হামলার প্রায় ৩ বছর পর গাজায় ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে একটি পরিবারের ১১২ সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তারা নিহত হন। জুলাইয়ের শেষ দিকে উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তাদের দাফন করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজার সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একটি আবাসিক ব্লকে হামলা চালায়। সেখানে আবু শারিয়া ও আল-হাসাইনা পরিবারের শত শত সদস্য বসবাস করতেন এবং আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই হামলায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে ৪৪ শিশু, ৩৭ নারী এবং ১০ জনের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ছিলেন। ভবন ধসে পড়ায় অধিকাংশ মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচেই চাপা পড়ে যায়। দখলদার বাহিনীর হামলা অব্যাহত থাকায় এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে সে সময় উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। ইসরায়েলের কারণে এসব যন্ত্রপাতি গাজায় প্রবেশও করতে পারেনি বলে অভিযোগ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গত ১৪ জুলাই সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মানবদেহের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ১ আগস্ট পর্যন্ত ১৭ দিনের অভিযানে ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক লাশ চাপা পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ হাজার মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা ১৫ হাজার হতে পারে বলে ধারণা।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

মানবতার যত সীমা আছে, এর সবকিছুই অতিক্রম করেছে ইসরায়েল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার দেশটি। হামলার প্রায় ৩ বছর পর গাজায় ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে একটি পরিবারের ১১২ সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তারা নিহত হন। জুলাইয়ের শেষ দিকে উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তাদের দাফন করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজার সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একটি আবাসিক ব্লকে হামলা চালায়। সেখানে আবু শারিয়া ও আল-হাসাইনা পরিবারের শত শত সদস্য বসবাস করতেন এবং আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই হামলায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে ৪৪ শিশু, ৩৭ নারী এবং ১০ জনের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ছিলেন। ভবন ধসে পড়ায় অধিকাংশ মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচেই চাপা পড়ে যায়। দখলদার বাহিনীর হামলা অব্যাহত থাকায় এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে সে সময় উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। ইসরায়েলের কারণে এসব যন্ত্রপাতি গাজায় প্রবেশও করতে পারেনি বলে অভিযোগ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গত ১৪ জুলাই সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মানবদেহের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ১ আগস্ট পর্যন্ত ১৭ দিনের অভিযানে ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক লাশ চাপা পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ হাজার মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা ১৫ হাজার হতে পারে বলে ধারণা।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ধ্বংসস্তূপ থেকে এক পরিবারের ১১২ জনের লাশ উদ্ধার
সিজেডএন ডেস্ক

মানবতার যত সীমা আছে, এর সবকিছুই অতিক্রম করেছে ইসরায়েল। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে দখলদার দেশটি। হামলার প্রায় ৩ বছর পর গাজায় ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে একটি পরিবারের ১১২ সদস্যের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তারা নিহত হন। জুলাইয়ের শেষ দিকে উদ্ধার করার পর মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) তাদের দাফন করা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে গাজার সাবরা এলাকায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একটি আবাসিক ব্লকে হামলা চালায়। সেখানে আবু শারিয়া ও আল-হাসাইনা পরিবারের শত শত সদস্য বসবাস করতেন এবং আশ্রয় নিয়েছিলেন। ওই হামলায় ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে ৪৪ শিশু, ৩৭ নারী এবং ১০ জনের বেশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ছিলেন। ভবন ধসে পড়ায় অধিকাংশ মরদেহ ধ্বংসস্তূপের নিচেই চাপা পড়ে যায়। দখলদার বাহিনীর হামলা অব্যাহত থাকায় এবং প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতির অভাবে সে সময় উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। ইসরায়েলের কারণে এসব যন্ত্রপাতি গাজায় প্রবেশও করতে পারেনি বলে অভিযোগ ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর গত ১৪ জুলাই সীমিত সরঞ্জাম নিয়ে ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় মানবদেহের বিভিন্ন অংশ ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকায় উদ্ধারকাজ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। ১ আগস্ট পর্যন্ত ১৭ দিনের অভিযানে ১১২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেক লাশ চাপা পড়ে আছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।
গাজার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ হাজার মানুষ নিখোঁজ হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যা ১৫ হাজার হতে পারে বলে ধারণা।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও অন্তত ১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই

ফিলিস্তিনি বন্দীদের দমনে কুমির ও কুকুর ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসরায়েলের







