ফিলিস্তিনি বন্দীদের দমনে কুমির ও কুকুর ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসরায়েলের

ফিলিস্তিনি বন্দীদের দমনে কুমির ও কুকুর ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসরায়েলের
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বন্দীদের প্রহরায় নীল নদের হিংস্র কুমির মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এ তথ্য জানিয়েছেন। পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নেগেভ মরুভূমির কেৎসিওত কারাগারের চারপাশের পরিখায় এসব হিংস্র সরীসৃপ ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অভিবাসীদের জন্য তৈরি তথাকথিত অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ কেন্দ্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসরায়েল সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মতে, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের পদ্ধতিগত নিপীড়ন ও অমানবিক আচরণেরই এক চরম রূপ।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ফিলিস্তিনিদের দমনে পশুদের ব্যবহার করা বা তাদের পশুর সঙ্গে তুলনা করার ঘটনা ইসরায়েলে নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা ফিলিস্তিনিদের মানুষরূপী পশু, তেলাপোকা কিংবা কুকুর হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি অমানবিক আচরণকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি ২০০০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক ফিলিস্তিনিদের কুমির বলে সম্বোধন করেছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে যা কেবল গালি বা রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হতো, বর্তমান মন্ত্রী বেন গভির এখন বাস্তবে সেই হিংস্র কুমির এনে ফিলিস্তিনিদের দমনের হাতিয়ার বানাচ্ছেন।
ইসরায়েলি রাষ্ট্র ও দখলদার বসতি স্থাপনকারীরা দীর্ঘদিন ধরেই নানাভাবে প্রাণীদের ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে বন্দীদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানোর একাধিক তথ্য ও প্রমাণ সামনে এসেছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কৃষকদের ফসল বিনষ্ট করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে নিয়মিতভাবে বন্য শূকর ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাইবেলে উল্লিখিত প্রাণীদের প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার অজুহাতে ফিলিস্তিনি বেদুইনদের উটের চারণভূমি ও ঐতিহ্যবাহী পানির উৎস থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক গাজা সংকটের সময়ও ইসরায়েলি বাহিনী শুধু সাধারণ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করেই থেমে থাকেনি। তাদের গৃহপালিত পশুপাখি, গবাদি পশু এবং যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হাজার হাজার গাধা চুরি করেছে। একই সঙ্গে বন্দীদের ওপর নির্যাতন চালাতে ইউরোপ থেকে আমদানিকৃত কুকুর ব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। ফলে নীল নদের কুমির দিয়ে কারাগার ঘিরে ফেলার এ নতুন পরিকল্পনা মূলত ফিলিস্তিনিদের অবমানবীকরণ এবং তাদের ওপর দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক আধিপত্য টিকিয়ে রাখারই এক ভয়ংকর ধারাবাহিকতা।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বন্দীদের প্রহরায় নীল নদের হিংস্র কুমির মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এ তথ্য জানিয়েছেন। পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নেগেভ মরুভূমির কেৎসিওত কারাগারের চারপাশের পরিখায় এসব হিংস্র সরীসৃপ ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অভিবাসীদের জন্য তৈরি তথাকথিত অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ কেন্দ্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসরায়েল সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মতে, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের পদ্ধতিগত নিপীড়ন ও অমানবিক আচরণেরই এক চরম রূপ।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ফিলিস্তিনিদের দমনে পশুদের ব্যবহার করা বা তাদের পশুর সঙ্গে তুলনা করার ঘটনা ইসরায়েলে নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা ফিলিস্তিনিদের মানুষরূপী পশু, তেলাপোকা কিংবা কুকুর হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি অমানবিক আচরণকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি ২০০০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক ফিলিস্তিনিদের কুমির বলে সম্বোধন করেছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে যা কেবল গালি বা রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হতো, বর্তমান মন্ত্রী বেন গভির এখন বাস্তবে সেই হিংস্র কুমির এনে ফিলিস্তিনিদের দমনের হাতিয়ার বানাচ্ছেন।
ইসরায়েলি রাষ্ট্র ও দখলদার বসতি স্থাপনকারীরা দীর্ঘদিন ধরেই নানাভাবে প্রাণীদের ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে বন্দীদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানোর একাধিক তথ্য ও প্রমাণ সামনে এসেছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কৃষকদের ফসল বিনষ্ট করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে নিয়মিতভাবে বন্য শূকর ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাইবেলে উল্লিখিত প্রাণীদের প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার অজুহাতে ফিলিস্তিনি বেদুইনদের উটের চারণভূমি ও ঐতিহ্যবাহী পানির উৎস থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক গাজা সংকটের সময়ও ইসরায়েলি বাহিনী শুধু সাধারণ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করেই থেমে থাকেনি। তাদের গৃহপালিত পশুপাখি, গবাদি পশু এবং যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হাজার হাজার গাধা চুরি করেছে। একই সঙ্গে বন্দীদের ওপর নির্যাতন চালাতে ইউরোপ থেকে আমদানিকৃত কুকুর ব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। ফলে নীল নদের কুমির দিয়ে কারাগার ঘিরে ফেলার এ নতুন পরিকল্পনা মূলত ফিলিস্তিনিদের অবমানবীকরণ এবং তাদের ওপর দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক আধিপত্য টিকিয়ে রাখারই এক ভয়ংকর ধারাবাহিকতা।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ফিলিস্তিনি বন্দীদের দমনে কুমির ও কুকুর ব্যবহারের পরিকল্পনা ইসরায়েলের
সিজেডএন ডেস্ক

ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক বন্দীদের প্রহরায় নীল নদের হিংস্র কুমির মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে ইসরায়েল। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গভির এ তথ্য জানিয়েছেন। পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় নেগেভ মরুভূমির কেৎসিওত কারাগারের চারপাশের পরিখায় এসব হিংস্র সরীসৃপ ছাড়ার প্রস্তুতি চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অভিবাসীদের জন্য তৈরি তথাকথিত অ্যালিগেটর আলকাট্রাজ কেন্দ্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসরায়েল সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। মানবাধিকার বিশ্লেষকদের মতে, এটি ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের পদ্ধতিগত নিপীড়ন ও অমানবিক আচরণেরই এক চরম রূপ।
ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ফিলিস্তিনিদের দমনে পশুদের ব্যবহার করা বা তাদের পশুর সঙ্গে তুলনা করার ঘটনা ইসরায়েলে নতুন নয়। বিভিন্ন সময়ে দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা ফিলিস্তিনিদের মানুষরূপী পশু, তেলাপোকা কিংবা কুকুর হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাদের প্রতি অমানবিক আচরণকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি ২০০০ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এহুদ বারাক ফিলিস্তিনিদের কুমির বলে সম্বোধন করেছিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অতীতে যা কেবল গালি বা রূপক হিসেবে ব্যবহার করা হতো, বর্তমান মন্ত্রী বেন গভির এখন বাস্তবে সেই হিংস্র কুমির এনে ফিলিস্তিনিদের দমনের হাতিয়ার বানাচ্ছেন।
ইসরায়েলি রাষ্ট্র ও দখলদার বসতি স্থাপনকারীরা দীর্ঘদিন ধরেই নানাভাবে প্রাণীদের ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসছে। ব্রিটিশ আমল থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর দিয়ে বন্দীদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালানোর একাধিক তথ্য ও প্রমাণ সামনে এসেছে। এ ছাড়া পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি কৃষকদের ফসল বিনষ্ট করতে এবং জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে নিয়মিতভাবে বন্য শূকর ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বাইবেলে উল্লিখিত প্রাণীদের প্রকৃতিতে ফিরিয়ে আনার অজুহাতে ফিলিস্তিনি বেদুইনদের উটের চারণভূমি ও ঐতিহ্যবাহী পানির উৎস থেকে তাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে।
সাম্প্রতিক গাজা সংকটের সময়ও ইসরায়েলি বাহিনী শুধু সাধারণ ফিলিস্তিনিদের হত্যা করেই থেমে থাকেনি। তাদের গৃহপালিত পশুপাখি, গবাদি পশু এবং যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হাজার হাজার গাধা চুরি করেছে। একই সঙ্গে বন্দীদের ওপর নির্যাতন চালাতে ইউরোপ থেকে আমদানিকৃত কুকুর ব্যবহারের ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। ফলে নীল নদের কুমির দিয়ে কারাগার ঘিরে ফেলার এ নতুন পরিকল্পনা মূলত ফিলিস্তিনিদের অবমানবীকরণ এবং তাদের ওপর দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক আধিপত্য টিকিয়ে রাখারই এক ভয়ংকর ধারাবাহিকতা।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর

ইরানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন প্রতিরক্ষা জোট







