মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে লারিজানি: ‘আপনারা কোন পক্ষে?’

মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে লারিজানি: ‘আপনারা কোন পক্ষে?’
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি মুসলিম বিশ্বের প্রতি এক বার্তায় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে ইরান দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
লারিজানি বলেন, কিছু দেশ এমনকি আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ইরানকে নিজেদের প্রতিপক্ষ হিসেবেও ঘোষণা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান নিজ ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বার্থে আঘাত হানার মাধ্যমেই ইরান প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু বেসামরিক স্থাপনাও আঘাত করেছে, যার মধ্যে হোটেল ও জ্বালানি স্থাপনাও রয়েছে।
লারিজানি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকার পরও ইরান নীরবে বসে থাকবে—এমনটি আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
তার ভাষায়, বর্তমান সংঘাত মূলত একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং অন্যদিকে মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে। তাই তিনি মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন—এই পরিস্থিতিতে তারা কোন পক্ষে থাকবে।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে লারিজানি বলেন, ইরানের লক্ষ্য এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করা নয়। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। ইসরায়েলকে মুসলিম বিশ্বের প্রকৃত প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখা উচিত।

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি মুসলিম বিশ্বের প্রতি এক বার্তায় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে ইরান দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
লারিজানি বলেন, কিছু দেশ এমনকি আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ইরানকে নিজেদের প্রতিপক্ষ হিসেবেও ঘোষণা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান নিজ ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বার্থে আঘাত হানার মাধ্যমেই ইরান প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু বেসামরিক স্থাপনাও আঘাত করেছে, যার মধ্যে হোটেল ও জ্বালানি স্থাপনাও রয়েছে।
লারিজানি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকার পরও ইরান নীরবে বসে থাকবে—এমনটি আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
তার ভাষায়, বর্তমান সংঘাত মূলত একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং অন্যদিকে মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে। তাই তিনি মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন—এই পরিস্থিতিতে তারা কোন পক্ষে থাকবে।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে লারিজানি বলেন, ইরানের লক্ষ্য এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করা নয়। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। ইসরায়েলকে মুসলিম বিশ্বের প্রকৃত প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখা উচিত।

মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে লারিজানি: ‘আপনারা কোন পক্ষে?’
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানি মুসলিম বিশ্বের প্রতি এক বার্তায় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে ইরান দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর কাছ থেকে প্রত্যাশিত সমর্থন না পাওয়ায় হতাশাও প্রকাশ করেছেন তিনি।
লারিজানি বলেন, কিছু দেশ এমনকি আরও এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ইরানকে নিজেদের প্রতিপক্ষ হিসেবেও ঘোষণা করেছে। তাদের অভিযোগ, ইরান নিজ ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু করছে।
তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্বার্থে আঘাত হানার মাধ্যমেই ইরান প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে। তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ছোড়া ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু বেসামরিক স্থাপনাও আঘাত করেছে, যার মধ্যে হোটেল ও জ্বালানি স্থাপনাও রয়েছে।
লারিজানি আরও বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকার পরও ইরান নীরবে বসে থাকবে—এমনটি আশা করা বাস্তবসম্মত নয়।
তার ভাষায়, বর্তমান সংঘাত মূলত একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং অন্যদিকে মুসলিম ইরান ও প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে। তাই তিনি মুসলিম দেশগুলোর উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন—এই পরিস্থিতিতে তারা কোন পক্ষে থাকবে।
মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে লারিজানি বলেন, ইরানের লক্ষ্য এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করা নয়। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করা ঠিক নয়। ইসরায়েলকে মুসলিম বিশ্বের প্রকৃত প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখা উচিত।




