বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের মহাপরিকল্পনা

বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের মহাপরিকল্পনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়াতে এবং ব্যবসার পরিবেশ আমূল বদলে দিতে ১৮০ দিনের একটি উচ্চাভিলাষী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বিনিয়োগ বিষয়ক সরকারি চার প্রতিষ্ঠান ।
গতকাল রবিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এই রূপরেখা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির (পিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক মাহমুদ চৌধুরী।
বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য
এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হলো একটি টেকসই ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং যারা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়ানো। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমরা সহায়তা করে যাবো, তবে আমরা দেশি বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ওপরও জোর দিবো।"
মহাপরিকল্পনার তিনটি স্তম্ভ
দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে এই মহাপরিকল্পনা মোট ২৫টি বিশেষ উদ্যোগের সমন্বয়ে ও তিনটি স্তম্ভের ওপর সাজানো হয়েছে।
প্রথম স্তম্ভ: অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ
মোট ২৫টি উদ্যোগের মধ্যে ১৩টি রাখা হয়েছে এই স্তম্ভে। এর আওতায় বন্দর আধুনিকায়ন, বাস্তবায়ন এবং চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন এবং শিল্পপার্কে ‘রেডি-টু-ইউজ’ প্লট সম্প্রসারণ করা হবে। এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন ও ডিফেন্স ইকোনমিক জোন বাস্তবায়ন এবং অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পিপিপি অথবা অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দ্বিতীয় স্তম্ভ: বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার
এই স্তম্ভে সাতটি উদ্যোগ রয়েছে। যার মূল লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। এর মধ্যে বিডা, বেজা, বেপজা, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও পিপিপিএ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করার ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ‘বাংলাবিজ’ নামে একক বিনিয়োগ সেবা প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং চীনে বিডার প্রথম বিদেশি কার্যালয় খোলার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তৃতীয় স্তম্ভ: বিনিয়োগ খাতের উন্নয়ন
এই স্তম্ভে রয়েছে পাঁচটি উদ্যোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ম্যাপিং করা হবে। পাশাপাশি সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নের অংশ হিসেবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ও রপ্তানিমুখী চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সমন্বয় ও নতুন সম্ভাবনা
বিনিয়োগ পরিবেশকে গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বেসরকারি খাতের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা এবং বৃহৎ কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের সমস্যা দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা হবে।
সরকারের এই ২৫টি সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পাবে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের একটি শক্তিশালী ভিত তৈরি হবে। এর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার করে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়াতে এবং ব্যবসার পরিবেশ আমূল বদলে দিতে ১৮০ দিনের একটি উচ্চাভিলাষী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বিনিয়োগ বিষয়ক সরকারি চার প্রতিষ্ঠান ।
গতকাল রবিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এই রূপরেখা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির (পিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক মাহমুদ চৌধুরী।
বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য
এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হলো একটি টেকসই ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং যারা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়ানো। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমরা সহায়তা করে যাবো, তবে আমরা দেশি বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ওপরও জোর দিবো।"
মহাপরিকল্পনার তিনটি স্তম্ভ
দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে এই মহাপরিকল্পনা মোট ২৫টি বিশেষ উদ্যোগের সমন্বয়ে ও তিনটি স্তম্ভের ওপর সাজানো হয়েছে।
প্রথম স্তম্ভ: অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ
মোট ২৫টি উদ্যোগের মধ্যে ১৩টি রাখা হয়েছে এই স্তম্ভে। এর আওতায় বন্দর আধুনিকায়ন, বাস্তবায়ন এবং চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন এবং শিল্পপার্কে ‘রেডি-টু-ইউজ’ প্লট সম্প্রসারণ করা হবে। এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন ও ডিফেন্স ইকোনমিক জোন বাস্তবায়ন এবং অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পিপিপি অথবা অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দ্বিতীয় স্তম্ভ: বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার
এই স্তম্ভে সাতটি উদ্যোগ রয়েছে। যার মূল লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। এর মধ্যে বিডা, বেজা, বেপজা, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও পিপিপিএ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করার ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ‘বাংলাবিজ’ নামে একক বিনিয়োগ সেবা প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং চীনে বিডার প্রথম বিদেশি কার্যালয় খোলার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তৃতীয় স্তম্ভ: বিনিয়োগ খাতের উন্নয়ন
এই স্তম্ভে রয়েছে পাঁচটি উদ্যোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ম্যাপিং করা হবে। পাশাপাশি সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নের অংশ হিসেবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ও রপ্তানিমুখী চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সমন্বয় ও নতুন সম্ভাবনা
বিনিয়োগ পরিবেশকে গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বেসরকারি খাতের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা এবং বৃহৎ কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের সমস্যা দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা হবে।
সরকারের এই ২৫টি সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পাবে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের একটি শক্তিশালী ভিত তৈরি হবে। এর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার করে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

বিনিয়োগ বাড়াতে ১৮০ দিনের মহাপরিকল্পনা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়াতে এবং ব্যবসার পরিবেশ আমূল বদলে দিতে ১৮০ দিনের একটি উচ্চাভিলাষী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা নিয়েছে বিনিয়োগ বিষয়ক সরকারি চার প্রতিষ্ঠান ।
গতকাল রবিবার (১৫ মার্চ) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এই রূপরেখা উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ অথরিটির (পিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক মাহমুদ চৌধুরী।
বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্য
এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হলো একটি টেকসই ও বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তোলা এবং দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সুরক্ষা দেওয়া এবং যারা ইতিমধ্যে বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনা করছেন, তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে সহায়তা করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
এই বিষয়ে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্রবাহ বাড়ানো। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আমরা সহায়তা করে যাবো, তবে আমরা দেশি বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি বিনিয়োগে উৎসাহিত করার ওপরও জোর দিবো।"
মহাপরিকল্পনার তিনটি স্তম্ভ
দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে এই মহাপরিকল্পনা মোট ২৫টি বিশেষ উদ্যোগের সমন্বয়ে ও তিনটি স্তম্ভের ওপর সাজানো হয়েছে।
প্রথম স্তম্ভ: অবকাঠামো শক্তিশালীকরণ
মোট ২৫টি উদ্যোগের মধ্যে ১৩টি রাখা হয়েছে এই স্তম্ভে। এর আওতায় বন্দর আধুনিকায়ন, বাস্তবায়ন এবং চীনের অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়ন এবং শিল্পপার্কে ‘রেডি-টু-ইউজ’ প্লট সম্প্রসারণ করা হবে। এ ছাড়া ফ্রি ট্রেড জোন ও ডিফেন্স ইকোনমিক জোন বাস্তবায়ন এবং অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে পিপিপি অথবা অর্থনৈতিক অঞ্চলে রূপান্তরের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দ্বিতীয় স্তম্ভ: বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার
এই স্তম্ভে সাতটি উদ্যোগ রয়েছে। যার মূল লক্ষ্য প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার। এর মধ্যে বিডা, বেজা, বেপজা, বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষ ও পিপিপিএ—এই পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করার ঐতিহাসিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ‘বাংলাবিজ’ নামে একক বিনিয়োগ সেবা প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং চীনে বিডার প্রথম বিদেশি কার্যালয় খোলার বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তৃতীয় স্তম্ভ: বিনিয়োগ খাতের উন্নয়ন
এই স্তম্ভে রয়েছে পাঁচটি উদ্যোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতের ম্যাপিং করা হবে। পাশাপাশি সমুদ্র অর্থনীতির উন্নয়নের অংশ হিসেবে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা ও রপ্তানিমুখী চিংড়ি প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সমন্বয় ও নতুন সম্ভাবনা
বিনিয়োগ পরিবেশকে গতিশীল করতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বেসরকারি খাতের উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হবে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা এবং বৃহৎ কৌশলগত বিনিয়োগকারীদের সমস্যা দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করা হবে।
সরকারের এই ২৫টি সমন্বিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস পাবে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগের একটি শক্তিশালী ভিত তৈরি হবে। এর মাধ্যমে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগ সহায়তা জোরদার করে দেশের অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।




