রয়টার্সের বিশেষ প্রতিবেদন
সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান ও সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সিটিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান ও সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২০: ১৭

ইরান সংঘাতের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার মধ্যেই সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করেছে পাকিস্তান। একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় রিয়াদে প্রায় ৮ হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং একটি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইসলামাবাদ। নির্ভরযোগ্য সরকারি ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে ।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে একটি উল্লেখযোগ্য ও যুদ্ধ-সক্ষম বাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তারা জানান, সৌদি আরব নতুন করে কোনো বহিরাগত আক্রমণের শিকার হলে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করাই এ বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য। তবে এ সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সৌদি আরবের সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
গত বছর দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্তাবলী অত্যন্ত গোপন রাখা হয়েছে। অবশ্য উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে, কোনো আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তারা একে অপরের প্রতিরক্ষায় সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসবে। এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব মূলত পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার আওতাভুক্ত হয়েছে।
সূত্রমতে, এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তান প্রায় ১৬টি বিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে পাঠিয়েছে, যার বেশিরভাগই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। এর পাশাপাশি দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং একটি চীনা এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে। এ সমস্ত সামরিক সরঞ্জাম পাকিস্তানি সেনারাই পরিচালনা করছেন, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন করছে সৌদি আরব।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান সংঘাতের সময়ে মোতায়েন করা সামরিক ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা প্রাথমিকভাবে উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। তবে চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, প্রয়োজন সাপেক্ষে সৌদি আরবের সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ ৮০ হাজার পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি এ চুক্তিতে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে, পাকিস্তান কেবল প্রতীকী কোনো মিশন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ-প্রস্তুত বাহিনী পাঠিয়েছে।
এর আগে ইরানের এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত এবং একজন নাগরিক নিহত হওয়ার পর পাকিস্তান এ যুদ্ধবিমানগুলো পাঠিয়েছিল। পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদনে পাকিস্তান প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়, যা গত ছয় সপ্তাহ ধরে কার্যকর রয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও পরামর্শমূলক সহায়তা দিয়ে আসছে, যার বিনিময়ে রিয়াদও বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে ইসলামাবাদকে বড় ধরনের আর্থিক সমর্থন জুগিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরান সংঘাতের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার মধ্যেই সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করেছে পাকিস্তান। একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় রিয়াদে প্রায় ৮ হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং একটি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইসলামাবাদ। নির্ভরযোগ্য সরকারি ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে ।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে একটি উল্লেখযোগ্য ও যুদ্ধ-সক্ষম বাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তারা জানান, সৌদি আরব নতুন করে কোনো বহিরাগত আক্রমণের শিকার হলে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করাই এ বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য। তবে এ সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সৌদি আরবের সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
গত বছর দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্তাবলী অত্যন্ত গোপন রাখা হয়েছে। অবশ্য উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে, কোনো আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তারা একে অপরের প্রতিরক্ষায় সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসবে। এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব মূলত পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার আওতাভুক্ত হয়েছে।
সূত্রমতে, এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তান প্রায় ১৬টি বিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে পাঠিয়েছে, যার বেশিরভাগই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। এর পাশাপাশি দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং একটি চীনা এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে। এ সমস্ত সামরিক সরঞ্জাম পাকিস্তানি সেনারাই পরিচালনা করছেন, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন করছে সৌদি আরব।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান সংঘাতের সময়ে মোতায়েন করা সামরিক ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা প্রাথমিকভাবে উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। তবে চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, প্রয়োজন সাপেক্ষে সৌদি আরবের সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ ৮০ হাজার পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি এ চুক্তিতে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে, পাকিস্তান কেবল প্রতীকী কোনো মিশন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ-প্রস্তুত বাহিনী পাঠিয়েছে।
এর আগে ইরানের এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত এবং একজন নাগরিক নিহত হওয়ার পর পাকিস্তান এ যুদ্ধবিমানগুলো পাঠিয়েছিল। পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদনে পাকিস্তান প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়, যা গত ছয় সপ্তাহ ধরে কার্যকর রয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও পরামর্শমূলক সহায়তা দিয়ে আসছে, যার বিনিময়ে রিয়াদও বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে ইসলামাবাদকে বড় ধরনের আর্থিক সমর্থন জুগিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স

সৌদি আরবে যুদ্ধবিমান ও সেনা মোতায়েন পাকিস্তানের
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬, ২০: ১৭

ইরান সংঘাতের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা রাখার মধ্যেই সৌদি আরবের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা জোরদার করেছে পাকিস্তান। একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় রিয়াদে প্রায় ৮ হাজার সেনা, এক স্কোয়াড্রন যুদ্ধবিমান এবং একটি অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে ইসলামাবাদ। নির্ভরযোগ্য সরকারি ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে ।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা একে একটি উল্লেখযোগ্য ও যুদ্ধ-সক্ষম বাহিনী হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তারা জানান, সৌদি আরব নতুন করে কোনো বহিরাগত আক্রমণের শিকার হলে দেশটির সামরিক বাহিনীকে সহায়তা করাই এ বাহিনীর মূল উদ্দেশ্য। তবে এ সৈন্য মোতায়েনের বিষয়ে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সৌদি আরবের সরকারি গণমাধ্যম দপ্তর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
গত বছর দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা চুক্তির পূর্ণাঙ্গ শর্তাবলী অত্যন্ত গোপন রাখা হয়েছে। অবশ্য উভয় পক্ষই নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে, কোনো আগ্রাসনের ক্ষেত্রে তারা একে অপরের প্রতিরক্ষায় সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসবে। এর আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরব মূলত পাকিস্তানের পারমাণবিক সুরক্ষার আওতাভুক্ত হয়েছে।
সূত্রমতে, এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তান প্রায় ১৬টি বিমানের একটি পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড্রন সৌদি আরবে পাঠিয়েছে, যার বেশিরভাগই চীনের সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান। এর পাশাপাশি দুটি ড্রোন স্কোয়াড্রন এবং একটি চীনা এইচকিউ-৯ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও মোতায়েন করা হয়েছে। এ সমস্ত সামরিক সরঞ্জাম পাকিস্তানি সেনারাই পরিচালনা করছেন, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন করছে সৌদি আরব।
নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান সংঘাতের সময়ে মোতায়েন করা সামরিক ও বিমান বাহিনীর সদস্যরা প্রাথমিকভাবে উপদেষ্টা ও প্রশিক্ষকের ভূমিকা পালন করবেন। তবে চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, প্রয়োজন সাপেক্ষে সৌদি আরবের সীমান্ত সুরক্ষায় সর্বোচ্চ ৮০ হাজার পর্যন্ত পাকিস্তানি সেনা মোতায়েনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এমনকি এ চুক্তিতে পাকিস্তানি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে, পাকিস্তান কেবল প্রতীকী কোনো মিশন নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ-প্রস্তুত বাহিনী পাঠিয়েছে।
এর আগে ইরানের এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত এবং একজন নাগরিক নিহত হওয়ার পর পাকিস্তান এ যুদ্ধবিমানগুলো পাঠিয়েছিল। পরবর্তীতে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদনে পাকিস্তান প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়, যা গত ছয় সপ্তাহ ধরে কার্যকর রয়েছে। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও পরামর্শমূলক সহায়তা দিয়ে আসছে, যার বিনিময়ে রিয়াদও বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে ইসলামাবাদকে বড় ধরনের আর্থিক সমর্থন জুগিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
/এমএকে/

নৌ-অবরোধ না তুললে ওমান সাগর কবরস্থান হবে: ইরান
হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনায় নতুন সংস্থা গঠন ইরানের


