বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ

বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিম ইরাকে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ছয়জন বৈমানিক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে পেন্টাগন, তবে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত বৈমানিকরা হলেন– অ্যালাবামার অবার্নের ৩৩ বছর বয়সী মেজর জন এ. ক্লিনার, ওয়াশিংটনের কভিংটনের ৩১ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. স্যাভিনো, কেন্টাকির বার্ডসটাউনের ৩৪ বছর বয়সী টেকনিক্যাল সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট। এছাড়াও রয়েছেন, ইন্ডিয়ানার মুরসভিলের ৩৮ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন শেঠ আর. কোভাল, ওহাইওর উইলমিংটনের ৩০ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. অ্যাংস্ট এবং ওহাইওর কলম্বাসের ২৮ বছর বয়সী টেকনিক্যাল সার্জেন্ট টাইলার এইচ. সিমন্স। এই ক্রু সদস্যদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ইরানের সাথে যুদ্ধের জেরে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়াল।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, ক্লিনার, স্যাভিনো এবং প্রুইট ফ্লোরিডার টাম্পায় ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেইসের ৬ষ্ঠ এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ে নিযুক্ত ছিলেন। তারা তিনজনই অ্যালাবামার বার্মিংহ্যামের সাম্পটার স্মিথ জয়েন্ট ন্যাশনাল গার্ড বেইসের অধীনে থাকা ৯৯তম এয়ার রিফুয়েলিং স্কোয়াড্রনে কাজ করতেন। এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় অ্যালাবামার গভর্নর কে আইভী শোক প্রকাশ করে বলেন, তারা কেবল অসামান্য বৈমানিকই ছিলেন না, তারা ছিলেন আমাদের প্রতিবেশী আমাদের সহকর্মী। তাদের পরিবার ও তাদের এ সেবার কথা যেন দেশ কখনো বিস্মৃত না হয়।
অন্যদিকে কোভাল, অ্যাংস্ট এবং সিমন্স ওহাইওর কলম্বাসে অবস্থিত রিকেনব্যাকার এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বেইসের ১২১তম এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ে নিযুক্ত ছিলেন। ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন জানিয়েছেন, ওহাইও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এ গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি লেখেন, মাঝপথে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে জ্বালানি স্থানান্তরের জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল এবং দেশের প্রতিরক্ষায় দূরপাল্লার মিশনে তাদের কাজ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রতিটি মিশনই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, কিন্তু তারা নিজেদের জীবনের চেয়ে অন্যদের জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়ার সময় ক্রু সদস্যরা মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’ রিফুয়েলিং বিমানে অবস্থান করছিলেন। তবে এ ঘটনাটি কোনো শত্রু বা মিত্রবাহিনীর হামলার কারণে ঘটেনি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালীন পশ্চিম ইরাকের আকাশে দুটি বিমান এ ঘটনার সম্মুখীন হয়। একটি বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং অন্যটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার জন্য আকাশে থাকা অবস্থায় অন্যান্য যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহ করতে কেসি-১৩৫ বিমান ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কার্গো এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের পরিবহনের জন্যও এ জেটগুলো বিশেষভাবে কনফিগার করা যায়। তবে বৃহস্পতিবারের ও দুর্ঘটনায় যুক্ত জেটগুলো ঠিক কী ধরনের মিশন পরিচালনা করছিল, সে বিষয়ে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি

পশ্চিম ইরাকে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ছয়জন বৈমানিক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে পেন্টাগন, তবে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত বৈমানিকরা হলেন– অ্যালাবামার অবার্নের ৩৩ বছর বয়সী মেজর জন এ. ক্লিনার, ওয়াশিংটনের কভিংটনের ৩১ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. স্যাভিনো, কেন্টাকির বার্ডসটাউনের ৩৪ বছর বয়সী টেকনিক্যাল সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট। এছাড়াও রয়েছেন, ইন্ডিয়ানার মুরসভিলের ৩৮ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন শেঠ আর. কোভাল, ওহাইওর উইলমিংটনের ৩০ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. অ্যাংস্ট এবং ওহাইওর কলম্বাসের ২৮ বছর বয়সী টেকনিক্যাল সার্জেন্ট টাইলার এইচ. সিমন্স। এই ক্রু সদস্যদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ইরানের সাথে যুদ্ধের জেরে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়াল।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, ক্লিনার, স্যাভিনো এবং প্রুইট ফ্লোরিডার টাম্পায় ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেইসের ৬ষ্ঠ এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ে নিযুক্ত ছিলেন। তারা তিনজনই অ্যালাবামার বার্মিংহ্যামের সাম্পটার স্মিথ জয়েন্ট ন্যাশনাল গার্ড বেইসের অধীনে থাকা ৯৯তম এয়ার রিফুয়েলিং স্কোয়াড্রনে কাজ করতেন। এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় অ্যালাবামার গভর্নর কে আইভী শোক প্রকাশ করে বলেন, তারা কেবল অসামান্য বৈমানিকই ছিলেন না, তারা ছিলেন আমাদের প্রতিবেশী আমাদের সহকর্মী। তাদের পরিবার ও তাদের এ সেবার কথা যেন দেশ কখনো বিস্মৃত না হয়।
অন্যদিকে কোভাল, অ্যাংস্ট এবং সিমন্স ওহাইওর কলম্বাসে অবস্থিত রিকেনব্যাকার এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বেইসের ১২১তম এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ে নিযুক্ত ছিলেন। ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন জানিয়েছেন, ওহাইও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এ গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি লেখেন, মাঝপথে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে জ্বালানি স্থানান্তরের জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল এবং দেশের প্রতিরক্ষায় দূরপাল্লার মিশনে তাদের কাজ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রতিটি মিশনই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, কিন্তু তারা নিজেদের জীবনের চেয়ে অন্যদের জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়ার সময় ক্রু সদস্যরা মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’ রিফুয়েলিং বিমানে অবস্থান করছিলেন। তবে এ ঘটনাটি কোনো শত্রু বা মিত্রবাহিনীর হামলার কারণে ঘটেনি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালীন পশ্চিম ইরাকের আকাশে দুটি বিমান এ ঘটনার সম্মুখীন হয়। একটি বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং অন্যটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার জন্য আকাশে থাকা অবস্থায় অন্যান্য যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহ করতে কেসি-১৩৫ বিমান ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কার্গো এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের পরিবহনের জন্যও এ জেটগুলো বিশেষভাবে কনফিগার করা যায়। তবে বৃহস্পতিবারের ও দুর্ঘটনায় যুক্ত জেটগুলো ঠিক কী ধরনের মিশন পরিচালনা করছিল, সে বিষয়ে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি

বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৬ মার্কিন সেনার পরিচয় প্রকাশ
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিম ইরাকে একটি বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় মার্কিন বিমানবাহিনীর ছয়জন বৈমানিক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেছে পেন্টাগন, তবে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।
নিহত বৈমানিকরা হলেন– অ্যালাবামার অবার্নের ৩৩ বছর বয়সী মেজর জন এ. ক্লিনার, ওয়াশিংটনের কভিংটনের ৩১ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন আরিয়ানা জি. স্যাভিনো, কেন্টাকির বার্ডসটাউনের ৩৪ বছর বয়সী টেকনিক্যাল সার্জেন্ট অ্যাশলি বি. প্রুইট। এছাড়াও রয়েছেন, ইন্ডিয়ানার মুরসভিলের ৩৮ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন শেঠ আর. কোভাল, ওহাইওর উইলমিংটনের ৩০ বছর বয়সী ক্যাপ্টেন কার্টিস জে. অ্যাংস্ট এবং ওহাইওর কলম্বাসের ২৮ বছর বয়সী টেকনিক্যাল সার্জেন্ট টাইলার এইচ. সিমন্স। এই ক্রু সদস্যদের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে ইরানের সাথে যুদ্ধের জেরে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা বেড়ে ১৩ জনে দাঁড়াল।
পেন্টাগনের তথ্যমতে, ক্লিনার, স্যাভিনো এবং প্রুইট ফ্লোরিডার টাম্পায় ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেইসের ৬ষ্ঠ এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ে নিযুক্ত ছিলেন। তারা তিনজনই অ্যালাবামার বার্মিংহ্যামের সাম্পটার স্মিথ জয়েন্ট ন্যাশনাল গার্ড বেইসের অধীনে থাকা ৯৯তম এয়ার রিফুয়েলিং স্কোয়াড্রনে কাজ করতেন। এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় অ্যালাবামার গভর্নর কে আইভী শোক প্রকাশ করে বলেন, তারা কেবল অসামান্য বৈমানিকই ছিলেন না, তারা ছিলেন আমাদের প্রতিবেশী আমাদের সহকর্মী। তাদের পরিবার ও তাদের এ সেবার কথা যেন দেশ কখনো বিস্মৃত না হয়।
অন্যদিকে কোভাল, অ্যাংস্ট এবং সিমন্স ওহাইওর কলম্বাসে অবস্থিত রিকেনব্যাকার এয়ার ন্যাশনাল গার্ড বেইসের ১২১তম এয়ার রিফুয়েলিং উইংয়ে নিযুক্ত ছিলেন। ওহাইওর গভর্নর মাইক ডিওয়াইন জানিয়েছেন, ওহাইও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের এ গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মৃত্যুতে তিনি গভীরভাবে শোকাহত। এক্সে দেওয়া বার্তায় তিনি লেখেন, মাঝপথে এক বিমান থেকে অন্য বিমানে জ্বালানি স্থানান্তরের জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল এবং দেশের প্রতিরক্ষায় দূরপাল্লার মিশনে তাদের কাজ ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রতিটি মিশনই ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, কিন্তু তারা নিজেদের জীবনের চেয়ে অন্যদের জীবনকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন এবং অত্যন্ত সম্মানের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়ার সময় ক্রু সদস্যরা মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাঙ্কার’ রিফুয়েলিং বিমানে অবস্থান করছিলেন। তবে এ ঘটনাটি কোনো শত্রু বা মিত্রবাহিনীর হামলার কারণে ঘটেনি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চলাকালীন পশ্চিম ইরাকের আকাশে দুটি বিমান এ ঘটনার সম্মুখীন হয়। একটি বিমান বিধ্বস্ত হয় এবং অন্যটি নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হয়েছিল।
মূলত যুদ্ধক্ষেত্রে দীর্ঘক্ষণ অবস্থান করার জন্য আকাশে থাকা অবস্থায় অন্যান্য যুদ্ধবিমানে জ্বালানি সরবরাহ করতে কেসি-১৩৫ বিমান ব্যবহার করা হয়। এছাড়া কার্গো এবং চিকিৎসাধীন রোগীদের পরিবহনের জন্যও এ জেটগুলো বিশেষভাবে কনফিগার করা যায়। তবে বৃহস্পতিবারের ও দুর্ঘটনায় যুক্ত জেটগুলো ঠিক কী ধরনের মিশন পরিচালনা করছিল, সে বিষয়ে বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সূত্র: এনডিটিভি




