চার্জ কর্তন ছাড়াই টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন যাত্রীরা

চার্জ কর্তন ছাড়াই টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন যাত্রীরা
আয়নাল হোসেন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কোনো ধরনের চার্জ (মাশুল) কর্তন ছাড়াই উড়োজাহাজের যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ৩ মার্চ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ভিসা ও টিকিট সংক্রান্ত জটিলতার যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সে বিষয়ে সিডিউল ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজগুলো টিকিট ফেরত দেওয়ার সময় কোনো ধরণের চার্জ গ্রহন করতে পারবে না। টিকেট পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ বিবেচনায় নিয়ে যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত মেসার্স জেমিনি ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল সিকদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বর্তমানে এয়ারলাইন্সগুলো থেকে টিকিট ফেরতের জন্য কোনো চার্জ কাটছে না। এখন অটো সিস্টেমে টিকিট কাটা হয়। তবে কেউ যদি এক হাজার টাকার টিকিটে ১০ হাজার টাকা দাবি করে তাহলে এই মুহূর্তে সেটি চিহ্নিত করা না গেলেও পরবর্তীতে সেটি ধরা পড়বে।’
মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীরা যেখান থেকে টিকিট কিনেছেন সেখানেই ফেরত দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিমানবন্দরে ভিড় না করার জন্য যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। ট্রাভেলস এজেন্সিগুলোকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গ্রুপ টিকিটের কারণে উড়োজাহাজের সিডিউল সংক্রান্ত তথ্য এজেন্টদের নম্বরে জানানো হচ্ছে। প্রত্যেক যাত্রী যাতে ফ্লাইট পরিবর্তনের তথ্য পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে তথ্য পেতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর স্মার্ট কার্ড থেকে প্রয়োজনে ফোন নম্বর সংগ্রহ করতে বলা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্তে আরও বলা হয়, ট্রাভেল এজেন্সি কোনো ধরনের নির্দেশনা অমান্য করলে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (এটাব) আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। ফ্লাইটের ক্ষেত্রে নিশ্চিত তথ্য না থাকলে বিমানবন্দরে ভিড় না করার অনুরোধ জানানো হয়। এই বিষয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিযোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইট পুনরায় চালুর জন্য ট্রাভেলস এজেন্সি ও এয়ারলাইন্সে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
জানতে চাইলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিচালক একেএম জুনায়েদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার সময় কোনো চার্জ রাখা হচ্ছে না। তবে স্বাভাবিক সময়ে যে চার্জ কাটা হয় সেটি নির্ভর করে টিকিটের মূল্য ও কোন দেশ সেটির ওপর। কিন্তু বর্তমানে কোনো বাড়তি চার্জ রাখা হচ্ছে না।
মন্ত্রণালয়ের বেঠকে বিদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশি ক্রুদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো ও বাংলাদেশে আটকে পড়া বিদেশি ক্রুদের ভিসা নবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সেগুলো হচ্ছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া ও অতিরিক্ত ফ্লাইটের কারণে ল্যান্ডিংসহ অন্যান্য চার্জ মওকুফের ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া একই বৈঠকে যেসব যাত্রীর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে বা অচিরেই শেষ হবে, তাদের ভিসার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও বিদেশে বাংলাদেশের মিশন ব্যবস্থা করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কোনো ধরনের চার্জ (মাশুল) কর্তন ছাড়াই উড়োজাহাজের যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ৩ মার্চ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ভিসা ও টিকিট সংক্রান্ত জটিলতার যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সে বিষয়ে সিডিউল ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজগুলো টিকিট ফেরত দেওয়ার সময় কোনো ধরণের চার্জ গ্রহন করতে পারবে না। টিকেট পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ বিবেচনায় নিয়ে যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত মেসার্স জেমিনি ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল সিকদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বর্তমানে এয়ারলাইন্সগুলো থেকে টিকিট ফেরতের জন্য কোনো চার্জ কাটছে না। এখন অটো সিস্টেমে টিকিট কাটা হয়। তবে কেউ যদি এক হাজার টাকার টিকিটে ১০ হাজার টাকা দাবি করে তাহলে এই মুহূর্তে সেটি চিহ্নিত করা না গেলেও পরবর্তীতে সেটি ধরা পড়বে।’
মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীরা যেখান থেকে টিকিট কিনেছেন সেখানেই ফেরত দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিমানবন্দরে ভিড় না করার জন্য যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। ট্রাভেলস এজেন্সিগুলোকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গ্রুপ টিকিটের কারণে উড়োজাহাজের সিডিউল সংক্রান্ত তথ্য এজেন্টদের নম্বরে জানানো হচ্ছে। প্রত্যেক যাত্রী যাতে ফ্লাইট পরিবর্তনের তথ্য পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে তথ্য পেতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর স্মার্ট কার্ড থেকে প্রয়োজনে ফোন নম্বর সংগ্রহ করতে বলা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্তে আরও বলা হয়, ট্রাভেল এজেন্সি কোনো ধরনের নির্দেশনা অমান্য করলে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (এটাব) আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। ফ্লাইটের ক্ষেত্রে নিশ্চিত তথ্য না থাকলে বিমানবন্দরে ভিড় না করার অনুরোধ জানানো হয়। এই বিষয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিযোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইট পুনরায় চালুর জন্য ট্রাভেলস এজেন্সি ও এয়ারলাইন্সে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
জানতে চাইলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিচালক একেএম জুনায়েদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার সময় কোনো চার্জ রাখা হচ্ছে না। তবে স্বাভাবিক সময়ে যে চার্জ কাটা হয় সেটি নির্ভর করে টিকিটের মূল্য ও কোন দেশ সেটির ওপর। কিন্তু বর্তমানে কোনো বাড়তি চার্জ রাখা হচ্ছে না।
মন্ত্রণালয়ের বেঠকে বিদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশি ক্রুদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো ও বাংলাদেশে আটকে পড়া বিদেশি ক্রুদের ভিসা নবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সেগুলো হচ্ছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া ও অতিরিক্ত ফ্লাইটের কারণে ল্যান্ডিংসহ অন্যান্য চার্জ মওকুফের ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া একই বৈঠকে যেসব যাত্রীর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে বা অচিরেই শেষ হবে, তাদের ভিসার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও বিদেশে বাংলাদেশের মিশন ব্যবস্থা করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।

চার্জ কর্তন ছাড়াই টিকিটের টাকা ফেরত পাবেন যাত্রীরা
আয়নাল হোসেন

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কোনো ধরনের চার্জ (মাশুল) কর্তন ছাড়াই উড়োজাহাজের যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ৩ মার্চ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মিজ্ আফরোজা খানমের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে ফ্লাইট বাতিলের কারণে ভিসা ও টিকিট সংক্রান্ত জটিলতার যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সে বিষয়ে সিডিউল ব্যবস্থাপনা ও যাত্রীসেবা নিশ্চিতে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উড়োজাহাজগুলো টিকিট ফেরত দেওয়ার সময় কোনো ধরণের চার্জ গ্রহন করতে পারবে না। টিকেট পুনঃইস্যুর ক্ষেত্রে ভিসার মেয়াদ বিবেচনায় নিয়ে যাত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজধানীর পল্টনে অবস্থিত মেসার্স জেমিনি ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কামাল সিকদার সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বর্তমানে এয়ারলাইন্সগুলো থেকে টিকিট ফেরতের জন্য কোনো চার্জ কাটছে না। এখন অটো সিস্টেমে টিকিট কাটা হয়। তবে কেউ যদি এক হাজার টাকার টিকিটে ১০ হাজার টাকা দাবি করে তাহলে এই মুহূর্তে সেটি চিহ্নিত করা না গেলেও পরবর্তীতে সেটি ধরা পড়বে।’
মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের যাত্রীরা যেখান থেকে টিকিট কিনেছেন সেখানেই ফেরত দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিমানবন্দরে ভিড় না করার জন্য যাত্রীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে। ট্রাভেলস এজেন্সিগুলোকে এ ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গ্রুপ টিকিটের কারণে উড়োজাহাজের সিডিউল সংক্রান্ত তথ্য এজেন্টদের নম্বরে জানানো হচ্ছে। প্রত্যেক যাত্রী যাতে ফ্লাইট পরিবর্তনের তথ্য পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে তথ্য পেতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর স্মার্ট কার্ড থেকে প্রয়োজনে ফোন নম্বর সংগ্রহ করতে বলা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্তে আরও বলা হয়, ট্রাভেল এজেন্সি কোনো ধরনের নির্দেশনা অমান্য করলে অ্যাসোসিয়েশন অব ট্রাভেল এজেন্টস অব বাংলাদেশ (এটাব) আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়ে মন্ত্রণালয়কে জানাতে হবে। ফ্লাইটের ক্ষেত্রে নিশ্চিত তথ্য না থাকলে বিমানবন্দরে ভিড় না করার অনুরোধ জানানো হয়। এই বিষয়ে গণমাধ্যম ও সামাজিযোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইট পুনরায় চালুর জন্য ট্রাভেলস এজেন্সি ও এয়ারলাইন্সে যোগাযোগ করতে বলা হয়।
জানতে চাইলে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের পরিচালক একেএম জুনায়েদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার সময় কোনো চার্জ রাখা হচ্ছে না। তবে স্বাভাবিক সময়ে যে চার্জ কাটা হয় সেটি নির্ভর করে টিকিটের মূল্য ও কোন দেশ সেটির ওপর। কিন্তু বর্তমানে কোনো বাড়তি চার্জ রাখা হচ্ছে না।
মন্ত্রণালয়ের বেঠকে বিদেশে আটকে পড়া বাংলাদেশি ক্রুদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো এবং তাদের দেশে ফিরিয়ে আনতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো ও বাংলাদেশে আটকে পড়া বিদেশি ক্রুদের ভিসা নবায়ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের ওই বৈঠকে কিছু দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। সেগুলো হচ্ছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অতিরিক্ত ফ্লাইটের ব্যবস্থা করে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া ও অতিরিক্ত ফ্লাইটের কারণে ল্যান্ডিংসহ অন্যান্য চার্জ মওকুফের ব্যবস্থা করা। এ ছাড়া একই বৈঠকে যেসব যাত্রীর ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে বা অচিরেই শেষ হবে, তাদের ভিসার জন্য বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাস ও বিদেশে বাংলাদেশের মিশন ব্যবস্থা করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ।




