চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে উঠছে ৩৭৮ কন্টেইনার

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে উঠছে ৩৭৮ কন্টেইনার
সিটিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট কমানো এবং বন্দরের কার্যক্ষমতা বাড়াতে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। মার্চ মাসজুড়ে ই-অকশন পদ্ধতিতে মোট ৩৭৮ টি কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার (১৫ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা কন্টেইনারের কারণে সৃষ্ট জট, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিতভাবে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনবিআরের বিশেষ আদেশ ৮২/২০২৫/কাস্টমস অনুযায়ী ই-অকশন-২/২০২৬ এর আওতায় ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেমস এবং গাড়ির যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য সামগ্রী। এসব পণ্য চালানের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে স্থায়ী আদেশ ৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুযায়ী ই-অকশন-৩/২০২৬ এর আওতায় ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ, ক্রাফট লাইনার পেপারসহ আরও কিছু শিল্পপণ্য।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে এনবিআর। আগ্রহীদের জন্য পুরো মার্চ মাসজুড়ে সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আগ্রহী ক্রেতারা বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুযায়ী প্রযোজ্য শর্ত মেনে পণ্য খালাস নিতে হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, ই-অকশন-২/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চ দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় খোলা হবে।
বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট কমানো এবং বন্দরের কার্যক্ষমতা বাড়াতে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। মার্চ মাসজুড়ে ই-অকশন পদ্ধতিতে মোট ৩৭৮ টি কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার (১৫ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা কন্টেইনারের কারণে সৃষ্ট জট, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিতভাবে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনবিআরের বিশেষ আদেশ ৮২/২০২৫/কাস্টমস অনুযায়ী ই-অকশন-২/২০২৬ এর আওতায় ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেমস এবং গাড়ির যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য সামগ্রী। এসব পণ্য চালানের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে স্থায়ী আদেশ ৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুযায়ী ই-অকশন-৩/২০২৬ এর আওতায় ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ, ক্রাফট লাইনার পেপারসহ আরও কিছু শিল্পপণ্য।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে এনবিআর। আগ্রহীদের জন্য পুরো মার্চ মাসজুড়ে সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আগ্রহী ক্রেতারা বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুযায়ী প্রযোজ্য শর্ত মেনে পণ্য খালাস নিতে হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, ই-অকশন-২/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চ দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় খোলা হবে।
বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলামে উঠছে ৩৭৮ কন্টেইনার
সিটিজেন ডেস্ক

চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার জট কমানো এবং বন্দরের কার্যক্ষমতা বাড়াতে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রির উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। মার্চ মাসজুড়ে ই-অকশন পদ্ধতিতে মোট ৩৭৮ টি কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ রবিবার (১৫ মার্চ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা কন্টেইনারের কারণে সৃষ্ট জট, নিরাপত্তা ঝুঁকি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিতভাবে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এনবিআরের বিশেষ আদেশ ৮২/২০২৫/কাস্টমস অনুযায়ী ই-অকশন-২/২০২৬ এর আওতায় ৪৯টি লটে মোট ১৮০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেমস এবং গাড়ির যন্ত্রাংশসহ অন্যান্য সামগ্রী। এসব পণ্য চালানের ক্ষেত্রে কোনো সংরক্ষিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে স্থায়ী আদেশ ৯১/কাস্টমস/২০২৫/১২৩ অনুযায়ী ই-অকশন-৩/২০২৬ এর আওতায় ৭৪টি লটে মোট ১৯৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ, ক্রাফট লাইনার পেপারসহ আরও কিছু শিল্পপণ্য।
নিলাম কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে এনবিআর। আগ্রহীদের জন্য পুরো মার্চ মাসজুড়ে সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইনে নিলামে অংশ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
আগ্রহী ক্রেতারা বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে ঘরে বসেই অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে অনলাইনে বিড করার পাশাপাশি জামানতের পে-অর্ডার ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্ধারিত দরপত্র বাক্সে জমা দিতে হবে। সর্বোচ্চ দরদাতাদের আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ অনুযায়ী প্রযোজ্য শর্ত মেনে পণ্য খালাস নিতে হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, ই-অকশন-২/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স আগামী ৩১ মার্চ দুপুর ২টায় এবং ই-অকশন-৩/২০২৬ এর দরপত্র বাক্স ৮ এপ্রিল দুপুর ২টায় খোলা হবে।
বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত রাখতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।




