চুক্তি করতে সময়ক্ষেপনের জন্য ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে: ট্রাম্প

চুক্তি করতে সময়ক্ষেপনের জন্য ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে দাবি করে দেশটির বিরুদ্ধে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্নিতিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, উপযুক্ত সময়ে আলোচনার সুযোগ হাতছাড়া করে ইরান অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ করেছে এবং এই ভুলের জন্য এখন তাদের বড় মূল্য চোকাতে হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটির সামরিক কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং তাদের নৌ ও বিমানবাহিনীর কোনো কার্যকর অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই। ইরানকে কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা একটি রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বাস্তবে কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা এখন আর তাদের নেই। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত দাপুটে শক্তির পতন ঘটল বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিককালে চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার পটভূমিতে ট্রাম্পের কাছ থেকে এমন তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্য এলো। যদিও দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক যোগাযোগের গুঞ্জন রয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান এমন একটি লাভজনক চুক্তি নিয়ে কালক্ষেপণ করেছে যা তাদের পক্ষেই যেত, আর তাই এখন তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তবে মূল্য দেওয়া বলতে তিনি নতুন সামরিক পদক্ষেপ, অর্থনৈতিক কঠোরতা নাকি কূটনৈতিক চাপ বুঝিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এ মন্তব্য মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। অবশ্য ইরান অতীতেও ওয়াশিংটনের এমন দাবি নাকচ করে নিজেদের শক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান সংকটের মধ্যে ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দিতে পারে এবং সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতার ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে দাবি করে দেশটির বিরুদ্ধে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্নিতিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, উপযুক্ত সময়ে আলোচনার সুযোগ হাতছাড়া করে ইরান অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ করেছে এবং এই ভুলের জন্য এখন তাদের বড় মূল্য চোকাতে হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটির সামরিক কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং তাদের নৌ ও বিমানবাহিনীর কোনো কার্যকর অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই। ইরানকে কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা একটি রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বাস্তবে কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা এখন আর তাদের নেই। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত দাপুটে শক্তির পতন ঘটল বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিককালে চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার পটভূমিতে ট্রাম্পের কাছ থেকে এমন তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্য এলো। যদিও দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক যোগাযোগের গুঞ্জন রয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান এমন একটি লাভজনক চুক্তি নিয়ে কালক্ষেপণ করেছে যা তাদের পক্ষেই যেত, আর তাই এখন তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তবে মূল্য দেওয়া বলতে তিনি নতুন সামরিক পদক্ষেপ, অর্থনৈতিক কঠোরতা নাকি কূটনৈতিক চাপ বুঝিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এ মন্তব্য মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। অবশ্য ইরান অতীতেও ওয়াশিংটনের এমন দাবি নাকচ করে নিজেদের শক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান সংকটের মধ্যে ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দিতে পারে এবং সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতার ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র: আল জাজিরা

চুক্তি করতে সময়ক্ষেপনের জন্য ইরানকে চরম মূল্য দিতে হবে: ট্রাম্প
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে দাবি করে দেশটির বিরুদ্ধে আবারও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চুক্নিতিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, উপযুক্ত সময়ে আলোচনার সুযোগ হাতছাড়া করে ইরান অতিরিক্ত সময়ক্ষেপণ করেছে এবং এই ভুলের জন্য এখন তাদের বড় মূল্য চোকাতে হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটির সামরিক কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়েছে এবং তাদের নৌ ও বিমানবাহিনীর কোনো কার্যকর অস্তিত্ব অবশিষ্ট নেই। ইরানকে কেবল কথার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকা একটি রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, বাস্তবে কোনো বড় পদক্ষেপ নেওয়ার সক্ষমতা এখন আর তাদের নেই। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের তথাকথিত দাপুটে শক্তির পতন ঘটল বলেও মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিককালে চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার পটভূমিতে ট্রাম্পের কাছ থেকে এমন তীব্র আক্রমণাত্মক বক্তব্য এলো। যদিও দুই দেশের মধ্যে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক যোগাযোগের গুঞ্জন রয়েছে। কিন্তু মাঠপর্যায়ে এর কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরান এমন একটি লাভজনক চুক্তি নিয়ে কালক্ষেপণ করেছে যা তাদের পক্ষেই যেত, আর তাই এখন তাদের পরিণতি ভোগ করতে হবে। তবে মূল্য দেওয়া বলতে তিনি নতুন সামরিক পদক্ষেপ, অর্থনৈতিক কঠোরতা নাকি কূটনৈতিক চাপ বুঝিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এ মন্তব্য মূলত ইরানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল। অবশ্য ইরান অতীতেও ওয়াশিংটনের এমন দাবি নাকচ করে নিজেদের শক্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে। তবে হরমুজ প্রণালি ঘিরে চলমান সংকটের মধ্যে ট্রাম্পের এই নতুন হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনাকে আরও উসকে দিতে পারে এবং সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমঝোতার ভবিষ্যৎকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র: আল জাজিরা

এক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হতে পারে: জেডি ভ্যান্স


