যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় ইরানে প্রস্তুত ১০ লাখ যোদ্ধা

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় ইরানে প্রস্তুত ১০ লাখ যোদ্ধা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইরানে বিপুলসংখ্যক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগকেন্দ্রে ভিড় করছেন বলে জানা গেছে। এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরান ১০ লাখের বেশি স্থলসেনা প্রস্তুত করছে।
সামরিক সূত্রের দাবি, এই বাহিনী সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং ইরানের মাটিতে শত্রুপক্ষের জন্য ‘ঐতিহাসিক নরক’ তৈরি করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সেনারা কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে ইতোমধ্যে হাজারো মেরিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা উল্লেখ করলেও তেহরান প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছে, মার্কিন সেনারা ইরানের মাটিতে পা রাখলে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরান শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে একটি ‘রহস্যময় উপহার’ পাঠিয়েছে। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে এটিকে তিনি বড় অঙ্কের অর্থমূল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপহার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) হোয়াইট হাউসে এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিষয়টি প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি জানান, নিজেদের ‘বাস্তব ও দৃঢ়’ অবস্থান প্রমাণ করতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরান প্রথমে ৮টি তেলের জাহাজ নিতে দেবে বলেছে, বড় আটটি জাহাজ। পরে সেটি ১০টি জাহাজে গিয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরও দাবি করেন, অতিরিক্ত দুটি জাহাজ পাঠানো হয়েছিল ‘তাদের কোনো বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার অংশ হিসেবে।’ জাহাজগুলোর কিছুতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন জাহাজগুলোর চলাচল সীমিত করা হচ্ছে, তবে কিছু নির্দিষ্ট জাহাজকে সীমিত আকারে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর্থিক ও সামরিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে। দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে আসছে। এর ফলে সেনাবাহিনীকে তুলনামূলক কম নির্ভুলতা সম্পন্ন পুরোনো ধরনের বোমা, যা ‘ডাম্ব বোমা’ নামে পরিচিত, ব্যবহারে যেতে হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাতের প্রথম ১৬ দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা প্রায় ১১ হাজার অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার।
উত্তেজনার মধ্যেও পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রয়েছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিকদের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে, যদিও প্রকাশ্যে উভয়েই একে অপরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি, অন্যদিকে গোপন আলোচনা এই দ্বৈত অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইরানে বিপুলসংখ্যক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগকেন্দ্রে ভিড় করছেন বলে জানা গেছে। এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরান ১০ লাখের বেশি স্থলসেনা প্রস্তুত করছে।
সামরিক সূত্রের দাবি, এই বাহিনী সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং ইরানের মাটিতে শত্রুপক্ষের জন্য ‘ঐতিহাসিক নরক’ তৈরি করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সেনারা কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে ইতোমধ্যে হাজারো মেরিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা উল্লেখ করলেও তেহরান প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছে, মার্কিন সেনারা ইরানের মাটিতে পা রাখলে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরান শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে একটি ‘রহস্যময় উপহার’ পাঠিয়েছে। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে এটিকে তিনি বড় অঙ্কের অর্থমূল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপহার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) হোয়াইট হাউসে এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিষয়টি প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি জানান, নিজেদের ‘বাস্তব ও দৃঢ়’ অবস্থান প্রমাণ করতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরান প্রথমে ৮টি তেলের জাহাজ নিতে দেবে বলেছে, বড় আটটি জাহাজ। পরে সেটি ১০টি জাহাজে গিয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরও দাবি করেন, অতিরিক্ত দুটি জাহাজ পাঠানো হয়েছিল ‘তাদের কোনো বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার অংশ হিসেবে।’ জাহাজগুলোর কিছুতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন জাহাজগুলোর চলাচল সীমিত করা হচ্ছে, তবে কিছু নির্দিষ্ট জাহাজকে সীমিত আকারে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর্থিক ও সামরিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে। দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে আসছে। এর ফলে সেনাবাহিনীকে তুলনামূলক কম নির্ভুলতা সম্পন্ন পুরোনো ধরনের বোমা, যা ‘ডাম্ব বোমা’ নামে পরিচিত, ব্যবহারে যেতে হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাতের প্রথম ১৬ দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা প্রায় ১১ হাজার অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার।
উত্তেজনার মধ্যেও পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রয়েছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিকদের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে, যদিও প্রকাশ্যে উভয়েই একে অপরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি, অন্যদিকে গোপন আলোচনা এই দ্বৈত অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল হামলা মোকাবিলায় ইরানে প্রস্তুত ১০ লাখ যোদ্ধা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইরানে বিপুলসংখ্যক তরুণ স্বেচ্ছাসেবী নিয়োগকেন্দ্রে ভিড় করছেন বলে জানা গেছে। এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, তেহরান ১০ লাখের বেশি স্থলসেনা প্রস্তুত করছে।
সামরিক সূত্রের দাবি, এই বাহিনী সম্ভাব্য যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং ইরানের মাটিতে শত্রুপক্ষের জন্য ‘ঐতিহাসিক নরক’ তৈরি করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিজাত ৮২তম এয়ারবর্ন ডিভিশনের সেনারা কয়েক দিনের মধ্যেই সেখানে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যেখানে ইতোমধ্যে হাজারো মেরিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার কথা উল্লেখ করলেও তেহরান প্রকাশ্যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো কূটনৈতিক উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। একইসঙ্গে সতর্ক করে দিয়েছে, মার্কিন সেনারা ইরানের মাটিতে পা রাখলে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়া হবে।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, ইরান শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে একটি ‘রহস্যময় উপহার’ পাঠিয়েছে। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি, তবে এটিকে তিনি বড় অঙ্কের অর্থমূল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপহার হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) হোয়াইট হাউসে এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে বক্তব্য দিতে গিয়ে বিষয়টি প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি জানান, নিজেদের ‘বাস্তব ও দৃঢ়’ অবস্থান প্রমাণ করতে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ইরান প্রথমে ৮টি তেলের জাহাজ নিতে দেবে বলেছে, বড় আটটি জাহাজ। পরে সেটি ১০টি জাহাজে গিয়ে দাঁড়ায়।
তিনি আরও দাবি করেন, অতিরিক্ত দুটি জাহাজ পাঠানো হয়েছিল ‘তাদের কোনো বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার অংশ হিসেবে।’ জাহাজগুলোর কিছুতে পাকিস্তানের পতাকা ছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
অন্যদিকে, ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের ক্ষেত্রে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহভাজন জাহাজগুলোর চলাচল সীমিত করা হচ্ছে, তবে কিছু নির্দিষ্ট জাহাজকে সীমিত আকারে পারাপারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
চলমান সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আর্থিক ও সামরিক চাপ বাড়িয়ে তুলছে। দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণাত্মক ও প্রতিরক্ষামূলক অস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে আসছে। এর ফলে সেনাবাহিনীকে তুলনামূলক কম নির্ভুলতা সম্পন্ন পুরোনো ধরনের বোমা, যা ‘ডাম্ব বোমা’ নামে পরিচিত, ব্যবহারে যেতে হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংঘাতের প্রথম ১৬ দিনেই যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা প্রায় ১১ হাজার অস্ত্র ব্যবহার করেছে, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার।
উত্তেজনার মধ্যেও পরোক্ষ কূটনৈতিক যোগাযোগ চালু রয়েছে বলে জানা গেছে। পাকিস্তানের শীর্ষ কূটনীতিকদের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা চলছে, যদিও প্রকাশ্যে উভয়েই একে অপরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছে।
বিশ্লেষকদের মতে, একদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি, অন্যদিকে গোপন আলোচনা এই দ্বৈত অবস্থান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং যে কোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: এনডিটিভি




