মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: বিশ্ববাজারে এক দিনেই তেলের দাম বাড়লো এক ডলার

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: বিশ্ববাজারে এক দিনেই তেলের দাম বাড়লো এক ডলার
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা আর হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার বাধাগ্রস্ত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) মাত্র এক দিনেই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার বা ১ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।
বাজারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০.১২ ডলারে পৌঁছেছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪.৬৭ ডলারে। পুরো জুলাই মাসের হিসাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ২৪ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে ২১ শতাংশ। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গেলবার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো বেশ মারাত্মক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্যিক মজুত ২০১৮ সালের পর এখন সবচেয়ে কম, যা এই বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে।
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের মূল রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইরানের ‘ফারস নিউজ’ জানায়, সম্প্রতি দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ডস দুটি তেলের ট্যাংকার আটকে দিয়েছে এবং আরও চারটি জাহাজকে পথ বদলে যেতে বাধ্য করেছে। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে শুক্রবার মাত্র দুটি বড় ক্রুড ক্যারিয়ার এই পথ পার হতে পেরেছে। তেহরান হরমুজের যৌথ ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও ওমানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, লোহিত সাগরের বাব আল-মানদেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হুমকির মুখে বাণিজ্য পথ নিরাপদ রাখতে জোট গড়ার চেষ্টা করছে সৌদি আরব। সেখানে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ২৯টি পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করেছে।
শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, সংকটের আঁচ ছড়াচ্ছে পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তেও। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে, আর মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে হামলার কারণে সুয়েজ খালের নৌচলাচলও ঝুঁকির মুখে। এর মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির খবর হলো- দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর কাজাখস্তান আবার জর্জিয়ার বাতুমি বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি শুরু করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা এখন শুধু যুদ্ধের খবরের চেয়ে জাহাজ চলাচলের আসল তথ্যের ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন। মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে তেল উৎপাদন ২ শতাংশ কমলেও রপ্তানি রেকর্ড ছুঁয়েছে, যদিও দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা সাড়ে ৩ শতাংশ কমে গেছে। রয়টার্সের নতুন জরিপ অনুযায়ী, তেলের এ চড়া ভাব চলতি বছরজুড়েই থাকবে এবং ২০২৬ সালে ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ৮৫.২২ ডলারের আশপাশে থাকতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা আর হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার বাধাগ্রস্ত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) মাত্র এক দিনেই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার বা ১ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।
বাজারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০.১২ ডলারে পৌঁছেছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪.৬৭ ডলারে। পুরো জুলাই মাসের হিসাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ২৪ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে ২১ শতাংশ। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গেলবার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো বেশ মারাত্মক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্যিক মজুত ২০১৮ সালের পর এখন সবচেয়ে কম, যা এই বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে।
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের মূল রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইরানের ‘ফারস নিউজ’ জানায়, সম্প্রতি দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ডস দুটি তেলের ট্যাংকার আটকে দিয়েছে এবং আরও চারটি জাহাজকে পথ বদলে যেতে বাধ্য করেছে। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে শুক্রবার মাত্র দুটি বড় ক্রুড ক্যারিয়ার এই পথ পার হতে পেরেছে। তেহরান হরমুজের যৌথ ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও ওমানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, লোহিত সাগরের বাব আল-মানদেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হুমকির মুখে বাণিজ্য পথ নিরাপদ রাখতে জোট গড়ার চেষ্টা করছে সৌদি আরব। সেখানে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ২৯টি পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করেছে।
শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, সংকটের আঁচ ছড়াচ্ছে পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তেও। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে, আর মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে হামলার কারণে সুয়েজ খালের নৌচলাচলও ঝুঁকির মুখে। এর মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির খবর হলো- দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর কাজাখস্তান আবার জর্জিয়ার বাতুমি বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি শুরু করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা এখন শুধু যুদ্ধের খবরের চেয়ে জাহাজ চলাচলের আসল তথ্যের ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন। মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে তেল উৎপাদন ২ শতাংশ কমলেও রপ্তানি রেকর্ড ছুঁয়েছে, যদিও দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা সাড়ে ৩ শতাংশ কমে গেছে। রয়টার্সের নতুন জরিপ অনুযায়ী, তেলের এ চড়া ভাব চলতি বছরজুড়েই থাকবে এবং ২০২৬ সালে ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ৮৫.২২ ডলারের আশপাশে থাকতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: বিশ্ববাজারে এক দিনেই তেলের দাম বাড়লো এক ডলার
সিজেডএন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা আর হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকার বাধাগ্রস্ত হওয়ার খবরে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের তীব্র আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) মাত্র এক দিনেই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার বা ১ শতাংশের বেশি বেড়ে গেছে।
বাজারের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, শুক্রবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১.২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০.১২ ডলারে পৌঁছেছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ১.৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৪.৬৭ ডলারে। পুরো জুলাই মাসের হিসাবে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়েছে ২৪ শতাংশ এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছে ২১ শতাংশ। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘গেলবার অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস’ জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথে ভূ-রাজনৈতিক ঝুঁকি এখনো বেশ মারাত্মক। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের বাণিজ্যিক মজুত ২০১৮ সালের পর এখন সবচেয়ে কম, যা এই বাজারকে আরও অস্থির করে তুলছে।
ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের মূল রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ইরানের ‘ফারস নিউজ’ জানায়, সম্প্রতি দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ডস দুটি তেলের ট্যাংকার আটকে দিয়েছে এবং আরও চারটি জাহাজকে পথ বদলে যেতে বাধ্য করেছে। পরিস্থিতি এতটাই নাজুক যে শুক্রবার মাত্র দুটি বড় ক্রুড ক্যারিয়ার এই পথ পার হতে পেরেছে। তেহরান হরমুজের যৌথ ব্যবস্থাপনার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও ওমানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, লোহিত সাগরের বাব আল-মানদেব প্রণালিতে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হুমকির মুখে বাণিজ্য পথ নিরাপদ রাখতে জোট গড়ার চেষ্টা করছে সৌদি আরব। সেখানে বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ২৯টি পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত করেছে।
শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই নয়, সংকটের আঁচ ছড়াচ্ছে পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তেও। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে, আর মিসরের দামিয়েত্তা বন্দরে হামলার কারণে সুয়েজ খালের নৌচলাচলও ঝুঁকির মুখে। এর মধ্যেও কিছুটা স্বস্তির খবর হলো- দীর্ঘ দিন বন্ধ থাকার পর কাজাখস্তান আবার জর্জিয়ার বাতুমি বন্দর দিয়ে তেল রপ্তানি শুরু করেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীরা এখন শুধু যুদ্ধের খবরের চেয়ে জাহাজ চলাচলের আসল তথ্যের ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন। মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রে তেল উৎপাদন ২ শতাংশ কমলেও রপ্তানি রেকর্ড ছুঁয়েছে, যদিও দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা সাড়ে ৩ শতাংশ কমে গেছে। রয়টার্সের নতুন জরিপ অনুযায়ী, তেলের এ চড়া ভাব চলতি বছরজুড়েই থাকবে এবং ২০২৬ সালে ব্রেন্ট ক্রুডের গড় দাম ৮৫.২২ ডলারের আশপাশে থাকতে পারে।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্য সংকট: বিশ্ববাজারে তেলের দাম এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ
বিশ্ববাজারে আবারও বাড়লো তেলের দাম







