সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিন আজ

সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিন আজ
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৪ সালের এই দিনে তৎকালনি পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
সাবিনা ইয়াসমিনের পিতা লুৎফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। মাতা বেগম মৌলুদা খাতুন। তাদের পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামে।
সাবিনা ইয়াসমিনের পাঁচ বোনের মাঝে চার বোনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন ফরিদা, ফৌজিয়া, নীলুফার, সাবিনা ও নাজমা ইয়াসমিন। তার ভগ্নীপতি চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা, সুরকার খান আতাউর রহমান এবং ভাগ্নে সঙ্গীতশিল্পী আগুন।
সাবিনা ইয়াসমীন শৈশব থেকেই গানের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। বাবা রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। মা মুর্শিদাবাদে সে সময়ের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ও ওস্তাদ কাদের বক্সের কাছে গান শিখতেন। বড় বোন ফরিদা ও ফৌজিয়া দুর্গাপ্রসাদ রায়ের কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিখতেন। তিনি ও নীলুফার তাদের সঙ্গে বসতেন।
সাবিনা ইয়াসমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি ৭ বছর বয়সে প্রথম মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন।
১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে আত্মপ্রকাশ ঘটে সাবিনা ইয়াসমিনের। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ সিনেমায় ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ১০ হাজারের অধিক গান রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ সংগীতময় জীবনে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নানা গান তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৪ সালের এই দিনে তৎকালনি পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
সাবিনা ইয়াসমিনের পিতা লুৎফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। মাতা বেগম মৌলুদা খাতুন। তাদের পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামে।
সাবিনা ইয়াসমিনের পাঁচ বোনের মাঝে চার বোনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন ফরিদা, ফৌজিয়া, নীলুফার, সাবিনা ও নাজমা ইয়াসমিন। তার ভগ্নীপতি চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা, সুরকার খান আতাউর রহমান এবং ভাগ্নে সঙ্গীতশিল্পী আগুন।
সাবিনা ইয়াসমীন শৈশব থেকেই গানের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। বাবা রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। মা মুর্শিদাবাদে সে সময়ের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ও ওস্তাদ কাদের বক্সের কাছে গান শিখতেন। বড় বোন ফরিদা ও ফৌজিয়া দুর্গাপ্রসাদ রায়ের কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিখতেন। তিনি ও নীলুফার তাদের সঙ্গে বসতেন।
সাবিনা ইয়াসমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি ৭ বছর বয়সে প্রথম মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন।
১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে আত্মপ্রকাশ ঘটে সাবিনা ইয়াসমিনের। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ সিনেমায় ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ১০ হাজারের অধিক গান রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ সংগীতময় জীবনে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নানা গান তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিন আজ
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের ৭৩তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৪ সালের এই দিনে তৎকালনি পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশে) জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
সাবিনা ইয়াসমিনের পিতা লুৎফর রহমান ব্রিটিশ রাজের অধীনে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। মাতা বেগম মৌলুদা খাতুন। তাদের পৈতৃক বাড়ি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বল্লী ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামে।
সাবিনা ইয়াসমিনের পাঁচ বোনের মাঝে চার বোনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত। তারা হলেন ফরিদা, ফৌজিয়া, নীলুফার, সাবিনা ও নাজমা ইয়াসমিন। তার ভগ্নীপতি চলচ্চিত্র নির্মাতা, অভিনেতা, সুরকার খান আতাউর রহমান এবং ভাগ্নে সঙ্গীতশিল্পী আগুন।
সাবিনা ইয়াসমীন শৈশব থেকেই গানের পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন। বাবা রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। মা মুর্শিদাবাদে সে সময়ের প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ ও ওস্তাদ কাদের বক্সের কাছে গান শিখতেন। বড় বোন ফরিদা ও ফৌজিয়া দুর্গাপ্রসাদ রায়ের কাছে উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত শিখতেন। তিনি ও নীলুফার তাদের সঙ্গে বসতেন।
সাবিনা ইয়াসমিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি ৭ বছর বয়সে প্রথম মঞ্চ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং খেলাঘর নামে একটি বেতার অনুষ্ঠানে ছোটদের গান করতেন।
১৯৬৭ সালে ‘আগুন নিয়ে খেলা’ চলচ্চিত্রের ‘মধুর জোছনা দীপালি’ গান দিয়ে চলচ্চিত্রের গানে আত্মপ্রকাশ ঘটে সাবিনা ইয়াসমিনের। ১৯৭২ সালে ‘অবুঝ মন’ সিনেমায় ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে ১০ হাজারের অধিক গান রেকর্ড করা হয়েছে। দীর্ঘ সংগীতময় জীবনে তিনি ১৪টি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ৬টি বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেছেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি দেশাত্মবোধক গান থেকে শুরু করে উচ্চাঙ্গ, ধ্রুপদী, লোকসঙ্গীত ও আধুনিক বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার নানান আঙ্গিকের সুরে গান গেয়ে নিজেকে বৈচিত্রময় শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসার নানা গান তাঁর কণ্ঠে পেয়েছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। শিল্পকলার সঙ্গীত শাখায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ১৯৮৪ সালে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘একুশে পদক’ এবং ১৯৯৬ সালে সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পুরস্কারে’ ভূষিত করে।
দীর্ঘ সংগীতজীবনে সাবিনা ইয়াসমিন শুধু গানই করেননি, তৈরি করেছেন বাংলা গানের এক সমৃদ্ধ অধ্যায়। তার গান আজও শ্রোতাদের স্মৃতিতে অমলীন হয়ে আছে।

আজীবন সম্মাননা পাচ্ছেন সুচন্দা ও সাবিনা







