আল-আকসায় ৫২০৯ ইসরায়েলি দখলদারের হামলা, ২ ফিলিস্তিনি নিহত

আল-আকসায় ৫২০৯ ইসরায়েলি দখলদারের হামলা, ২ ফিলিস্তিনি নিহত
সিজেডএন ডেস্ক

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি দখলদারদের তাণ্ডব ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জেরুজালেম গভর্নরেটের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্ট মাসেই ৫ হাজার ২০৯ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনধিকার প্রবেশ ও হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে ২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৫ শিশুসহ আটক হয়েছেন ১১৪ জন।
গভর্নরেট তাদের প্রতিবেদনে জানায়, আগস্ট মাসজুড়ে ইসরায়েলি পুলিশের প্রত্যক্ষ পাহারায় আল-আকসার ভেতরে ও এর মূল ফটকগুলোর চারপাশে উগ্র বসতি স্থাপনকারীরা অনবরত অনুপ্রবেশ করেছে। সেখানে তারা উসকানিমূলক ধর্মীয় অনুষ্ঠানও পালন করে। ১৩ আগস্ট পরিস্থিতি সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করে, যেদিন একদিনেই রেকর্ড ৭৫১ জন দখলদার মসজিদ চত্বরে ঢুকে পড়ে। একই সঙ্গে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পাঁচটি পৃথক নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করে। ২০০৩ সাল থেকেই ইসরায়েলি পুলিশ দখলদারদের মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে আসছে। এর তীব্র বিরোধিতা করে জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, আল-আকসা একচেটিয়াভাবে মুসলমানদের একটি পবিত্র স্থান। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব অনধিকার প্রবেশ ও হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নির্মমতার চিত্র তুলে ধরে গভর্নরেট জানায়, আগস্টে দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ৮৩ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এর বাইরে সাধারণ ফিলিস্তিনি ও তাদের ঘরবাড়ির ওপর আরও ৪৪টি পৃথক হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা। নগরীর ফিলিস্তিনি অস্তিত্ব মুছে ফেলতে অবরুদ্ধ জেরুজালেমে বাড়িঘর, স্থাপনা ও জমি লক্ষ্য করে ৪০টি ধ্বংস ও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ৮৬টি ভবন ধ্বংস বা নির্মাণকাজ বন্ধের কঠোর নোটিশ দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবরের নেসেট নির্বাচনকে সামনে রেখে কট্টর ডানপন্থী দলগুলোকে নিজের পাশে পেতেই এসব উসকানিমূলক কার্যক্রম ও উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ঐতিহাসিক পূর্ব জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদ চত্বরের আরব ও ইসলামিক পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলে সেখানে ইহুদীকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করছে ইসরায়েল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি দখলদারদের তাণ্ডব ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জেরুজালেম গভর্নরেটের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্ট মাসেই ৫ হাজার ২০৯ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনধিকার প্রবেশ ও হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে ২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৫ শিশুসহ আটক হয়েছেন ১১৪ জন।
গভর্নরেট তাদের প্রতিবেদনে জানায়, আগস্ট মাসজুড়ে ইসরায়েলি পুলিশের প্রত্যক্ষ পাহারায় আল-আকসার ভেতরে ও এর মূল ফটকগুলোর চারপাশে উগ্র বসতি স্থাপনকারীরা অনবরত অনুপ্রবেশ করেছে। সেখানে তারা উসকানিমূলক ধর্মীয় অনুষ্ঠানও পালন করে। ১৩ আগস্ট পরিস্থিতি সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করে, যেদিন একদিনেই রেকর্ড ৭৫১ জন দখলদার মসজিদ চত্বরে ঢুকে পড়ে। একই সঙ্গে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পাঁচটি পৃথক নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করে। ২০০৩ সাল থেকেই ইসরায়েলি পুলিশ দখলদারদের মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে আসছে। এর তীব্র বিরোধিতা করে জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, আল-আকসা একচেটিয়াভাবে মুসলমানদের একটি পবিত্র স্থান। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব অনধিকার প্রবেশ ও হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নির্মমতার চিত্র তুলে ধরে গভর্নরেট জানায়, আগস্টে দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ৮৩ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এর বাইরে সাধারণ ফিলিস্তিনি ও তাদের ঘরবাড়ির ওপর আরও ৪৪টি পৃথক হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা। নগরীর ফিলিস্তিনি অস্তিত্ব মুছে ফেলতে অবরুদ্ধ জেরুজালেমে বাড়িঘর, স্থাপনা ও জমি লক্ষ্য করে ৪০টি ধ্বংস ও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ৮৬টি ভবন ধ্বংস বা নির্মাণকাজ বন্ধের কঠোর নোটিশ দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবরের নেসেট নির্বাচনকে সামনে রেখে কট্টর ডানপন্থী দলগুলোকে নিজের পাশে পেতেই এসব উসকানিমূলক কার্যক্রম ও উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ঐতিহাসিক পূর্ব জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদ চত্বরের আরব ও ইসলামিক পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলে সেখানে ইহুদীকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করছে ইসরায়েল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

আল-আকসায় ৫২০৯ ইসরায়েলি দখলদারের হামলা, ২ ফিলিস্তিনি নিহত
সিজেডএন ডেস্ক

অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ চত্বরে ইসরায়েলি দখলদারদের তাণ্ডব ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) জেরুজালেম গভর্নরেটের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগস্ট মাসেই ৫ হাজার ২০৯ জন ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারী মসজিদ প্রাঙ্গণে অনধিকার প্রবেশ ও হামলা চালিয়েছে। একই সময়ে ইসরায়েলি বাহিনীর আগ্রাসনে ২ ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন এবং ৫ শিশুসহ আটক হয়েছেন ১১৪ জন।
গভর্নরেট তাদের প্রতিবেদনে জানায়, আগস্ট মাসজুড়ে ইসরায়েলি পুলিশের প্রত্যক্ষ পাহারায় আল-আকসার ভেতরে ও এর মূল ফটকগুলোর চারপাশে উগ্র বসতি স্থাপনকারীরা অনবরত অনুপ্রবেশ করেছে। সেখানে তারা উসকানিমূলক ধর্মীয় অনুষ্ঠানও পালন করে। ১৩ আগস্ট পরিস্থিতি সবচেয়ে তীব্র আকার ধারণ করে, যেদিন একদিনেই রেকর্ড ৭৫১ জন দখলদার মসজিদ চত্বরে ঢুকে পড়ে। একই সঙ্গে সাধারণ ফিলিস্তিনিদের আল-আকসায় প্রবেশে বাধা দিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ পাঁচটি পৃথক নিষেধাজ্ঞা আদেশ জারি করে। ২০০৩ সাল থেকেই ইসরায়েলি পুলিশ দখলদারদের মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশের অনুমতি দিয়ে আসছে। এর তীব্র বিরোধিতা করে জেরুজালেমের ইসলামিক ওয়াকফ বিভাগ জানিয়েছে, আল-আকসা একচেটিয়াভাবে মুসলমানদের একটি পবিত্র স্থান। তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব অনধিকার প্রবেশ ও হামলা বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নির্মমতার চিত্র তুলে ধরে গভর্নরেট জানায়, আগস্টে দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ৮৩ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এর বাইরে সাধারণ ফিলিস্তিনি ও তাদের ঘরবাড়ির ওপর আরও ৪৪টি পৃথক হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র বসতি স্থাপনকারীরা। নগরীর ফিলিস্তিনি অস্তিত্ব মুছে ফেলতে অবরুদ্ধ জেরুজালেমে বাড়িঘর, স্থাপনা ও জমি লক্ষ্য করে ৪০টি ধ্বংস ও উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। সেই সঙ্গে ৮৬টি ভবন ধ্বংস বা নির্মাণকাজ বন্ধের কঠোর নোটিশ দিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ২৭ অক্টোবরের নেসেট নির্বাচনকে সামনে রেখে কট্টর ডানপন্থী দলগুলোকে নিজের পাশে পেতেই এসব উসকানিমূলক কার্যক্রম ও উত্তেজনা বাড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, ঐতিহাসিক পূর্ব জেরুজালেম ও আল-আকসা মসজিদ চত্বরের আরব ও ইসলামিক পরিচয় পুরোপুরি মুছে ফেলে সেখানে ইহুদীকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করছে ইসরায়েল।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

গাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে ২০ ফিলিস্তিনির দেহাবশেষ উদ্ধার







