লেবাননে ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করেছে ইরান

লেবাননে ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করেছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

সম্প্রতি ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরান। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণে ইসরায়েলি অভিযানের জবাবে এ হামলা চালিয়েছে তেহরান। এর আগে কখনও ইরানকে আগ বাড়িয়ে দেশটিতে হামলা করতে দেখা যায়নি।
দ্বিতীয় দফার হামলার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলে চালানো অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে। তবে লেবাননে যদি ইসরায়েল আবার হামলা চালায়, জবাবে ‘আরও কঠোর’ হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো এবং ‘দ্য ইরান পডকাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা নেগার মোর্তাজাভি জানিয়েছে, ‘তেহরান দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা সহ্য করে আসলেও বৈরুতের ব্যাপারে একটি রেড লাইন টেনেছে।’
‘গত সপ্তাহে যখন ইসরায়েল বৈরুতে হামলা করতে চেয়েছিল, তখন তেহরান ওয়াশিংটনকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছিল যে তারা বৈরুতের ওপর কোনো হামলা বরদাস্ত করবে না। সেই সতর্কতাটি যে নিছক হুমকি ছিল না, তারা সেটা প্রমাণ করেছে,’ যোগ করেন মোর্তাজাভি।
এই উত্তেজনা বৃদ্ধি একটি গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, সেটা হলো- হিজবুল্লাহর সমর্থনে ইরানের এই সরাসরি আক্রমণ কি এটাই প্রমাণ করে দিয়েছে যে, তারা সেই ‘রেড লাইন’ কার্যকর করতে প্রস্তুত। যার অধীনে মিত্রদের ওপর যেকোনো ইসরায়েলি আক্রমণের জবাবে ইরান সরাসরি আক্রমণ চালাবে?
এদিকে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকা অবস্থায় ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবং তেহরানের সঙ্গে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনার কোনো সুযোগ ওয়াশিংটনের আছে কিনা।
তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর ২ মার্চ লেবানন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
হিজবুল্লাহ বলেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা এবং ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে পুনরায় লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩,৬১৩ জন নিহত এবং আরও ১১,০৭২ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েল দেশটির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দখল করে নিয়েছে। এর ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে পড়েছেন।
যদিও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার লড়াই বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৭ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। তবে এর পরও হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল। এর মধ্যে রাজধানী বৈরুতও অন্তর্ভুক্ত। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা শহরটির দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকণ্ঠে হিজবুল্লাহর একটি শক্ত ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটনে আলোচনার পর লেবানন ও ইসরায়েলের আলোচকরা আরও একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। ওই হামলায় হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করা হবে বলে উল্লেক করা হয়।
তবে হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম সেই যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করে একে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, লেবাননে বোমা বর্ষণ চলতে থাকলে উত্তর ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

সম্প্রতি ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরান। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণে ইসরায়েলি অভিযানের জবাবে এ হামলা চালিয়েছে তেহরান। এর আগে কখনও ইরানকে আগ বাড়িয়ে দেশটিতে হামলা করতে দেখা যায়নি।
দ্বিতীয় দফার হামলার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলে চালানো অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে। তবে লেবাননে যদি ইসরায়েল আবার হামলা চালায়, জবাবে ‘আরও কঠোর’ হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো এবং ‘দ্য ইরান পডকাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা নেগার মোর্তাজাভি জানিয়েছে, ‘তেহরান দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা সহ্য করে আসলেও বৈরুতের ব্যাপারে একটি রেড লাইন টেনেছে।’
‘গত সপ্তাহে যখন ইসরায়েল বৈরুতে হামলা করতে চেয়েছিল, তখন তেহরান ওয়াশিংটনকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছিল যে তারা বৈরুতের ওপর কোনো হামলা বরদাস্ত করবে না। সেই সতর্কতাটি যে নিছক হুমকি ছিল না, তারা সেটা প্রমাণ করেছে,’ যোগ করেন মোর্তাজাভি।
এই উত্তেজনা বৃদ্ধি একটি গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, সেটা হলো- হিজবুল্লাহর সমর্থনে ইরানের এই সরাসরি আক্রমণ কি এটাই প্রমাণ করে দিয়েছে যে, তারা সেই ‘রেড লাইন’ কার্যকর করতে প্রস্তুত। যার অধীনে মিত্রদের ওপর যেকোনো ইসরায়েলি আক্রমণের জবাবে ইরান সরাসরি আক্রমণ চালাবে?
এদিকে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকা অবস্থায় ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবং তেহরানের সঙ্গে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনার কোনো সুযোগ ওয়াশিংটনের আছে কিনা।
তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর ২ মার্চ লেবানন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
হিজবুল্লাহ বলেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা এবং ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে পুনরায় লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩,৬১৩ জন নিহত এবং আরও ১১,০৭২ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েল দেশটির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দখল করে নিয়েছে। এর ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে পড়েছেন।
যদিও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার লড়াই বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৭ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। তবে এর পরও হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল। এর মধ্যে রাজধানী বৈরুতও অন্তর্ভুক্ত। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা শহরটির দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকণ্ঠে হিজবুল্লাহর একটি শক্ত ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটনে আলোচনার পর লেবানন ও ইসরায়েলের আলোচকরা আরও একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। ওই হামলায় হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করা হবে বলে উল্লেক করা হয়।
তবে হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম সেই যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করে একে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, লেবাননে বোমা বর্ষণ চলতে থাকলে উত্তর ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননে ‘রেড লাইন’ নির্ধারণ করেছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

সম্প্রতি ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে ইরান। লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণে ইসরায়েলি অভিযানের জবাবে এ হামলা চালিয়েছে তেহরান। এর আগে কখনও ইরানকে আগ বাড়িয়ে দেশটিতে হামলা করতে দেখা যায়নি।
দ্বিতীয় দফার হামলার পর ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ইসরায়েলে চালানো অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে। তবে লেবাননে যদি ইসরায়েল আবার হামলা চালায়, জবাবে ‘আরও কঠোর’ হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনিয়র ফেলো এবং ‘দ্য ইরান পডকাস্ট’-এর প্রতিষ্ঠাতা নেগার মোর্তাজাভি জানিয়েছে, ‘তেহরান দক্ষিণ লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলা সহ্য করে আসলেও বৈরুতের ব্যাপারে একটি রেড লাইন টেনেছে।’
‘গত সপ্তাহে যখন ইসরায়েল বৈরুতে হামলা করতে চেয়েছিল, তখন তেহরান ওয়াশিংটনকে কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছিল যে তারা বৈরুতের ওপর কোনো হামলা বরদাস্ত করবে না। সেই সতর্কতাটি যে নিছক হুমকি ছিল না, তারা সেটা প্রমাণ করেছে,’ যোগ করেন মোর্তাজাভি।
এই উত্তেজনা বৃদ্ধি একটি গুরুতর প্রশ্ন উত্থাপন করেছে, সেটা হলো- হিজবুল্লাহর সমর্থনে ইরানের এই সরাসরি আক্রমণ কি এটাই প্রমাণ করে দিয়েছে যে, তারা সেই ‘রেড লাইন’ কার্যকর করতে প্রস্তুত। যার অধীনে মিত্রদের ওপর যেকোনো ইসরায়েলি আক্রমণের জবাবে ইরান সরাসরি আক্রমণ চালাবে?
এদিকে পর্যবেক্ষকরা প্রশ্ন তুলছেন, লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকা অবস্থায় ইরান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে এবং তেহরানের সঙ্গে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে আলোচনার কোনো সুযোগ ওয়াশিংটনের আছে কিনা।
তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালানোর পর ২ মার্চ লেবানন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরান-বিরোধী যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
হিজবুল্লাহ বলেছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইসরায়েল কর্তৃক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা এবং ২০২৪ সালের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলাগুলো চালানো হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে পুনরায় লড়াই শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৩,৬১৩ জন নিহত এবং আরও ১১,০৭২ জন আহত হয়েছেন। ইসরায়েল দেশটির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দখল করে নিয়েছে। এর ফলে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়েছে পড়েছেন।
যদিও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার লড়াই বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ১৭ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হয়। তবে এর পরও হামলা অব্যাহত রাখে ইসরায়েল। এর মধ্যে রাজধানী বৈরুতও অন্তর্ভুক্ত। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা শহরটির দক্ষিণাঞ্চলীয় উপকণ্ঠে হিজবুল্লাহর একটি শক্ত ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে ওয়াশিংটনে আলোচনার পর লেবানন ও ইসরায়েলের আলোচকরা আরও একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। ওই হামলায় হিজবুল্লাহকে সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ করা হবে বলে উল্লেক করা হয়।
তবে হিজবুল্লাহ নেতা নাইম কাসেম সেই যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করে একে ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, লেবাননে বোমা বর্ষণ চলতে থাকলে উত্তর ইসরায়েলে হামলা অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননে সামরিক অভিযান বাড়াতে চায় ইসরায়েল
লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক কমান্ড হেডকোয়ার্টারে হিজবুল্লাহর হামলা


