ইরান না পারলে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ তেল রপ্তানি করতে পারবে না: বিশ্লেষক

ইরান না পারলে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ তেল রপ্তানি করতে পারবে না: বিশ্লেষক
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান তৎপরতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য একটি বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইরানি গবেষক আলি আকবর দারেইনি। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে শনিবার (৬ মে) তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়। সেখানে তিনি জানান, ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তবে এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তা করতে দেওয়া হবে না।
তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের এই গবেষক ও লেখক মনে করেন, দুই পক্ষই বর্তমানে একটি স্বল্প মাত্রার যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ফলে এখানে কাগজে-কলমে কোনো যুদ্ধবিরতি অবশিষ্ট নেই। তিনি জানান, পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান তিনটি সুনির্দিষ্ট শর্ত দিয়েছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে প্রবেশ ও দক্ষিণ দিক দিয়ে বের হওয়ার নির্ধারিত ইরানি করিডোর ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া পরিষেবার জন্য নির্দিষ্ট ট্যাক্স প্রদান করতে হবে এবং তৃতীয়ত, জাহাজগুলো এমন কোনো পণ্য বহন করতে পারবে না যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করে কিংবা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ব্যবহৃত হতে পারে।
দারেইনি উল্লেখ করেন, শর্তগুলো মেনে ইরান প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অস্বীকৃতি জানানোতেই মূলত অঞ্চলের উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। আমেরিকার এ আধিপত্যকে মেনে নেওয়ার চেয়ে ইরান যেকোনো মূল্যে তার প্রতিশোধের পরিধি বাড়াতে পছন্দ করবে, এমনকি তা যদি একটি বড় আকারের যুদ্ধও ডেকে আনে। কারণ তেহরানের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা অত্যন্ত স্পষ্ট নিজেদের তেল বাণিজ্য বন্ধ হলে পুরো অঞ্চলের তেল রপ্তানি অচল করে দেবে ইরান।
সূত্র: আল জাজিরা

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান তৎপরতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য একটি বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইরানি গবেষক আলি আকবর দারেইনি। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে শনিবার (৬ মে) তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়। সেখানে তিনি জানান, ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তবে এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তা করতে দেওয়া হবে না।
তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের এই গবেষক ও লেখক মনে করেন, দুই পক্ষই বর্তমানে একটি স্বল্প মাত্রার যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ফলে এখানে কাগজে-কলমে কোনো যুদ্ধবিরতি অবশিষ্ট নেই। তিনি জানান, পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান তিনটি সুনির্দিষ্ট শর্ত দিয়েছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে প্রবেশ ও দক্ষিণ দিক দিয়ে বের হওয়ার নির্ধারিত ইরানি করিডোর ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া পরিষেবার জন্য নির্দিষ্ট ট্যাক্স প্রদান করতে হবে এবং তৃতীয়ত, জাহাজগুলো এমন কোনো পণ্য বহন করতে পারবে না যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করে কিংবা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ব্যবহৃত হতে পারে।
দারেইনি উল্লেখ করেন, শর্তগুলো মেনে ইরান প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অস্বীকৃতি জানানোতেই মূলত অঞ্চলের উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। আমেরিকার এ আধিপত্যকে মেনে নেওয়ার চেয়ে ইরান যেকোনো মূল্যে তার প্রতিশোধের পরিধি বাড়াতে পছন্দ করবে, এমনকি তা যদি একটি বড় আকারের যুদ্ধও ডেকে আনে। কারণ তেহরানের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা অত্যন্ত স্পষ্ট নিজেদের তেল বাণিজ্য বন্ধ হলে পুরো অঞ্চলের তেল রপ্তানি অচল করে দেবে ইরান।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান না পারলে মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ তেল রপ্তানি করতে পারবে না: বিশ্লেষক
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন সামরিক বাহিনীর ক্রমবর্ধমান তৎপরতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্য একটি বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ধাবিত হচ্ছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ইরানি গবেষক আলি আকবর দারেইনি। আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে শনিবার (৬ মে) তার একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়। সেখানে তিনি জানান, ইরান যদি তেল রপ্তানি করতে না পারে, তবে এই অঞ্চলের অন্য কোনো দেশকেও তা করতে দেওয়া হবে না।
তেহরানের সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের এই গবেষক ও লেখক মনে করেন, দুই পক্ষই বর্তমানে একটি স্বল্প মাত্রার যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, ফলে এখানে কাগজে-কলমে কোনো যুদ্ধবিরতি অবশিষ্ট নেই। তিনি জানান, পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান তিনটি সুনির্দিষ্ট শর্ত দিয়েছে। প্রথমত, জাহাজগুলোকে লারাক দ্বীপের উত্তর দিক দিয়ে প্রবেশ ও দক্ষিণ দিক দিয়ে বের হওয়ার নির্ধারিত ইরানি করিডোর ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয়ত, ইরানের দেওয়া পরিষেবার জন্য নির্দিষ্ট ট্যাক্স প্রদান করতে হবে এবং তৃতীয়ত, জাহাজগুলো এমন কোনো পণ্য বহন করতে পারবে না যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা বিপন্ন করে কিংবা দেশটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনায় ব্যবহৃত হতে পারে।
দারেইনি উল্লেখ করেন, শর্তগুলো মেনে ইরান প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০টি জাহাজকে প্রণালি দিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিচ্ছিল। তবে যুক্তরাষ্ট্র এ নিয়মকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে অস্বীকৃতি জানানোতেই মূলত অঞ্চলের উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। আমেরিকার এ আধিপত্যকে মেনে নেওয়ার চেয়ে ইরান যেকোনো মূল্যে তার প্রতিশোধের পরিধি বাড়াতে পছন্দ করবে, এমনকি তা যদি একটি বড় আকারের যুদ্ধও ডেকে আনে। কারণ তেহরানের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমা অত্যন্ত স্পষ্ট নিজেদের তেল বাণিজ্য বন্ধ হলে পুরো অঞ্চলের তেল রপ্তানি অচল করে দেবে ইরান।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা তেহরানের

