এবার যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন হরমুজ প্রণালির কাছে

এবার যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন হরমুজ প্রণালির কাছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের মার্কিন সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুমকির মধ্যেই আরব সাগরে পৌঁছেছে ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক পারমাণবিক সাবমেরিন ‘এইচএমএস অ্যানসন’।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৬ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহর থেকে যাত্রা শুরু করে সাবমেরিনটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তর আরব সাগরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছে। এর আশপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচএমএস অ্যানসন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধযান, যা ১,৬০০ কিলোমিটার বা ১,০০০ মাইল পাল্লার ‘টমাহক ব্লক ফোর’ স্থলভাগে হামলা চালাতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘স্পিয়ারফিশ’ ভারী টর্পেডো দিয়ে সজ্জিত। এর ফলে সমুদ্র থেকে অনেক দূরে স্থলভাগের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে ব্রিটিশ এ ডুবোজাহাজটির। মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটেনের এ সাবমেরিন মোতায়েনকে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সমন্বিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অঞ্চলটিতে এইচএমএস অ্যানসনের উপস্থিতি এমন এক সংকটময় মুহূর্তে ঘটল যখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে সম্ভাব্য হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছেন। মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এবং উপসাগরীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে এ সামরিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

ইরানের মার্কিন সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুমকির মধ্যেই আরব সাগরে পৌঁছেছে ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক পারমাণবিক সাবমেরিন ‘এইচএমএস অ্যানসন’।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৬ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহর থেকে যাত্রা শুরু করে সাবমেরিনটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তর আরব সাগরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছে। এর আশপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচএমএস অ্যানসন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধযান, যা ১,৬০০ কিলোমিটার বা ১,০০০ মাইল পাল্লার ‘টমাহক ব্লক ফোর’ স্থলভাগে হামলা চালাতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘স্পিয়ারফিশ’ ভারী টর্পেডো দিয়ে সজ্জিত। এর ফলে সমুদ্র থেকে অনেক দূরে স্থলভাগের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে ব্রিটিশ এ ডুবোজাহাজটির। মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটেনের এ সাবমেরিন মোতায়েনকে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সমন্বিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অঞ্চলটিতে এইচএমএস অ্যানসনের উপস্থিতি এমন এক সংকটময় মুহূর্তে ঘটল যখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে সম্ভাব্য হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছেন। মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এবং উপসাগরীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে এ সামরিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

এবার যুক্তরাজ্যের সাবমেরিন হরমুজ প্রণালির কাছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের মার্কিন সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুমকির মধ্যেই আরব সাগরে পৌঁছেছে ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক পারমাণবিক সাবমেরিন ‘এইচএমএস অ্যানসন’।
ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ৬ মার্চ অস্ট্রেলিয়ার পার্থ শহর থেকে যাত্রা শুরু করে সাবমেরিনটি বর্তমানে হরমুজ প্রণালির কাছে উত্তর আরব সাগরের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করছে। এর আশপাশে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এইচএমএস অ্যানসন বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী যুদ্ধযান, যা ১,৬০০ কিলোমিটার বা ১,০০০ মাইল পাল্লার ‘টমাহক ব্লক ফোর’ স্থলভাগে হামলা চালাতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র এবং ‘স্পিয়ারফিশ’ ভারী টর্পেডো দিয়ে সজ্জিত। এর ফলে সমুদ্র থেকে অনেক দূরে স্থলভাগের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানার সক্ষমতা রয়েছে ব্রিটিশ এ ডুবোজাহাজটির। মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটেনের এ সাবমেরিন মোতায়েনকে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের সমন্বিত সামরিক প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অঞ্চলটিতে এইচএমএস অ্যানসনের উপস্থিতি এমন এক সংকটময় মুহূর্তে ঘটল যখন ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে সম্ভাব্য হামলা চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছেন। মূলত তেহরানের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কঠোর অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানিয়ে এবং উপসাগরীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অজুহাতে এ সামরিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: আল-জাজিরা




