অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জন হবে না: পেজেশকিয়ান

অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জন হবে না: পেজেশকিয়ান
সিজেডএন ডেস্ক

নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আনাদোলু এজেন্সির বরাতে জানা যায়, অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি এবং জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিদেশি অবরোধ ও চলমান নানা টানাপোড়েনের মাঝে ইরানি রিয়াল, বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল এবং সার্বিক আর্থিক সূচকগুলো ধরে রাখতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে জোরালো সমন্বয়ের ওপর জোর দেন পেজেশকিয়ান।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের পদ্ধতি হলো পারস্পরিক যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো বোঝা এবং সমাধান করা। একই সঙ্গে আমরা অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছি এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়িয়ে থাকব।’ তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরোধ ও জনগণের সমর্থনের মুখে যেমন মার্কিন পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল। নতুন এই অর্থনৈতিক চক্রান্ত থেকেও ওয়াশিংটন কিছুই হাসিল করতে পারবে না।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রম শুরু করে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের বিমান চলাচল, নৌপরিবহন, স্বর্ণ, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সম্পদের মতো খাতগুলোকে লক্ষ্য বানানো হয়েছে। এর আওতায় ৬০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজকে কালো তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি এ পদক্ষেপকে তিনি ইরান সরকারের ওপর ‘অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ’ করার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আনাদোলু এজেন্সির বরাতে জানা যায়, অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি এবং জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিদেশি অবরোধ ও চলমান নানা টানাপোড়েনের মাঝে ইরানি রিয়াল, বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল এবং সার্বিক আর্থিক সূচকগুলো ধরে রাখতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে জোরালো সমন্বয়ের ওপর জোর দেন পেজেশকিয়ান।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের পদ্ধতি হলো পারস্পরিক যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো বোঝা এবং সমাধান করা। একই সঙ্গে আমরা অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছি এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়িয়ে থাকব।’ তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরোধ ও জনগণের সমর্থনের মুখে যেমন মার্কিন পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল। নতুন এই অর্থনৈতিক চক্রান্ত থেকেও ওয়াশিংটন কিছুই হাসিল করতে পারবে না।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রম শুরু করে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের বিমান চলাচল, নৌপরিবহন, স্বর্ণ, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সম্পদের মতো খাতগুলোকে লক্ষ্য বানানো হয়েছে। এর আওতায় ৬০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজকে কালো তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি এ পদক্ষেপকে তিনি ইরান সরকারের ওপর ‘অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ’ করার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

অর্থনৈতিক চাপ দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য অর্জন হবে না: পেজেশকিয়ান
সিজেডএন ডেস্ক

নতুন করে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর ওয়াশিংটনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো লক্ষ্যই অর্জিত হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তেহরানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে শীর্ষ উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আনাদোলু এজেন্সির বরাতে জানা যায়, অর্থমন্ত্রী আলী মাদানিজাদেহ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদোলনাসের হেম্মাতি এবং জ্যেষ্ঠ অর্থনীতিবিদদের নিয়ে প্রায় ৩ ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিদেশি অবরোধ ও চলমান নানা টানাপোড়েনের মাঝে ইরানি রিয়াল, বৈদেশিক মুদ্রার তহবিল এবং সার্বিক আর্থিক সূচকগুলো ধরে রাখতে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে জোরালো সমন্বয়ের ওপর জোর দেন পেজেশকিয়ান।
পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমাদের পদ্ধতি হলো পারস্পরিক যোগাযোগ ও আলোচনার মাধ্যমে সমস্যাগুলো বোঝা এবং সমাধান করা। একই সঙ্গে আমরা অর্থনৈতিক চাপের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছি এবং ভবিষ্যতেও দাঁড়িয়ে থাকব।’ তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিরোধ ও জনগণের সমর্থনের মুখে যেমন মার্কিন পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছিল। নতুন এই অর্থনৈতিক চক্রান্ত থেকেও ওয়াশিংটন কিছুই হাসিল করতে পারবে না।
এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ইরানকে বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থা থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে ‘অপারেশন ইকোনমিক আউটকাস্ট’ নামের একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা কার্যক্রম শুরু করে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, এবারের নিষেধাজ্ঞায় ইরানের বিমান চলাচল, নৌপরিবহন, স্বর্ণ, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল সম্পদের মতো খাতগুলোকে লক্ষ্য বানানো হয়েছে। এর আওতায় ৬০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও জাহাজকে কালো তালিকাভুক্ত করার পাশাপাশি এ পদক্ষেপকে তিনি ইরান সরকারের ওপর ‘অর্থনৈতিক শ্বাসরোধ’ করার চেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরানি কমান্ডারদের খোঁজ দিলেই মিলবে ১ কোটি ডলার






