সংরক্ষিত আসনের তদারকি ক্ষমতা নিয়ে স্পিকারকে ৬৭ এমপির চিঠি

সংরক্ষিত আসনের তদারকি ক্ষমতা নিয়ে স্পিকারকে ৬৭ এমপির চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের তদারকির ক্ষমতা দেওয়া অসাংবিধানিক ও বেআইনি আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ৬৭ জন সংসদ সদস্য।
রবিবার (২৩ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারের কাছে লিখিতভাবে চিঠিটি জমা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট আসনে নির্বাচিত এমপির ওপর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের তদারকির কোনো সুযোগ নেই। কোথাও কোথাও এই ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরাসরি সংসদীয় রীতি ও সংবিধানের পরিপন্থি।
এতে বলা হয়েছে, জবাবদিহিতার কাঠামোর কারণেই কোনো আইন একজনকে অপরজনের কাজ তদারকি, অনুমোদন বা সমন্বয়ের ক্ষমতা দেয়নি। বিশ্বে নারী প্রতিনিধিত্বে শীর্ষের রয়েছে রুয়ান্ডা (বর্তমানে ৬৩ দশমিক ৮%)। সেখানে সংরক্ষিত আসনের সদস্যরা স্থানীয় নারী পরিষদ ও জেলা পরিষদ সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে নির্বাচিত হন। তাদের নির্বাচনি এলাকা থাকে একটি সম্পূর্ণ প্রদেশ।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রদেশ-পর্যায়ের সংরক্ষিত সদস্য কোনো প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত অধস্তন ডেপুটির কাজ তদারকির ক্ষমতা রাখেন না। তাদের ম্যান্ডেট নীতিনির্ধারণী এবং আইন প্রণয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। অর্থাৎ, বিশ্বের কোনো প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক কাঠামোতেই একই এলাকায় একজন প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত সদস্যের কাজের ওপর অন্য কোনো সদস্যের আইনি তদারকি বা সমন্বয়ের নজির নেই।
এতে বলা হয়েছে, এমতাবস্থায় আইনের শাসন, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা ও প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব প্রদানের উদ্যোগ ও প্রস্তাবিত আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার কোনো বিকল্প নেই। অতএব, উপর্যুক্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের তদারকির ক্ষমতা দেওয়া অসাংবিধানিক ও বেআইনি আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ৬৭ জন সংসদ সদস্য।
রবিবার (২৩ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারের কাছে লিখিতভাবে চিঠিটি জমা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট আসনে নির্বাচিত এমপির ওপর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের তদারকির কোনো সুযোগ নেই। কোথাও কোথাও এই ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরাসরি সংসদীয় রীতি ও সংবিধানের পরিপন্থি।
এতে বলা হয়েছে, জবাবদিহিতার কাঠামোর কারণেই কোনো আইন একজনকে অপরজনের কাজ তদারকি, অনুমোদন বা সমন্বয়ের ক্ষমতা দেয়নি। বিশ্বে নারী প্রতিনিধিত্বে শীর্ষের রয়েছে রুয়ান্ডা (বর্তমানে ৬৩ দশমিক ৮%)। সেখানে সংরক্ষিত আসনের সদস্যরা স্থানীয় নারী পরিষদ ও জেলা পরিষদ সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে নির্বাচিত হন। তাদের নির্বাচনি এলাকা থাকে একটি সম্পূর্ণ প্রদেশ।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রদেশ-পর্যায়ের সংরক্ষিত সদস্য কোনো প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত অধস্তন ডেপুটির কাজ তদারকির ক্ষমতা রাখেন না। তাদের ম্যান্ডেট নীতিনির্ধারণী এবং আইন প্রণয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। অর্থাৎ, বিশ্বের কোনো প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক কাঠামোতেই একই এলাকায় একজন প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত সদস্যের কাজের ওপর অন্য কোনো সদস্যের আইনি তদারকি বা সমন্বয়ের নজির নেই।
এতে বলা হয়েছে, এমতাবস্থায় আইনের শাসন, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা ও প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব প্রদানের উদ্যোগ ও প্রস্তাবিত আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার কোনো বিকল্প নেই। অতএব, উপর্যুক্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।

সংরক্ষিত আসনের তদারকি ক্ষমতা নিয়ে স্পিকারকে ৬৭ এমপির চিঠি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের আসনে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের তদারকির ক্ষমতা দেওয়া অসাংবিধানিক ও বেআইনি আখ্যা দিয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ৬৭ জন সংসদ সদস্য।
রবিবার (২৩ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারের কাছে লিখিতভাবে চিঠিটি জমা দেওয়া হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সংবিধান ও বিদ্যমান আইন অনুযায়ী কোনো নির্দিষ্ট আসনে নির্বাচিত এমপির ওপর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের তদারকির কোনো সুযোগ নেই। কোথাও কোথাও এই ধরনের দায়িত্ব বণ্টন সরাসরি সংসদীয় রীতি ও সংবিধানের পরিপন্থি।
এতে বলা হয়েছে, জবাবদিহিতার কাঠামোর কারণেই কোনো আইন একজনকে অপরজনের কাজ তদারকি, অনুমোদন বা সমন্বয়ের ক্ষমতা দেয়নি। বিশ্বে নারী প্রতিনিধিত্বে শীর্ষের রয়েছে রুয়ান্ডা (বর্তমানে ৬৩ দশমিক ৮%)। সেখানে সংরক্ষিত আসনের সদস্যরা স্থানীয় নারী পরিষদ ও জেলা পরিষদ সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচকমণ্ডলীর মাধ্যমে নির্বাচিত হন। তাদের নির্বাচনি এলাকা থাকে একটি সম্পূর্ণ প্রদেশ।
চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রদেশ-পর্যায়ের সংরক্ষিত সদস্য কোনো প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত অধস্তন ডেপুটির কাজ তদারকির ক্ষমতা রাখেন না। তাদের ম্যান্ডেট নীতিনির্ধারণী এবং আইন প্রণয়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। অর্থাৎ, বিশ্বের কোনো প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক কাঠামোতেই একই এলাকায় একজন প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত সদস্যের কাজের ওপর অন্য কোনো সদস্যের আইনি তদারকি বা সমন্বয়ের নজির নেই।
এতে বলা হয়েছে, এমতাবস্থায় আইনের শাসন, স্বচ্ছতা-জবাবদিহিতা ও প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বজায় রাখতে প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি এলাকায় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব প্রদানের উদ্যোগ ও প্রস্তাবিত আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার কোনো বিকল্প নেই। অতএব, উপর্যুক্ত বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ করা হলো।

সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসছে বৃহস্পতিবার





লোগো-CznNewsLab-a1a158.jpg)