১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সের নতুন ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সের নতুন ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের নিউরো চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ইউনিট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের উদ্যোগে ‘এক্সপানশন অব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় হাসপাতালটি ৫০০ থেকে ১০০০ শয্যায় সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির আরডিপি মূল্য ৫ হাজার ৬১ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাস্তবায়নকাল ছিল জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।
প্রকল্পের আওতায় তিনটি বেইজমেন্টসহ ১২ তলা নতুন হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ভবনে রয়েছে– ৫৯২টি শয্যা, চারটি অপারেশন থিয়েটার, ৩০ শয্যার আইসিইউ, ৩০টি পোস্ট-ওটি বেড, ক্যাথল্যাব, গামা নাইফ আইকন রুম, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, থেরাপি রুম ও সিএসএসডি।
এছাড়া, রোগী সেবার জন্য ১০টি বেড লিফট, তিনটি লিংক করিডোর, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, মেডিকেল গ্যাস, ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন, পিএবিএক্সসহ আধুনিক বিভিন্ন চিকিৎসা ও কারিগরি সুবিধা রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি চালু হলে স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, মৃগীরোগ, ডিমেনশিয়া, পারকিনসন্সসহ বিভিন্ন নিউরোলজি ও নিউরো সার্জারি রোগীর জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে নিউরো-রিহেবিলিটেশন, ফিজিওথেরাপি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও নিউরো-ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থারও উন্নয়ন হবে।

দেশের নিউরো চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ইউনিট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের উদ্যোগে ‘এক্সপানশন অব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় হাসপাতালটি ৫০০ থেকে ১০০০ শয্যায় সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির আরডিপি মূল্য ৫ হাজার ৬১ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাস্তবায়নকাল ছিল জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।
প্রকল্পের আওতায় তিনটি বেইজমেন্টসহ ১২ তলা নতুন হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ভবনে রয়েছে– ৫৯২টি শয্যা, চারটি অপারেশন থিয়েটার, ৩০ শয্যার আইসিইউ, ৩০টি পোস্ট-ওটি বেড, ক্যাথল্যাব, গামা নাইফ আইকন রুম, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, থেরাপি রুম ও সিএসএসডি।
এছাড়া, রোগী সেবার জন্য ১০টি বেড লিফট, তিনটি লিংক করিডোর, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, মেডিকেল গ্যাস, ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন, পিএবিএক্সসহ আধুনিক বিভিন্ন চিকিৎসা ও কারিগরি সুবিধা রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি চালু হলে স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, মৃগীরোগ, ডিমেনশিয়া, পারকিনসন্সসহ বিভিন্ন নিউরোলজি ও নিউরো সার্জারি রোগীর জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে নিউরো-রিহেবিলিটেশন, ফিজিওথেরাপি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও নিউরো-ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থারও উন্নয়ন হবে।

১৫ আগস্ট নিউরোসায়েন্সের নতুন ইউনিট উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের নিউরো চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়াতে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নতুন ইউনিট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। আগামী শনিবার (১৫ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইউনিটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
জানা গেছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের উদ্যোগে ‘এক্সপানশন অব ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটাল (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় হাসপাতালটি ৫০০ থেকে ১০০০ শয্যায় সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রকল্পটির আরডিপি মূল্য ৫ হাজার ৬১ কোটি ৩৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাস্তবায়নকাল ছিল জানুয়ারি ২০১৮ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত।
প্রকল্পের আওতায় তিনটি বেইজমেন্টসহ ১২ তলা নতুন হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এ ভবনে রয়েছে– ৫৯২টি শয্যা, চারটি অপারেশন থিয়েটার, ৩০ শয্যার আইসিইউ, ৩০টি পোস্ট-ওটি বেড, ক্যাথল্যাব, গামা নাইফ আইকন রুম, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, এক্স-রে, থেরাপি রুম ও সিএসএসডি।
এছাড়া, রোগী সেবার জন্য ১০টি বেড লিফট, তিনটি লিংক করিডোর, কেন্দ্রীয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, মেডিকেল গ্যাস, ফায়ার প্রটেকশন ও ডিটেকশন, পিএবিএক্সসহ আধুনিক বিভিন্ন চিকিৎসা ও কারিগরি সুবিধা রাখা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি চালু হলে স্ট্রোক, প্যারালাইসিস, মৃগীরোগ, ডিমেনশিয়া, পারকিনসন্সসহ বিভিন্ন নিউরোলজি ও নিউরো সার্জারি রোগীর জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবার সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে নিউরো-রিহেবিলিটেশন, ফিজিওথেরাপি, ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও নিউরো-ইন্টারভেনশনাল চিকিৎসা ব্যবস্থারও উন্নয়ন হবে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সহযোগিতায় সরকার প্রস্তুত: প্রধানমন্ত্রী







