২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরাক থেকে সব বিদেশি সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমাকে স্থির ও চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যমে ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন সরকারের পতনের পর শুরু হওয়া দীর্ঘ দুই দশকের মার্কিন সামরিক উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। ১ অক্টোবর থেকে কোনো প্রকার বিদেশি সেনা উপস্থিতি ছাড়াই এক নতুন ভোরে যাত্রা শুরু করবে ইরাক।
জুলাই মাসে আল-জাইদির ওয়াশিংটন সফরের সময়ই দুই দেশের সম্মতিতে এই সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। বাগদাদের স্পষ্ট বার্তা, দেশের ভেতরে সব অস্ত্র ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। সামরিক উপস্থিতি শেষ হলেও সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের মধ্যকার সম্পর্ক অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সহযোগিতার দিকে মোড় নেবে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্ধারিত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ হবে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন। পরবর্তীতে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএস-এর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযান পরিচালনার মূল দায়িত্ব থাকবে পেশমার্গা ও ইরাকি কুর্দিস্তান অঞ্চলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। ২০০৭ সালে বিদ্রোহ দমনের সময় ইরাকে পৌনে দুই লাখের মতো মার্কিন সেনা ছিল। দীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে এবার উত্তরাঞ্চলীয় ঘাঁটিতে থাকা অবশিষ্ট বাহিনীর বিদায়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিদেশি সেনামুক্ত হতে চলেছে দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরাক থেকে সব বিদেশি সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমাকে স্থির ও চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যমে ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন সরকারের পতনের পর শুরু হওয়া দীর্ঘ দুই দশকের মার্কিন সামরিক উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। ১ অক্টোবর থেকে কোনো প্রকার বিদেশি সেনা উপস্থিতি ছাড়াই এক নতুন ভোরে যাত্রা শুরু করবে ইরাক।
জুলাই মাসে আল-জাইদির ওয়াশিংটন সফরের সময়ই দুই দেশের সম্মতিতে এই সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। বাগদাদের স্পষ্ট বার্তা, দেশের ভেতরে সব অস্ত্র ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। সামরিক উপস্থিতি শেষ হলেও সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের মধ্যকার সম্পর্ক অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সহযোগিতার দিকে মোড় নেবে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্ধারিত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ হবে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন। পরবর্তীতে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএস-এর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযান পরিচালনার মূল দায়িত্ব থাকবে পেশমার্গা ও ইরাকি কুর্দিস্তান অঞ্চলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। ২০০৭ সালে বিদ্রোহ দমনের সময় ইরাকে পৌনে দুই লাখের মতো মার্কিন সেনা ছিল। দীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে এবার উত্তরাঞ্চলীয় ঘাঁটিতে থাকা অবশিষ্ট বাহিনীর বিদায়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিদেশি সেনামুক্ত হতে চলেছে দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

২৩ বছর পর ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের
সিজেডএন ডেস্ক

ইরাক থেকে সব বিদেশি সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমাকে স্থির ও চূড়ান্ত বলে ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডার জেনারেল ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সেনা প্রত্যাহারের মাধ্যমে ২০০৩ সালে সাদ্দাম হোসেন সরকারের পতনের পর শুরু হওয়া দীর্ঘ দুই দশকের মার্কিন সামরিক উপস্থিতির আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে। ১ অক্টোবর থেকে কোনো প্রকার বিদেশি সেনা উপস্থিতি ছাড়াই এক নতুন ভোরে যাত্রা শুরু করবে ইরাক।
জুলাই মাসে আল-জাইদির ওয়াশিংটন সফরের সময়ই দুই দেশের সম্মতিতে এই সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়। বাগদাদের স্পষ্ট বার্তা, দেশের ভেতরে সব অস্ত্র ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর রাষ্ট্রের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করাই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য। সামরিক উপস্থিতি শেষ হলেও সার্বভৌমত্ব ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরাকের মধ্যকার সম্পর্ক অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য নিরাপত্তা সহযোগিতার দিকে মোড় নেবে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, নির্ধারিত ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সব প্রস্তুতি শেষ হবে বলে আশা করছে ওয়াশিংটন। পরবর্তীতে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসআইএস-এর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযান পরিচালনার মূল দায়িত্ব থাকবে পেশমার্গা ও ইরাকি কুর্দিস্তান অঞ্চলের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে। ২০০৭ সালে বিদ্রোহ দমনের সময় ইরাকে পৌনে দুই লাখের মতো মার্কিন সেনা ছিল। দীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে এবার উত্তরাঞ্চলীয় ঘাঁটিতে থাকা অবশিষ্ট বাহিনীর বিদায়ের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বিদেশি সেনামুক্ত হতে চলেছে দেশটি।
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, ২ সেনাসদস্য নিহত







