মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সেনা পাঠাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে এ সেনামোতায়েন ভবিষ্যৎ রণকৌশলের অংশ বলেই মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক মাইকেল স্টিফেনস সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে জানান, মার্কিন বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনীতে কর্মরতদের পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তার মতে, স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ও প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন।
তবে হঠাৎ কেন নতুন করে এই সেনামোতায়েন, তার মূল উদ্দেশ্য এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। স্টিফেনসের মতে, এটি সম্ভবত নিজেদের ভবিষ্যৎ বিকল্পগুলো তৈরি রাখার একটি চেষ্টা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি স্থল হামলা চালিয়ে কোনো বড় জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে না বলেই তিনি মনে করেন।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর টানা ৪০ দিন ধরে যুদ্ধ চলে। পরবর্তীতে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঝে ছোটখাটো হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সরাসরি সামরিক আক্রমণ বন্ধ থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুই দেশের এ মুখোমুখি অবস্থানকে সম্পূর্ণ অচলাবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে স্টিফেনস বলেন, এই মুহূর্তে কোনো পক্ষই জয় পাচ্ছে না, যা উভয় দেশের জন্যই বেশ কঠিন ও জটিল একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সেনা পাঠাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে এ সেনামোতায়েন ভবিষ্যৎ রণকৌশলের অংশ বলেই মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক মাইকেল স্টিফেনস সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে জানান, মার্কিন বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনীতে কর্মরতদের পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তার মতে, স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ও প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন।
তবে হঠাৎ কেন নতুন করে এই সেনামোতায়েন, তার মূল উদ্দেশ্য এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। স্টিফেনসের মতে, এটি সম্ভবত নিজেদের ভবিষ্যৎ বিকল্পগুলো তৈরি রাখার একটি চেষ্টা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি স্থল হামলা চালিয়ে কোনো বড় জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে না বলেই তিনি মনে করেন।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর টানা ৪০ দিন ধরে যুদ্ধ চলে। পরবর্তীতে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঝে ছোটখাটো হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সরাসরি সামরিক আক্রমণ বন্ধ থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুই দেশের এ মুখোমুখি অবস্থানকে সম্পূর্ণ অচলাবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে স্টিফেনস বলেন, এই মুহূর্তে কোনো পক্ষই জয় পাচ্ছে না, যা উভয় দেশের জন্যই বেশ কঠিন ও জটিল একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিজেডএন ডেস্ক

অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সেনা পাঠাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত ও রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে এ সেনামোতায়েন ভবিষ্যৎ রণকৌশলের অংশ বলেই মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা।
আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক মাইকেল স্টিফেনস সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে জানান, মার্কিন বিমানবাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিমানবাহিনীতে কর্মরতদের পরিবারের সদস্যদের বরাতে তিনি এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তার মতে, স্পষ্টতই বোঝা যাচ্ছে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি ও প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে ওয়াশিংটন।
তবে হঠাৎ কেন নতুন করে এই সেনামোতায়েন, তার মূল উদ্দেশ্য এখনও পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। স্টিফেনসের মতে, এটি সম্ভবত নিজেদের ভবিষ্যৎ বিকল্পগুলো তৈরি রাখার একটি চেষ্টা। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি স্থল হামলা চালিয়ে কোনো বড় জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে না বলেই তিনি মনে করেন।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর টানা ৪০ দিন ধরে যুদ্ধ চলে। পরবর্তীতে ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলেও মাঝে ছোটখাটো হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সরাসরি সামরিক আক্রমণ বন্ধ থাকলেও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দুই দেশের এ মুখোমুখি অবস্থানকে সম্পূর্ণ অচলাবস্থা হিসেবে উল্লেখ করে স্টিফেনস বলেন, এই মুহূর্তে কোনো পক্ষই জয় পাচ্ছে না, যা উভয় দেশের জন্যই বেশ কঠিন ও জটিল একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ নিয়ে চুক্তির পথে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, দাবি পাকিস্তানের







