১৪ বছরে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি, পরিশোধে রেকর্ড

১৪ বছরে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি, পরিশোধে রেকর্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি কমে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মাত্র ৫২৪ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
এ ছাড়া গত অর্থবছরে সুদ ও আসল মিলিয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড হয়েছে। ফলে বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ ও ঋণব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৪৭৬ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল। এরপর এবারই সবচেয়ে কম বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রতিশ্রুতি ছিল ৫২৫ কোটি ডলার, যা সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের কাছাকাছি। অন্যদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটি সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধ। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০৯ কোটি ডলার।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে ঋণের আসল বাবদ ২৯৫ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ ১৫৪ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ৩৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের বেশি বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার পরিমাণ ২৬৯ কোটি ডলার।
সদ্যবিদায়ি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের পরিমাণও কমেছে। একবছর আগে যেখানে বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের পরিমাণ ছিল ৮৫৭ কোটি ডলার সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮০৭ কোটি ডলারে।
এদিকে ঋণের অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। সংস্থাটি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ২৭৪ কোটি ডলার ছাড় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ছাড় করেছে ১৯১ কোটি ডলার এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়া দিয়েছে ১০৫ কোটি ডলার। তবে ভারত ও চীন এ অর্থবছরে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
ইআরডির তথ্য বলছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে ১১০ কোটি ডলার পরিশোধ করেছিল। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে ২০১ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। আর গত অর্থবছরে সেই পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এক যুগের কিছু বেশি সময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ চার গুণেরও বেশি বেড়েছে।
ইআরডির কর্মকর্তারা বলছেন, সামনে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেলসহ বড় প্রকল্পগুলোর ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে গেছে বা শেষ হওয়ার পথে। ফলে এসব প্রকল্পের সুদ ও আসল পরিশোধে আগামী বছরগুলোতে সরকারের বৈদেশিক ঋণের দায় আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতিতে নতুন ঋণ সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যমান ঋণ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্ক ও কৌশলী হতে হবে।

উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি কমে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মাত্র ৫২৪ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
এ ছাড়া গত অর্থবছরে সুদ ও আসল মিলিয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড হয়েছে। ফলে বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ ও ঋণব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৪৭৬ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল। এরপর এবারই সবচেয়ে কম বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রতিশ্রুতি ছিল ৫২৫ কোটি ডলার, যা সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের কাছাকাছি। অন্যদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটি সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধ। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০৯ কোটি ডলার।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে ঋণের আসল বাবদ ২৯৫ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ ১৫৪ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ৩৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের বেশি বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার পরিমাণ ২৬৯ কোটি ডলার।
সদ্যবিদায়ি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের পরিমাণও কমেছে। একবছর আগে যেখানে বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের পরিমাণ ছিল ৮৫৭ কোটি ডলার সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮০৭ কোটি ডলারে।
এদিকে ঋণের অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। সংস্থাটি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ২৭৪ কোটি ডলার ছাড় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ছাড় করেছে ১৯১ কোটি ডলার এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়া দিয়েছে ১০৫ কোটি ডলার। তবে ভারত ও চীন এ অর্থবছরে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
ইআরডির তথ্য বলছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে ১১০ কোটি ডলার পরিশোধ করেছিল। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে ২০১ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। আর গত অর্থবছরে সেই পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এক যুগের কিছু বেশি সময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ চার গুণেরও বেশি বেড়েছে।
ইআরডির কর্মকর্তারা বলছেন, সামনে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেলসহ বড় প্রকল্পগুলোর ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে গেছে বা শেষ হওয়ার পথে। ফলে এসব প্রকল্পের সুদ ও আসল পরিশোধে আগামী বছরগুলোতে সরকারের বৈদেশিক ঋণের দায় আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতিতে নতুন ঋণ সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যমান ঋণ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্ক ও কৌশলী হতে হবে।

১৪ বছরে সর্বনিম্ন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি, পরিশোধে রেকর্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে নতুন বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি কমে যাচ্ছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ মাত্র ৫২৪ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে, যা গত ১৪ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।
এ ছাড়া গত অর্থবছরে সুদ ও আসল মিলিয়ে বিদেশি ঋণ পরিশোধে নতুন রেকর্ড হয়েছে। ফলে বৈদেশিক অর্থায়নের প্রবাহ ও ঋণব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৪৭৬ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছিল। এরপর এবারই সবচেয়ে কম বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি পেয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রতিশ্রুতি ছিল ৫২৫ কোটি ডলার, যা সদ্যবিদায়ী অর্থবছরের কাছাকাছি। অন্যদিকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৪৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে এটি সর্বোচ্চ ঋণ পরিশোধ। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল প্রায় ৪০৯ কোটি ডলার।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে ঋণের আসল বাবদ ২৯৫ কোটি ডলার এবং সুদ বাবদ ১৫৪ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি মাসে গড়ে ৩৭ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের বেশি বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে হয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, যার পরিমাণ ২৬৯ কোটি ডলার।
সদ্যবিদায়ি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের পরিমাণও কমেছে। একবছর আগে যেখানে বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের পরিমাণ ছিল ৮৫৭ কোটি ডলার সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৮০৭ কোটি ডলারে।
এদিকে ঋণের অর্থ ছাড়ের ক্ষেত্রে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বিশ্ব ব্যাংক। সংস্থাটি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ২৭৪ কোটি ডলার ছাড় করেছে। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ছাড় করেছে ১৯১ কোটি ডলার এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা রাশিয়া দিয়েছে ১০৫ কোটি ডলার। তবে ভারত ও চীন এ অর্থবছরে নতুন কোনো ঋণের প্রতিশ্রুতি দেয়নি।
ইআরডির তথ্য বলছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ বিদেশি ঋণের সুদ ও আসল মিলিয়ে ১১০ কোটি ডলার পরিশোধ করেছিল। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা বেড়ে ২০১ কোটি ডলারে উন্নীত হয়। ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৩০০ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। আর গত অর্থবছরে সেই পরিমাণ বেড়ে প্রায় ৪৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। অর্থাৎ এক যুগের কিছু বেশি সময়ে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ চার গুণেরও বেশি বেড়েছে।
ইআরডির কর্মকর্তারা বলছেন, সামনে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ আরও বাড়বে। কারণ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল, কর্ণফুলী টানেল ও মেট্রোরেলসহ বড় প্রকল্পগুলোর ঋণের গ্রেস পিরিয়ড শেষ হয়ে গেছে বা শেষ হওয়ার পথে। ফলে এসব প্রকল্পের সুদ ও আসল পরিশোধে আগামী বছরগুলোতে সরকারের বৈদেশিক ঋণের দায় আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ পরিস্থিতিতে নতুন ঋণ সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যমান ঋণ ব্যবস্থাপনায় আরও সতর্ক ও কৌশলী হতে হবে।









