ট্রাম্পের ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে কী আছে

ট্রাম্পের ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে কী আছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে তেহরানের কাছে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে। এ প্রস্তাবের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোতে এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত প্রকাশ হয়েছে।
ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই শান্তি পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি নির্মূল করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির প্রভাব কমিয়ে আনা।
ইরানকে দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো–
- ইরানের নাতাঞ্জ, ইস্পাহান ও ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি বন্ধ এবং ধ্বংস করে ফেলতে হবে।
- ইরানের সব ধরনের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পূর্ণ তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
- মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে (প্রক্সি) সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এসব গোষ্ঠীকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়া থেকে তেহরানকে বিরত থাকতে হবে।
- বর্তমানে ইরানের যেসব পারমাণবিক সক্ষমতা রয়েছে, তা পুরোপুরি ধ্বংস করতে হবে।
- ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের চেষ্টা করবে না– এমন লিখিত অঙ্গীকার দিতে হবে।
- ইরানের ভূখণ্ডে কোনো পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করা যাবে না। বর্তমানে থাকা সব সমৃদ্ধ উপাদান আইএইএর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ সব সময়ের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং একে একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ও পাল্লা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখতে হবে। এগুলো কেবল আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহার করা যাবে। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শর্ত মানলে ইরান নিচের সুবিধাগুলো পাবে–
- বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বুশেহর শহরে একটি বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প গড়ে তুলতে কারিগরি ও অন্যান্য সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- ইরানের ওপর থাকা সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।
- ভবিষ্যতে আর কখনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না– এমন নিশ্চয়তা প্রদান করা হবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা চলাকালে এক মাসের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো হোয়াইট হাউস বা ইরান সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
সূত্র: বিবিসি

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে তেহরানের কাছে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে। এ প্রস্তাবের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোতে এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত প্রকাশ হয়েছে।
ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই শান্তি পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি নির্মূল করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির প্রভাব কমিয়ে আনা।
ইরানকে দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো–
- ইরানের নাতাঞ্জ, ইস্পাহান ও ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি বন্ধ এবং ধ্বংস করে ফেলতে হবে।
- ইরানের সব ধরনের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পূর্ণ তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
- মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে (প্রক্সি) সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এসব গোষ্ঠীকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়া থেকে তেহরানকে বিরত থাকতে হবে।
- বর্তমানে ইরানের যেসব পারমাণবিক সক্ষমতা রয়েছে, তা পুরোপুরি ধ্বংস করতে হবে।
- ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের চেষ্টা করবে না– এমন লিখিত অঙ্গীকার দিতে হবে।
- ইরানের ভূখণ্ডে কোনো পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করা যাবে না। বর্তমানে থাকা সব সমৃদ্ধ উপাদান আইএইএর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ সব সময়ের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং একে একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ও পাল্লা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখতে হবে। এগুলো কেবল আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহার করা যাবে। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শর্ত মানলে ইরান নিচের সুবিধাগুলো পাবে–
- বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বুশেহর শহরে একটি বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প গড়ে তুলতে কারিগরি ও অন্যান্য সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- ইরানের ওপর থাকা সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।
- ভবিষ্যতে আর কখনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না– এমন নিশ্চয়তা প্রদান করা হবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা চলাকালে এক মাসের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো হোয়াইট হাউস বা ইরান সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
সূত্র: বিবিসি

ট্রাম্পের ১৫ দফা শান্তি প্রস্তাবে কী আছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনে তেহরানের কাছে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে। এ প্রস্তাবের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমগুলোতে এর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ শর্ত প্রকাশ হয়েছে।
ইসরায়েলের সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এই শান্তি পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি নির্মূল করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে দেশটির প্রভাব কমিয়ে আনা।
ইরানকে দেওয়া শান্তি প্রস্তাবের প্রধান শর্তগুলো হলো–
- ইরানের নাতাঞ্জ, ইস্পাহান ও ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনা পুরোপুরি বন্ধ এবং ধ্বংস করে ফেলতে হবে।
- ইরানের সব ধরনের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পূর্ণ তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
- মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে (প্রক্সি) সমর্থন দেওয়া বন্ধ করতে হবে। এসব গোষ্ঠীকে অর্থ ও অস্ত্র সহায়তা দেওয়া থেকে তেহরানকে বিরত থাকতে হবে।
- বর্তমানে ইরানের যেসব পারমাণবিক সক্ষমতা রয়েছে, তা পুরোপুরি ধ্বংস করতে হবে।
- ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের চেষ্টা করবে না– এমন লিখিত অঙ্গীকার দিতে হবে।
- ইরানের ভূখণ্ডে কোনো পারমাণবিক উপাদান সমৃদ্ধ করা যাবে না। বর্তমানে থাকা সব সমৃদ্ধ উপাদান আইএইএর কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
- কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ সব সময়ের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং একে একটি ‘মুক্ত সামুদ্রিক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।
- ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ও পাল্লা নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে রাখতে হবে। এগুলো কেবল আত্মরক্ষার কাজে ব্যবহার করা যাবে। এ বিষয়ে ভবিষ্যতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শর্ত মানলে ইরান নিচের সুবিধাগুলো পাবে–
- বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বুশেহর শহরে একটি বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প গড়ে তুলতে কারিগরি ও অন্যান্য সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
- ইরানের ওপর থাকা সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।
- ভবিষ্যতে আর কখনো নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে না– এমন নিশ্চয়তা প্রদান করা হবে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবগুলো নিয়ে আলোচনা চলাকালে এক মাসের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো হোয়াইট হাউস বা ইরান সরকার কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি।
সূত্র: বিবিসি




