যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৫ শর্ত

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৫ শর্ত
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে বলে গত সোমবার হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে এ যুদ্ধ শুরু হয়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সংঘাত নিরসনে ইরান কিছু কঠোর আনুষ্ঠানিক দাবি তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তারা এ নিশ্চয়তা চাইছেন যে যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না। পাশাপাশি তারা হরমুজ প্রণালির জন্য এমন একটি নতুন ব্যবস্থা চাচ্ছেন, যার মাধ্যমে ওই এলাকা কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এছাড়াও ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চেয়েছে তারা।
এছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে তেহরান। তাদের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা শত্রুভাবাপন্ন কার্যকলাপে জড়িত সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের বা ব্যক্তিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এদিকে ইরানে চলমান সংঘাত নিরসনে তেহরানের কাছে ১৫ দফার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবটিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, এই প্রক্রিয়ায় সৈয়দ আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন। উভয় পক্ষ সম্মত হলে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে ইসলামাবাদ প্রস্তুত বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তিনি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণাও দেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, মিডল ইস্ট মনিটর ও মিডল ইস্ট আই

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে বলে গত সোমবার হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে এ যুদ্ধ শুরু হয়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সংঘাত নিরসনে ইরান কিছু কঠোর আনুষ্ঠানিক দাবি তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তারা এ নিশ্চয়তা চাইছেন যে যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না। পাশাপাশি তারা হরমুজ প্রণালির জন্য এমন একটি নতুন ব্যবস্থা চাচ্ছেন, যার মাধ্যমে ওই এলাকা কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এছাড়াও ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চেয়েছে তারা।
এছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে তেহরান। তাদের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা শত্রুভাবাপন্ন কার্যকলাপে জড়িত সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের বা ব্যক্তিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এদিকে ইরানে চলমান সংঘাত নিরসনে তেহরানের কাছে ১৫ দফার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবটিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, এই প্রক্রিয়ায় সৈয়দ আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন। উভয় পক্ষ সম্মত হলে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে ইসলামাবাদ প্রস্তুত বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তিনি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণাও দেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, মিডল ইস্ট মনিটর ও মিডল ইস্ট আই

যুদ্ধ বন্ধে ইরানের ৫ শর্ত
সিটিজেন ডেস্ক

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে বলে গত সোমবার হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে এ যুদ্ধ শুরু হয়।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সংঘাত নিরসনে ইরান কিছু কঠোর আনুষ্ঠানিক দাবি তুলে ধরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি কর্মকর্তারা এ নিশ্চয়তা চাইছেন যে যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না। পাশাপাশি তারা হরমুজ প্রণালির জন্য এমন একটি নতুন ব্যবস্থা চাচ্ছেন, যার মাধ্যমে ওই এলাকা কার্যত ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এছাড়াও ইরান মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণও চেয়েছে তারা।
এছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলেছে তেহরান। তাদের দাবি, ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার বা শত্রুভাবাপন্ন কার্যকলাপে জড়িত সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের বা ব্যক্তিদের তাদের কাছে হস্তান্তর করতে হবে অথবা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
এদিকে ইরানে চলমান সংঘাত নিরসনে তেহরানের কাছে ১৫ দফার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, প্রস্তাবটি পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পৌঁছানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রস্তাবটিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন এবং হরমুজ প্রণালির সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে একটি নির্দিষ্ট কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।
সূত্রগুলো জানায়, এই প্রক্রিয়ায় সৈয়দ আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন। উভয় পক্ষ সম্মত হলে সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে ইসলামাবাদ প্রস্তুত বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দাবি করেছেন, তেহরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তিনি ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণাও দেন।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, মিডল ইস্ট মনিটর ও মিডল ইস্ট আই




