শিরোনাম
সরাসরি

ইরানে ২৪৩ শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিহত

১৭: ৩৫

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান

যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান
২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনির

যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছে দিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের উচ্চপদস্থ সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে আল-জাজিরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদক ওসামা বিন জাভাইদ জানিয়েছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাকিস্তানকে দেওয়া একটি বিশেষ নথি ইতোমধ্যে ইরানি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ইসলামাবাদ এখন তেহরানের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো আরও ইঙ্গিত দিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে আলোচনার দাবি করে আসলেও তেহরান তা বরাবরই অস্বীকার করে আসছে।

১৬: ১৩

ইরানের তিন শহরে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের তিন শহরে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি হামলার পর তেহরানের আবাসিক এলাকায় ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়ছে। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

ইরানের তেহরান, সিরাজ ও কারাজ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বুধবার স্থানীয় সময় ভোররাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আইডিএফ জানিয়েছে, তেহরানে দীর্ঘপাল্লার নৌযান থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দুটি বড় উৎপাদন কেন্দ্রে আঘাত হানা হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় ইসরায়েল দাবি করে, সাম্প্রতিক হামলায় এসব স্থাপনায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে ইরানের সামরিক উৎপাদন সক্ষমতায় বড় ধাক্কা লেগেছে।

আইডিএফ আরও জানায়, ওই কেন্দ্রগুলোতে তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র সমুদ্র ও স্থল—উভয় দিক থেকেই দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

১৫: ৫১

ইরানে ২৪৩ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিহত

ইরানে ২৪৩ জন শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিহত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ধ্বংসপ্রাপ্ত ইরানের একটি ভবন। ছবি: সংগৃহীত

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরু হওয়ার পর এখন পর্যন্ত অন্তত ২৪৩ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন।

সম্প্রতি ইরানের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ইয়াজদ শহরে বিস্ফোরণের শব্দে সৃষ্ট আতঙ্কে ১০ বছর বয়সী এক কন্যাশিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, শহরের বাইরে একটি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জেরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এতে ভয় পেয়ে শিশুটি মানসিক আঘাতে মারা যায়।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা।