ট্রাম্পের ‘যুদ্ধবিরতি’ দাবি উড়িয়ে দিলো ইরান

ট্রাম্পের ‘যুদ্ধবিরতি’ দাবি উড়িয়ে দিলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা চলছে এমন দাবি করলেও তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর খাতাম আল আনবিয়া। সংস্থাটির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি ট্রাম্প প্রশাসনকে কটাক্ষ করে বলেছেন, তারা নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করছে, ইরানের সঙ্গে নয়।
বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জোলফাঘারি বলেন, তারা আলোচনা করছে বটে, তবে ইরানের সঙ্গে নয়। এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যেই কথা বলছেন। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলতে চাই, নিজেদের ব্যর্থতাকে চুক্তি বলে চালানোর চেষ্টা বাদ দিন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানা ২১ দিন সংলাপ চলে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয় সেই আলোচনা। এর একদিন পর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায় ইসরায়েল।
এই যৌথ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর। এছাড়া দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে শুরু থেকেই পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, আমরা এখন আলোচনার মধ্যে আছি। তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে কে-ই বা তা চাইবে না? তাদের নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে– সব কিছুই শেষ।
তবে এসব বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না তেহরান। জোলফাঘারি বলেন, এই যুদ্ধ থামবে তখনই, যখন ইরানি জাতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা মার্কিনিদের মন থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে।
তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কোনো সমঝোতা হবে না। এখন নয়, ভবিষ্যতেও নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা চলছে এমন দাবি করলেও তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর খাতাম আল আনবিয়া। সংস্থাটির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি ট্রাম্প প্রশাসনকে কটাক্ষ করে বলেছেন, তারা নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করছে, ইরানের সঙ্গে নয়।
বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জোলফাঘারি বলেন, তারা আলোচনা করছে বটে, তবে ইরানের সঙ্গে নয়। এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যেই কথা বলছেন। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলতে চাই, নিজেদের ব্যর্থতাকে চুক্তি বলে চালানোর চেষ্টা বাদ দিন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানা ২১ দিন সংলাপ চলে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয় সেই আলোচনা। এর একদিন পর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায় ইসরায়েল।
এই যৌথ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর। এছাড়া দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে শুরু থেকেই পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, আমরা এখন আলোচনার মধ্যে আছি। তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে কে-ই বা তা চাইবে না? তাদের নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে– সব কিছুই শেষ।
তবে এসব বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না তেহরান। জোলফাঘারি বলেন, এই যুদ্ধ থামবে তখনই, যখন ইরানি জাতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা মার্কিনিদের মন থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে।
তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কোনো সমঝোতা হবে না। এখন নয়, ভবিষ্যতেও নয়।

ট্রাম্পের ‘যুদ্ধবিরতি’ দাবি উড়িয়ে দিলো ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা চলছে এমন দাবি করলেও তা সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদরদপ্তর খাতাম আল আনবিয়া। সংস্থাটির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাঘারি ট্রাম্প প্রশাসনকে কটাক্ষ করে বলেছেন, তারা নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করছে, ইরানের সঙ্গে নয়।
বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানি সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় জোলফাঘারি বলেন, তারা আলোচনা করছে বটে, তবে ইরানের সঙ্গে নয়। এই যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যেই কথা বলছেন। আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলতে চাই, নিজেদের ব্যর্থতাকে চুক্তি বলে চালানোর চেষ্টা বাদ দিন।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে টানা ২১ দিন সংলাপ চলে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয় সেই আলোচনা। এর একদিন পর, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ নামে পৃথক অভিযান চালায় ইসরায়েল।
এই যৌথ হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানি এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের শীর্ষ কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপৌর। এছাড়া দেশটির গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়েছে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে শুরু থেকেই পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হচ্ছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে ইরানের কাছে ১৫ দফার একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, আমরা এখন আলোচনার মধ্যে আছি। তারা একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তাদের বর্তমান পরিস্থিতিতে কে-ই বা তা চাইবে না? তাদের নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, যোগাযোগব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে– সব কিছুই শেষ।
তবে এসব বক্তব্যকে গুরুত্ব দিচ্ছে না তেহরান। জোলফাঘারি বলেন, এই যুদ্ধ থামবে তখনই, যখন ইরানি জাতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চিন্তা মার্কিনিদের মন থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে।
তিনি আরও বলেন, শুরু থেকেই আমাদের অবস্থান পরিষ্কার। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের কোনো সমঝোতা হবে না। এখন নয়, ভবিষ্যতেও নয়।




