যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পরিণতির জন্য দায়ী থাকবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: আরাগচি

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পরিণতির জন্য দায়ী থাকবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: আরাগচি
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি লেবাননসহ সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য প্রযোজ্য বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (১ জুন) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি লেবাননসহ সব ফ্রন্টের জন্যই প্রযোজ্য। কোনো একটি ফ্রন্টে এর লঙ্ঘন মানেই তা সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল। আর এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলই দায়ী থাকবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের একটি সতর্কবার্তার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের ‘অবৈধ আগ্রাসন’ রুখতে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তেহরান যেকোনো ধরনের সাহায্য করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
এদিকে মার্কিন মধ্যস্থতায় ১৭ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো থমথমে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে নতুন করে বিমান হামলা চালানোর জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আবার তুঙ্গে ওঠে।
মূলত, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলেও, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত পরবর্তী আলোচনাগুলো কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি লেবাননসহ সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য প্রযোজ্য বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (১ জুন) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি লেবাননসহ সব ফ্রন্টের জন্যই প্রযোজ্য। কোনো একটি ফ্রন্টে এর লঙ্ঘন মানেই তা সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল। আর এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলই দায়ী থাকবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের একটি সতর্কবার্তার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের ‘অবৈধ আগ্রাসন’ রুখতে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তেহরান যেকোনো ধরনের সাহায্য করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
এদিকে মার্কিন মধ্যস্থতায় ১৭ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো থমথমে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে নতুন করে বিমান হামলা চালানোর জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আবার তুঙ্গে ওঠে।
মূলত, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলেও, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত পরবর্তী আলোচনাগুলো কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পরিণতির জন্য দায়ী থাকবে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল: আরাগচি
সিটিজেন ডেস্ক

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি লেবাননসহ সকল ক্ষেত্রে প্রযোজ্য প্রযোজ্য বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সোমবার (১ জুন) কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উল্লেখ করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি লেবাননসহ সব ফ্রন্টের জন্যই প্রযোজ্য। কোনো একটি ফ্রন্টে এর লঙ্ঘন মানেই তা সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল। আর এর ফলে সৃষ্ট যেকোনো পরিস্থিতির জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলই দায়ী থাকবে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের একটি সতর্কবার্তার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছিলেন, লেবাননের ওপর ইসরায়েলের ‘অবৈধ আগ্রাসন’ রুখতে এবং প্রতিরোধ গড়ে তুলতে তেহরান যেকোনো ধরনের সাহায্য করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
এদিকে মার্কিন মধ্যস্থতায় ১৭ এপ্রিল থেকে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখনো থমথমে। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বৈরুতে নতুন করে বিমান হামলা চালানোর জন্য সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিলে আঞ্চলিক উত্তেজনা আবার তুঙ্গে ওঠে।
মূলত, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ে। জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায় এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হলেও, ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত পরবর্তী আলোচনাগুলো কোনো স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

পারমাণবিক ইস্যুতে ট্রাম্পের দাবি প্রত্যাখ্যান ইরানের


