আজ থেকে ইরান উপকূলে মার্কিন নৌ অবরোধ

আজ থেকে ইরান উপকূলে মার্কিন নৌ অবরোধ
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) থেকে শুরু হচ্ছে এই নৌ অবরোধ। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন এই কমান্ড জানায়, ‘প্রেসিডেন্টের ঘোষণার আলোকে ১৩ এপ্রিল (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে ইরানের বন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়া সব ধরনের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ কার্যকর করা হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অবরোধ সব দেশের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ ইরান ব্যতীত অন্য দেশের বন্দরে যাতায়াত করবে, তাদের চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সেন্টকম।
এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা। এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী পড়বে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে।
বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে।
অন্যদিকে ইরানে অবরোধের প্রতিশোধ হিসেবে দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্র হুথিরা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তবে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাবে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরেকটি বিশ্বমন্দা বয়ে আনতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।
এর আগে নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী অবিলম্বে ইরান ও ওমান উপকূলে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সমস্ত জাহাজ ‘অবরোধ’ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
‘একসময় এমন পরিস্থিতি আসবে যখন সব জাহাজ অবাধে যাতায়াত করতে পারবে, কিন্তু ইরানের অনমনীয়তার কারণে এখনই তা সম্ভব হচ্ছে না,’ বলেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেসব জাহাজ ইরানকে টোল বা মাশুল প্রদান করেছে, সেগুলোকে খুঁজে বের করতে এবং বাধা দিতে মার্কিন নৌবাহিনীকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘যারা ইরানকে ‘অবৈধ টোল’ দেবে, মুক্ত সমুদ্রে তাদের কোনো নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা থাকবে না।’
এর আগে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজের ওপর টোল আদায়ের ঘোষণা দেয় ইরান। দেশটির সুপ্রিম কাউন্সিলে এ বিষয়ে আইন পাস হয়। এছাড়া সম্প্রতি ‘ইরানি মুদ্রা’য় টোল পরিশোধ করতে হবে বলেও ঘোষণা দেয় ইরান।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণার ফলে একদিকে মার্কিন ডলারের আধিপত্য কমবে, অন্যদিকে ইরানি মুদ্রার মান বাড়বে। তবে কোনো দেশ এখন পর্যন্ত ইরানি মুদ্রায় টোল পরিশোধ করেছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

ইরানের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) থেকে শুরু হচ্ছে এই নৌ অবরোধ। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন এই কমান্ড জানায়, ‘প্রেসিডেন্টের ঘোষণার আলোকে ১৩ এপ্রিল (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে ইরানের বন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়া সব ধরনের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ কার্যকর করা হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অবরোধ সব দেশের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ ইরান ব্যতীত অন্য দেশের বন্দরে যাতায়াত করবে, তাদের চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সেন্টকম।
এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা। এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী পড়বে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে।
বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে।
অন্যদিকে ইরানে অবরোধের প্রতিশোধ হিসেবে দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্র হুথিরা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তবে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাবে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরেকটি বিশ্বমন্দা বয়ে আনতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।
এর আগে নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী অবিলম্বে ইরান ও ওমান উপকূলে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সমস্ত জাহাজ ‘অবরোধ’ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
‘একসময় এমন পরিস্থিতি আসবে যখন সব জাহাজ অবাধে যাতায়াত করতে পারবে, কিন্তু ইরানের অনমনীয়তার কারণে এখনই তা সম্ভব হচ্ছে না,’ বলেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেসব জাহাজ ইরানকে টোল বা মাশুল প্রদান করেছে, সেগুলোকে খুঁজে বের করতে এবং বাধা দিতে মার্কিন নৌবাহিনীকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘যারা ইরানকে ‘অবৈধ টোল’ দেবে, মুক্ত সমুদ্রে তাদের কোনো নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা থাকবে না।’
এর আগে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজের ওপর টোল আদায়ের ঘোষণা দেয় ইরান। দেশটির সুপ্রিম কাউন্সিলে এ বিষয়ে আইন পাস হয়। এছাড়া সম্প্রতি ‘ইরানি মুদ্রা’য় টোল পরিশোধ করতে হবে বলেও ঘোষণা দেয় ইরান।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণার ফলে একদিকে মার্কিন ডলারের আধিপত্য কমবে, অন্যদিকে ইরানি মুদ্রার মান বাড়বে। তবে কোনো দেশ এখন পর্যন্ত ইরানি মুদ্রায় টোল পরিশোধ করেছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি

আজ থেকে ইরান উপকূলে মার্কিন নৌ অবরোধ
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা) থেকে শুরু হচ্ছে এই নৌ অবরোধ। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন এই কমান্ড জানায়, ‘প্রেসিডেন্টের ঘোষণার আলোকে ১৩ এপ্রিল (সোমবার) সকাল ১০টা থেকে ইরানের বন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়া সব ধরনের সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের ওপর অবরোধ কার্যকর করা হবে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অবরোধ সব দেশের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।
তবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যেসব জাহাজ ইরান ব্যতীত অন্য দেশের বন্দরে যাতায়াত করবে, তাদের চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে সেন্টকম।
এই পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বিশ্লেষকরা। এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী পড়বে বলেও সতর্ক করেছেন তারা।বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে।
বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে হয়ে থাকে।
অন্যদিকে ইরানে অবরোধের প্রতিশোধ হিসেবে দেশটির ঘনিষ্ঠ মিত্র হুথিরা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয়, তবে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে যাবে। এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব আরেকটি বিশ্বমন্দা বয়ে আনতে পারে বলে মত বিশ্লেষকদের।
এর আগে নিজের সামাজিকমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বাহিনী অবিলম্বে ইরান ও ওমান উপকূলে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশকারী বা সেখান থেকে বের হওয়া সমস্ত জাহাজ ‘অবরোধ’ করার প্রক্রিয়া শুরু করবে।
‘একসময় এমন পরিস্থিতি আসবে যখন সব জাহাজ অবাধে যাতায়াত করতে পারবে, কিন্তু ইরানের অনমনীয়তার কারণে এখনই তা সম্ভব হচ্ছে না,’ বলেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও জানান, আন্তর্জাতিক জলসীমায় যেসব জাহাজ ইরানকে টোল বা মাশুল প্রদান করেছে, সেগুলোকে খুঁজে বের করতে এবং বাধা দিতে মার্কিন নৌবাহিনীকে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘যারা ইরানকে ‘অবৈধ টোল’ দেবে, মুক্ত সমুদ্রে তাদের কোনো নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা থাকবে না।’
এর আগে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করা জাহাজের ওপর টোল আদায়ের ঘোষণা দেয় ইরান। দেশটির সুপ্রিম কাউন্সিলে এ বিষয়ে আইন পাস হয়। এছাড়া সম্প্রতি ‘ইরানি মুদ্রা’য় টোল পরিশোধ করতে হবে বলেও ঘোষণা দেয় ইরান।
বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণার ফলে একদিকে মার্কিন ডলারের আধিপত্য কমবে, অন্যদিকে ইরানি মুদ্রার মান বাড়বে। তবে কোনো দেশ এখন পর্যন্ত ইরানি মুদ্রায় টোল পরিশোধ করেছে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা, বিবিসি




