ট্রাম্পের হরমুজ অবরোধে যোগ দেবে না যুক্তরাজ্য

ট্রাম্পের হরমুজ অবরোধে যোগ দেবে না যুক্তরাজ্য
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় অংশ নেবে না বৃটেন। এর পরিবর্তে তারা হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে মাইনসুইপার মোতায়েন করবে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, হরমুজ অবরোধে মার্কিন নৌবাহিনীকে অন্যান্য দেশ সাহায্য করবে। তবে এই অন্যান্য দেশ কারা, সেটা তিনি উল্লেখ করেননি।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর রবিবার (১২ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ ও প্রস্তানকারী সব জাহাজ অবরোধ করবে মার্কিন নৌবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ১৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে এই নৌ অবরোধ শুরু হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বদানকারী ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে অস্বীকার করায় দুই পক্ষ চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে চলে এই আলোচনা।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘যুদ্ধ শেষ করার সদিচ্ছা নিয়ে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছিল ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্ত আর বারবার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, ‘ওয়াশিংটন ইরানের বিশ্বাস অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।’
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমেরিকা তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই পথে জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান বন্ধ করে দেবে।’ নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘এই কাজে অন্যান্য দেশ সাহায্য করবে।’
এই অবরোধের ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
রবিবার রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে নামার সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের অবস্থা ‘খুবই খারাপ’ এবং ‘অন্যান্য দেশ’ একযোগে কাজ করছে যাতে তেহরান ‘তেল বিক্রি করতে না পারে’।
এরপর তিনি ন্যাটোর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি ন্যাটোর ওপর খুবই হতাশ। তারা আমাদের পাশে ছিল না। আমরা ন্যাটোর জন্য ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার দিই, অথচ তারা আমাদের পাশে ছিল না। এখন তারা এগিয়ে আসতে চাইছে, কিন্তু এখন আর কোনো সত্যিকারের হুমকি নেই।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত। দীর্ঘ ৪০ দিনের মাথায় স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তবে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় আবারও হামলা শুরু করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় অংশ নেবে না বৃটেন। এর পরিবর্তে তারা হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে মাইনসুইপার মোতায়েন করবে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, হরমুজ অবরোধে মার্কিন নৌবাহিনীকে অন্যান্য দেশ সাহায্য করবে। তবে এই অন্যান্য দেশ কারা, সেটা তিনি উল্লেখ করেননি।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর রবিবার (১২ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ ও প্রস্তানকারী সব জাহাজ অবরোধ করবে মার্কিন নৌবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ১৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে এই নৌ অবরোধ শুরু হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বদানকারী ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে অস্বীকার করায় দুই পক্ষ চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে চলে এই আলোচনা।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘যুদ্ধ শেষ করার সদিচ্ছা নিয়ে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছিল ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্ত আর বারবার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, ‘ওয়াশিংটন ইরানের বিশ্বাস অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।’
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমেরিকা তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই পথে জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান বন্ধ করে দেবে।’ নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘এই কাজে অন্যান্য দেশ সাহায্য করবে।’
এই অবরোধের ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
রবিবার রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে নামার সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের অবস্থা ‘খুবই খারাপ’ এবং ‘অন্যান্য দেশ’ একযোগে কাজ করছে যাতে তেহরান ‘তেল বিক্রি করতে না পারে’।
এরপর তিনি ন্যাটোর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি ন্যাটোর ওপর খুবই হতাশ। তারা আমাদের পাশে ছিল না। আমরা ন্যাটোর জন্য ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার দিই, অথচ তারা আমাদের পাশে ছিল না। এখন তারা এগিয়ে আসতে চাইছে, কিন্তু এখন আর কোনো সত্যিকারের হুমকি নেই।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত। দীর্ঘ ৪০ দিনের মাথায় স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তবে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় আবারও হামলা শুরু করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

ট্রাম্পের হরমুজ অবরোধে যোগ দেবে না যুক্তরাজ্য
সিটিজেন ডেস্ক

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালি অবরোধে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলবাহী ট্যাঙ্কার আটকাতে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় অংশ নেবে না বৃটেন। এর পরিবর্তে তারা হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে মাইনসুইপার মোতায়েন করবে।
এর আগে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, হরমুজ অবরোধে মার্কিন নৌবাহিনীকে অন্যান্য দেশ সাহায্য করবে। তবে এই অন্যান্য দেশ কারা, সেটা তিনি উল্লেখ করেননি।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান হরমুজ প্রণালিটি বন্ধ করে দেয়। বিশ্বের জ্বালানি পরিবহনের এক-পঞ্চমাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর রবিবার (১২ এপ্রিল) ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ ও প্রস্তানকারী সব জাহাজ অবরোধ করবে মার্কিন নৌবাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় ১৩ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে এই নৌ অবরোধ শুরু হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বদানকারী ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, তেহরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করতে অস্বীকার করায় দুই পক্ষ চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। দীর্ঘ ২১ ঘণ্টা ধরে চলে এই আলোচনা।
এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘যুদ্ধ শেষ করার সদিচ্ছা নিয়ে’ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করেছিল ইরান। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শর্ত আর বারবার অবস্থান পরিবর্তনের কারণে তা সম্ভব হয়নি।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রতিনিধিদলের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, ‘ওয়াশিংটন ইরানের বিশ্বাস অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।’
আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমেরিকা তেল ও গ্যাস পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ এই পথে জাহাজ প্রবেশ বা প্রস্থান বন্ধ করে দেবে।’ নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘এই কাজে অন্যান্য দেশ সাহায্য করবে।’
এই অবরোধের ফলে বৈশ্বিক তেলের বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা।
রবিবার রাতে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে নামার সময় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের অবস্থা ‘খুবই খারাপ’ এবং ‘অন্যান্য দেশ’ একযোগে কাজ করছে যাতে তেহরান ‘তেল বিক্রি করতে না পারে’।
এরপর তিনি ন্যাটোর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি ন্যাটোর ওপর খুবই হতাশ। তারা আমাদের পাশে ছিল না। আমরা ন্যাটোর জন্য ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার দিই, অথচ তারা আমাদের পাশে ছিল না। এখন তারা এগিয়ে আসতে চাইছে, কিন্তু এখন আর কোনো সত্যিকারের হুমকি নেই।’
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হয় মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত। দীর্ঘ ৪০ দিনের মাথায় স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ইরানে দুই সপ্তাহের জন্য হামলা স্থগিত ঘোষণা করেন ট্রাম্প। তবে আলোচনা ভেস্তে যাওয়ায় আবারও হামলা শুরু করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ




