শিরোনাম

জ্বালানি সংকটের মধ্যেই অর্ধশত গাড়ি নিয়ে শোডাউন

নাটোর সংবাদদাতা
জ্বালানি সংকটের মধ্যেই অর্ধশত গাড়ি নিয়ে শোডাউন

দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত আছে বলে দাবি করছে সরকার। তবে পাম্পে গেলে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র। ঢাকা শহর, জেলা শহর বা গ্রাম প্রায় সব জায়গাতেই জ্বালানি তেলের জন্য গাড়ি-বাইকের লম্বা লাইন।

পাম্প মালিকদের দাবি, তেল সরবারহ চাহিদার তুলনায় কম হচ্ছে। সারাদেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যেই অর্ধশত গাড়ির বহর নিয়ে শোডাউন করেছেন নাটোরের গুরুদাসপুরে উপজেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মাসুদ রানা প্রামানিক।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি জানাতেই তার এই আয়োজন।

সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় নীতির বিপরীতে বিপুল পরিমাণ তেল পুড়িয়ে এমন কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে।

রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেলে গুরুদাসপুর পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে মাসুদ রানার নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশত হাইয়েস ও প্রাইভেটকারের এক বিশাল বহর বের হয়। বহরটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাঁচকৈড় বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এসময় তার সমর্থকরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দেয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাসুদ রানা দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদল নেতা মাসুদ রানা প্রামানিক বলেন, জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার আগেই শোডাউনে অংশ নেওয়া গাড়িগুলোকে এডভান্স করা ছিল। এটা ঈদের আগে রোজার মাসে করার কথা ছিল। কিন্তু নানা কারণে তা হয়ে ওঠেনি। ঈদের পরে গাড়ি চালকদের ভাড়ার চাপ কম থাকায় তারাও বলছিল এখন প্রোগ্রামটা করলে তাদের জন্য ভালো হয়।

শোডাউনে বেশিরভাগই এলপিজি ও সিএনজি চালিত গাড়ি ছিল বলে দাবি করেন তিনি।

নাটোর জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ ইসলাম সৃজন বলেন, বিষয়টি আমিও দেখেছি। দেখে আমি তাকে কল দিয়েছিলাম। সে কল ধরেনাই। আমরা কেন্দ্রকে বিষয়টি অবগত করব। কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া গেলে অবশ্যই তা নেওয়া হবে।

/টিই/