মধ্যরাতে হাসনাতের লাইভ, কী বার্তা দিলেন তিনি

মধ্যরাতে হাসনাতের লাইভ, কী বার্তা দিলেন তিনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গত সপ্তাহ ছিল ইভেন্টফুল। যেখানে ওয়াকআউট, সংবিধান সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক এবং একাধিক বিল উত্থাপন ও বাতিলের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল)দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক লাইভে এসে এ কথা বলেন তিনি।
লাইভে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও বারবার ওয়াকআউটের কারণ, বিল নিয়ে অবস্থান এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব বিষয় পরিষ্কার করতেই আমি লাইভে এসেছি।
তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কার কমিশন ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি, তবে তা সংসদে উত্থাপনই করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশকে জনবান্ধব ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কার প্রস্তাব আনা হয়েছিল।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমানে পুলিশের পদোন্নতি ও পোস্টিং রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত— এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তার মতে, পুলিশকে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার না করে কেবল আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি ছিল।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের পূর্ববর্তী সংস্কার বাতিল করে ২০০৯ সালের আইনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা তার ভাষায় “কার্যত দুর্বল”। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এতে কমিশনের স্বাধীনভাবে তদন্ত করার সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে এবং অভিযোগ তদন্তে মন্ত্রণালয়ের অনুমতির শর্ত যুক্ত হওয়ায় এর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, গুম ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, পূর্ববর্তী একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়কে স্বাধীন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তে তা আবার আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে । এতে বিচারকদের পদোন্নতি, পোস্টিং এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে চলে যেতে পারে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য ক্ষতিকর।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। যা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও দলীয়করণের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি সংসদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও একাধিক অধ্যাদেশ বাতিল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এসব পরিবর্তন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গত সপ্তাহ ছিল ইভেন্টফুল। যেখানে ওয়াকআউট, সংবিধান সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক এবং একাধিক বিল উত্থাপন ও বাতিলের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল)দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক লাইভে এসে এ কথা বলেন তিনি।
লাইভে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও বারবার ওয়াকআউটের কারণ, বিল নিয়ে অবস্থান এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব বিষয় পরিষ্কার করতেই আমি লাইভে এসেছি।
তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কার কমিশন ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি, তবে তা সংসদে উত্থাপনই করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশকে জনবান্ধব ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কার প্রস্তাব আনা হয়েছিল।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমানে পুলিশের পদোন্নতি ও পোস্টিং রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত— এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তার মতে, পুলিশকে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার না করে কেবল আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি ছিল।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের পূর্ববর্তী সংস্কার বাতিল করে ২০০৯ সালের আইনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা তার ভাষায় “কার্যত দুর্বল”। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এতে কমিশনের স্বাধীনভাবে তদন্ত করার সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে এবং অভিযোগ তদন্তে মন্ত্রণালয়ের অনুমতির শর্ত যুক্ত হওয়ায় এর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, গুম ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, পূর্ববর্তী একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়কে স্বাধীন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তে তা আবার আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে । এতে বিচারকদের পদোন্নতি, পোস্টিং এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে চলে যেতে পারে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য ক্ষতিকর।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। যা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও দলীয়করণের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি সংসদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও একাধিক অধ্যাদেশ বাতিল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এসব পরিবর্তন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে।

মধ্যরাতে হাসনাতের লাইভ, কী বার্তা দিলেন তিনি
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের গত সপ্তাহ ছিল ইভেন্টফুল। যেখানে ওয়াকআউট, সংবিধান সংশোধনী নিয়ে বিতর্ক এবং একাধিক বিল উত্থাপন ও বাতিলের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
সোমবার (১৩ এপ্রিল)দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক লাইভে এসে এ কথা বলেন তিনি।
লাইভে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা ও বারবার ওয়াকআউটের কারণ, বিল নিয়ে অবস্থান এবং বিভিন্ন সিদ্ধান্ত সম্পর্কে জনগণের মধ্যে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব বিষয় পরিষ্কার করতেই আমি লাইভে এসেছি।
তিনি বলেন, পুলিশ সংস্কার কমিশন ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি, তবে তা সংসদে উত্থাপনই করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশকে জনবান্ধব ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার উদ্দেশ্যেই এই সংস্কার প্রস্তাব আনা হয়েছিল।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বর্তমানে পুলিশের পদোন্নতি ও পোস্টিং রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত— এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের। তার মতে, পুলিশকে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহার না করে কেবল আইন বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা জরুরি ছিল।
তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের পূর্ববর্তী সংস্কার বাতিল করে ২০০৯ সালের আইনে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা তার ভাষায় “কার্যত দুর্বল”। তার বক্তব্য অনুযায়ী, এতে কমিশনের স্বাধীনভাবে তদন্ত করার সক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়েছে এবং অভিযোগ তদন্তে মন্ত্রণালয়ের অনুমতির শর্ত যুক্ত হওয়ায় এর কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
এই সংসদ সদস্য বলেন, গুম ও অন্যান্য মানবাধিকার লঙ্ঘন সংক্রান্ত তদন্তের ক্ষেত্রেও এই পরিবর্তন প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, পূর্ববর্তী একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচার বিভাগীয় সচিবালয়কে স্বাধীন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমান সিদ্ধান্তে তা আবার আইন মন্ত্রণালয়ের অধীনে ফিরিয়ে আনা হয়েছে । এতে বিচারকদের পদোন্নতি, পোস্টিং এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে চলে যেতে পারে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য ক্ষতিকর।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। নতুন অধ্যাদেশের মাধ্যমে নির্বাচিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অপসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। যা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও দলীয়করণের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
তিনি সংসদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত ও একাধিক অধ্যাদেশ বাতিল নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এসব পরিবর্তন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে।



