পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ২০ হাজার ৬৭১ জন

পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ২০ হাজার ৬৭১ জন
বিশেষ প্রতিনিধি

পহেলা বৈশাখে দেশের ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
পাইলটিং পর্যায়ে প্রত্যেক কৃষক বছরে ২৫০০ টাকা করে পাবেন। এ খাতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে বাছাই করা হয়। তাদের মধ্যে ভূমিহীন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
কৃষক কার্ডে যেসব সেবা পাওয়া যাবে তা হচ্ছে– ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয় সুবিধা।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসলি উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যজীবী প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারিসহ ভূমিহীন প্রান্তিক ক্ষুদ্র মাঝারি ও বড় শ্রেণির সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণ চাষী এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে কৃষক কার্ড বিতরণের জন্য নির্ধারণ হয়েছে– পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ী ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজার ছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণ্যপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লক।
মন্ত্রী বলেন, কৃষককে ৫ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। ভূমিহীন কৃষক যারা ৫ শতাংশের কম জমির মালিক, প্রান্তিক যারা ৫ থেকে ৪৯ শতাংশ, ক্ষুদ্র কৃষক ৫০-২৪৯ শতাংশ, মাঝারি কৃষক ২৫০-৭৪৯ শতাংশ এবং বড় কৃষক ৭৫০ শতাংশের বেশি জমির মালিক।
তিনি বলেন, ১১টি ব্লকে ভূমিহীন কৃষক রয়েছে– ২ হাজার ২৪৬ জন, প্রান্তিক কৃষক ৯ হাজার ৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৮ হাজার ৯৬৭ জন, মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ জন ও বড় কৃষক ৯১ জন। বাছাইকৃত কৃষকদের মধ্যে রয়েছে– ফসল উৎপাদনকারী ২১ হাজার ১৪১ জন, মৎস্যজীবী ৬৬ জন, প্রাণিসম্পদ খামারি ৮৫৫ জন ও লবণ চাষী ৩ জন।

পহেলা বৈশাখে দেশের ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
পাইলটিং পর্যায়ে প্রত্যেক কৃষক বছরে ২৫০০ টাকা করে পাবেন। এ খাতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে বাছাই করা হয়। তাদের মধ্যে ভূমিহীন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
কৃষক কার্ডে যেসব সেবা পাওয়া যাবে তা হচ্ছে– ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয় সুবিধা।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসলি উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যজীবী প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারিসহ ভূমিহীন প্রান্তিক ক্ষুদ্র মাঝারি ও বড় শ্রেণির সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণ চাষী এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে কৃষক কার্ড বিতরণের জন্য নির্ধারণ হয়েছে– পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ী ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজার ছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণ্যপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লক।
মন্ত্রী বলেন, কৃষককে ৫ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। ভূমিহীন কৃষক যারা ৫ শতাংশের কম জমির মালিক, প্রান্তিক যারা ৫ থেকে ৪৯ শতাংশ, ক্ষুদ্র কৃষক ৫০-২৪৯ শতাংশ, মাঝারি কৃষক ২৫০-৭৪৯ শতাংশ এবং বড় কৃষক ৭৫০ শতাংশের বেশি জমির মালিক।
তিনি বলেন, ১১টি ব্লকে ভূমিহীন কৃষক রয়েছে– ২ হাজার ২৪৬ জন, প্রান্তিক কৃষক ৯ হাজার ৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৮ হাজার ৯৬৭ জন, মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ জন ও বড় কৃষক ৯১ জন। বাছাইকৃত কৃষকদের মধ্যে রয়েছে– ফসল উৎপাদনকারী ২১ হাজার ১৪১ জন, মৎস্যজীবী ৬৬ জন, প্রাণিসম্পদ খামারি ৮৫৫ জন ও লবণ চাষী ৩ জন।

পহেলা বৈশাখে কৃষক কার্ড পাচ্ছেন ২০ হাজার ৬৭১ জন
বিশেষ প্রতিনিধি

পহেলা বৈশাখে দেশের ২০ হাজার ৬৭১ জন কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিতরণ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
পাইলটিং পর্যায়ে প্রত্যেক কৃষক বছরে ২৫০০ টাকা করে পাবেন। এ খাতে সরকারের মোট ব্যয় হবে ৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ হাজার ৬৫ জন কৃষককে বাছাই করা হয়। তাদের মধ্যে ভূমিহীন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যা ২০ হাজার ৬৭১ জন।
কৃষক কার্ডে যেসব সেবা পাওয়া যাবে তা হচ্ছে– ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, ন্যায্যমূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, স্বল্পমূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, মোবাইল ফোনে আবহাওয়া পূর্বাভাস ও বাজার তথ্য, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ, ফসলের রোগ বালাই দমনের পরামর্শ, কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সুবিধা এবং ন্যায্যমূল্যে কৃষিপণ্য বিক্রয় সুবিধা।
পর্যায়ক্রমে দেশের সব কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হবে। প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি ব্লকে ফসলি উৎপাদনকারী কৃষকের পাশাপাশি মৎস্যজীবী প্রাণিসম্পদ খাতে নিয়োজিত খামারিসহ ভূমিহীন প্রান্তিক ক্ষুদ্র মাঝারি ও বড় শ্রেণির সব কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে লবণ চাষী এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
প্রাক পাইলটিং পর্যায়ে কৃষক কার্ড বিতরণের জন্য নির্ধারণ হয়েছে– পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ী ব্লক, কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার রাজার ছড়া ব্লক, কুমিল্লা জেলার জেলার আদর্শ সদর উপজেলার অরণ্যপুর ব্লক, টাঙ্গাইল জেলার সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপচা ব্লক, মৌলভীবাজার জেলার জুড়ি উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক ও জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লক।
মন্ত্রী বলেন, কৃষককে ৫ শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়েছে। ভূমিহীন কৃষক যারা ৫ শতাংশের কম জমির মালিক, প্রান্তিক যারা ৫ থেকে ৪৯ শতাংশ, ক্ষুদ্র কৃষক ৫০-২৪৯ শতাংশ, মাঝারি কৃষক ২৫০-৭৪৯ শতাংশ এবং বড় কৃষক ৭৫০ শতাংশের বেশি জমির মালিক।
তিনি বলেন, ১১টি ব্লকে ভূমিহীন কৃষক রয়েছে– ২ হাজার ২৪৬ জন, প্রান্তিক কৃষক ৯ হাজার ৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র কৃষক ৮ হাজার ৯৬৭ জন, মাঝারি কৃষক ১ হাজার ৩০৩ জন ও বড় কৃষক ৯১ জন। বাছাইকৃত কৃষকদের মধ্যে রয়েছে– ফসল উৎপাদনকারী ২১ হাজার ১৪১ জন, মৎস্যজীবী ৬৬ জন, প্রাণিসম্পদ খামারি ৮৫৫ জন ও লবণ চাষী ৩ জন।




