বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন

বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলা চালিয়ে ‘পীর’ আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজাকে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তার খাতিরে দেশের অন্যতম বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কোনো হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, শফি মণ্ডলের বর্তমান বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকায়। তবে তার মূল বাড়ি নিহত শামীমের এলাকায় তথা ফিলিপনগরে। তিনি গত কয়েক বছর আগে হোসেনাবাদ এলাকায় বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। তবে গত একমাস যাবৎ শফি মণ্ডল ঢাকাতে অবস্থান করছেন।
শিল্পী শফি মণ্ডল জানান, ‘আমি গত এক মাস গ্রামের বাড়িতে নেই। ওখানে কী হচ্ছে এটা তো আমি বলতে পারব না।’
শফি মণ্ডলের মেয়ে লিনা মণ্ডল বলেন, ‘আমার বাবা সংগীতের জন্য বিভিন্ন দরবারে যান। ফিলিপনগর আমাদের বাড়ি। তাই তিনি ওই দরবারে গিয়েছিলেন, সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও আছে। যে ভিডিও ভাইরাল করে মব তৈরির মাধ্যমে শামীমকে হত্যা করা হলো, সে ভিডিওতে আমার বাবাও আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমরা লালন দর্শনে বিশ্বাস করি। আর আমার বাবা লালন সাঁইজির বাণীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এই মতের সঙ্গে অন্য ধারণার মানুষের মিল না-ও হতে পারে। তবে আমাদের জীবনাচরণ অবশ্যই ইসলামী। আমরা আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল (সা.) সম্পর্কে ধ্যান করি। আর আমার বাবা একজন দেশ বরেণ্য শিল্পী হওয়ায় সরকার মনে করেছে তার নিরাপত্তার প্রয়োজন। তাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এর আগে, পবিত্র কোরআন ও ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ‘পীর’ শামীম রেজার দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা দরবারের দোতলার একটি কক্ষ থেকে বের করে এনে শামীর রেজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। আহত হন শামীমের দুই অনুসারী। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলা চালিয়ে ‘পীর’ আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজাকে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তার খাতিরে দেশের অন্যতম বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কোনো হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, শফি মণ্ডলের বর্তমান বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকায়। তবে তার মূল বাড়ি নিহত শামীমের এলাকায় তথা ফিলিপনগরে। তিনি গত কয়েক বছর আগে হোসেনাবাদ এলাকায় বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। তবে গত একমাস যাবৎ শফি মণ্ডল ঢাকাতে অবস্থান করছেন।
শিল্পী শফি মণ্ডল জানান, ‘আমি গত এক মাস গ্রামের বাড়িতে নেই। ওখানে কী হচ্ছে এটা তো আমি বলতে পারব না।’
শফি মণ্ডলের মেয়ে লিনা মণ্ডল বলেন, ‘আমার বাবা সংগীতের জন্য বিভিন্ন দরবারে যান। ফিলিপনগর আমাদের বাড়ি। তাই তিনি ওই দরবারে গিয়েছিলেন, সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও আছে। যে ভিডিও ভাইরাল করে মব তৈরির মাধ্যমে শামীমকে হত্যা করা হলো, সে ভিডিওতে আমার বাবাও আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমরা লালন দর্শনে বিশ্বাস করি। আর আমার বাবা লালন সাঁইজির বাণীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এই মতের সঙ্গে অন্য ধারণার মানুষের মিল না-ও হতে পারে। তবে আমাদের জীবনাচরণ অবশ্যই ইসলামী। আমরা আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল (সা.) সম্পর্কে ধ্যান করি। আর আমার বাবা একজন দেশ বরেণ্য শিল্পী হওয়ায় সরকার মনে করেছে তার নিরাপত্তার প্রয়োজন। তাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এর আগে, পবিত্র কোরআন ও ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ‘পীর’ শামীম রেজার দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা দরবারের দোতলার একটি কক্ষ থেকে বের করে এনে শামীর রেজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। আহত হন শামীমের দুই অনুসারী। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন
নিজস্ব প্রতিবেদক

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে দরবার শরিফে হামলা চালিয়ে ‘পীর’ আব্দুর রহমান ওরফে শামীম রেজাকে হত্যার ঘটনায় নিরাপত্তার খাতিরে দেশের অন্যতম বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরিফুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, কোনো হুমকি না থাকলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে বাউলশিল্পী শফি মণ্ডলের বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
জানা গেছে, শফি মণ্ডলের বর্তমান বাড়ি দৌলতপুর উপজেলার হোসেনাবাদ এলাকায়। তবে তার মূল বাড়ি নিহত শামীমের এলাকায় তথা ফিলিপনগরে। তিনি গত কয়েক বছর আগে হোসেনাবাদ এলাকায় বাড়ি তৈরি করে বসবাস শুরু করেন। তবে গত একমাস যাবৎ শফি মণ্ডল ঢাকাতে অবস্থান করছেন।
শিল্পী শফি মণ্ডল জানান, ‘আমি গত এক মাস গ্রামের বাড়িতে নেই। ওখানে কী হচ্ছে এটা তো আমি বলতে পারব না।’
শফি মণ্ডলের মেয়ে লিনা মণ্ডল বলেন, ‘আমার বাবা সংগীতের জন্য বিভিন্ন দরবারে যান। ফিলিপনগর আমাদের বাড়ি। তাই তিনি ওই দরবারে গিয়েছিলেন, সেই সময়ের ছবি ও ভিডিও আছে। যে ভিডিও ভাইরাল করে মব তৈরির মাধ্যমে শামীমকে হত্যা করা হলো, সে ভিডিওতে আমার বাবাও আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু আমরা লালন দর্শনে বিশ্বাস করি। আর আমার বাবা লালন সাঁইজির বাণীর প্রতিনিধিত্ব করেন। এই মতের সঙ্গে অন্য ধারণার মানুষের মিল না-ও হতে পারে। তবে আমাদের জীবনাচরণ অবশ্যই ইসলামী। আমরা আল্লাহ, আল্লাহর রাসূল (সা.) সম্পর্কে ধ্যান করি। আর আমার বাবা একজন দেশ বরেণ্য শিল্পী হওয়ায় সরকার মনে করেছে তার নিরাপত্তার প্রয়োজন। তাই পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
এর আগে, পবিত্র কোরআন ও ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরের দিকে ‘পীর’ শামীম রেজার দরবার শরিফে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন স্থানীয়রা। এ সময় বিক্ষুব্ধরা দরবারের দোতলার একটি কক্ষ থেকে বের করে এনে শামীর রেজাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেন। আহত হন শামীমের দুই অনুসারী। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

দরবারে হামলায় নিহত ‘পীর’ শামীমের দাফন, হয়নি মামলা


