স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেলো সৌদির তেল পাইপলাইনের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেলো সৌদির তেল পাইপলাইনের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি
সিজেডএন ডেস্ক

ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারের প্রায় ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশনটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ কিংবা পাইপলাইনটি সচল হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি।
গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরব পারস্য উপসাগর এড়িয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠাতে এ রুটটি ব্যবহার করছিল। পাইপলাইনটির মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হচ্ছিল। উল্লেখ্য, এই পাইপলাইনের দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে।
এদিকে রপ্তানি মজুত নিয়েও তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি রপ্তানি পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্রের দাবি, ইয়ানবু বন্দরে বর্তমানে মাত্র ৫ থেকে ৭ দিন তেল রপ্তানির মতো মজুত অবশিষ্ট রয়েছে। অন্যদিকে, মিসরের আইন সুখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও কিছু সৌদি তেল সংরক্ষিত আছে, যা দিয়ে সামান্য কদিন গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, দ্রুত পাইপলাইনটি চালু না হলে দেশটির রপ্তানি মজুতের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
এ সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম তিন দশমিক চার শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। এটি মে মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ। এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম রেকর্ড গড়ে গ্যালনপ্রতি ছয় ডলার ছাড়িয়ে যায়।
ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের তেল উৎপাদন গত কয়েকমাসে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জুলাই মাসে দৈনিক উৎপাদন ৮১ লাখ ব্যারেল থাকলেও আগস্টে তা নেমে আসে ৬২৪ লাখে। ইয়েমেনে সৌদি হামলা ও অবরোধ বন্ধের দাবিতে লোহিত সাগরীয় তেল রপ্তানি পথ এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে ধারাবাহিক হামলার হুমকি এ সংকটকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারের প্রায় ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশনটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ কিংবা পাইপলাইনটি সচল হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি।
গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরব পারস্য উপসাগর এড়িয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠাতে এ রুটটি ব্যবহার করছিল। পাইপলাইনটির মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হচ্ছিল। উল্লেখ্য, এই পাইপলাইনের দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে।
এদিকে রপ্তানি মজুত নিয়েও তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি রপ্তানি পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্রের দাবি, ইয়ানবু বন্দরে বর্তমানে মাত্র ৫ থেকে ৭ দিন তেল রপ্তানির মতো মজুত অবশিষ্ট রয়েছে। অন্যদিকে, মিসরের আইন সুখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও কিছু সৌদি তেল সংরক্ষিত আছে, যা দিয়ে সামান্য কদিন গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, দ্রুত পাইপলাইনটি চালু না হলে দেশটির রপ্তানি মজুতের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
এ সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম তিন দশমিক চার শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। এটি মে মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ। এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম রেকর্ড গড়ে গ্যালনপ্রতি ছয় ডলার ছাড়িয়ে যায়।
ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের তেল উৎপাদন গত কয়েকমাসে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জুলাই মাসে দৈনিক উৎপাদন ৮১ লাখ ব্যারেল থাকলেও আগস্টে তা নেমে আসে ৬২৪ লাখে। ইয়েমেনে সৌদি হামলা ও অবরোধ বন্ধের দাবিতে লোহিত সাগরীয় তেল রপ্তানি পথ এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে ধারাবাহিক হামলার হুমকি এ সংকটকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেলো সৌদির তেল পাইপলাইনের ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতি
সিজেডএন ডেস্ক

ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের দৃশ্য ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। হরমুজ প্রণালির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত পাইপলাইনটি দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে বিশ্ববাজারের প্রায় ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এ পাইপলাইনের পাম্পিং স্টেশনটি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ এখনো ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ বিবরণ কিংবা পাইপলাইনটি সচল হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেয়নি।
গত কয়েক মাসে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর বিকল্প হিসেবে সৌদি আরব পারস্য উপসাগর এড়িয়ে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পাঠাতে এ রুটটি ব্যবহার করছিল। পাইপলাইনটির মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ইয়ানবু বন্দরে নেওয়া হচ্ছিল। উল্লেখ্য, এই পাইপলাইনের দৈনিক প্রায় ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে।
এদিকে রপ্তানি মজুত নিয়েও তীব্র উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি রপ্তানি পরিস্থিতির সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্রের দাবি, ইয়ানবু বন্দরে বর্তমানে মাত্র ৫ থেকে ৭ দিন তেল রপ্তানির মতো মজুত অবশিষ্ট রয়েছে। অন্যদিকে, মিসরের আইন সুখনা ও সিদি কেরির বন্দরেও কিছু সৌদি তেল সংরক্ষিত আছে, যা দিয়ে সামান্য কদিন গ্রাহকদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হলেও তা পর্যাপ্ত নয়। ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, দ্রুত পাইপলাইনটি চালু না হলে দেশটির রপ্তানি মজুতের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হতে পারে।
এ সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে বিশ্ববাজারে। রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম তিন দশমিক চার শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে। এটি মে মাসের পর থেকে সর্বোচ্চ। এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেলের দাম রেকর্ড গড়ে গ্যালনপ্রতি ছয় ডলার ছাড়িয়ে যায়।
ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের তেল উৎপাদন গত কয়েকমাসে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। জুলাই মাসে দৈনিক উৎপাদন ৮১ লাখ ব্যারেল থাকলেও আগস্টে তা নেমে আসে ৬২৪ লাখে। ইয়েমেনে সৌদি হামলা ও অবরোধ বন্ধের দাবিতে লোহিত সাগরীয় তেল রপ্তানি পথ এবং জ্বালানি অবকাঠামোয় ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে ধারাবাহিক হামলার হুমকি এ সংকটকে আরও কঠিন করে তুলেছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনে ৫৮ বিমান হামলা সৌদি আরবের







