নতুন তেল পাইপলাইন বানাচ্ছে আমিরাত
নতুন তেল পাইপলাইন বানাচ্ছে আমিরাত
ফুজাইরা বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ করতে একটি নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।


ড্রোন হামলার পর সৌদি আরবের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের একটি পাম্পিং স্টেশনে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে।

সৌদি আরবের লোহিত সাগরগামী প্রধান তেল পাইপলাইনে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের হামলার জেরে বিশ্ববাজারে বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ইরানের সঙ্গে শালামচেহ সীমান্ত ক্রসিং কেন্দ্রটি করে দিয়েছে ইরাক। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুটি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে এনে ব্যবহারের জন্য পাইপলাইন নির্মাণে প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু অর্থনৈতিক ঝুঁকি বিবেচনা, সিদ্ধান্তহীনতা ও এলএনজি আমদানি লবির তদবির ও দেনদরবারে তা হাতছাড়া হয়।
ফুজাইরা বন্দরের মাধ্যমে তেল রপ্তানি ক্ষমতা দ্বিগুণ করতে একটি নতুন পাইপলাইনের নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।

চলতি এপ্রিল মাসে মোট চারটি চালানের মাধ্যমে ভারত থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আনার প্রক্রিয়া চলছে। এর মধ্যে প্রথম চালান হিসেবে ৮ হাজার মেট্রিক টন ইতোমধ্যে এসে পৌঁছেছে।

ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আসছে।
