শিরোনাম

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ‘বড় চমক’ দেখতে পাবে, হুঁশিয়ারি ইরানের

সিটিজেন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ‘বড় চমক’ দেখতে পাবে, হুঁশিয়ারি ইরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা। ছবি : সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং ‘লক্ষ্যবস্তুর তালিকা’ অনুযায়ী এগিয়ে যাচ্ছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য একটি ‘বড় চমক’ অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন ইরানের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছেন ইরানের সংবাদমাধ্যম ফারস। তবে ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করেনি সংবাদমাধ্যমটি।

ইরানের ওই নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য আমাদের একটি বড় চমক রয়েছে। অল্প কিছু সময়ের মধ্যে তারা সেটা দেখতে পাবে।

তিনি বলেন, ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আচরণ ঘটনাপ্রবাহের গতিপথ আমাদের অনুকূলে বদলে দিতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ইরানের সেতুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হামলার হুমকিকে ‘হাস্যকর’। যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়াসহ মার্কিন সামরিক অভিযান ব্যর্থ হওয়ার কারণে তিনি এ হুমকি দিয়েছেন।

এদিকে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তি না করলে ইরানকে ‘ভয়াবহ পরিস্থিতির’ মুখোমুখি হতে হবে বলে হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।

শনিবার (৪ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘মনে আছে, আমি ইরানকে চুক্তি করা অথবা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য ১০ দিন সময় দিয়েছিলাম?’ গত ২৬ মার্চ তিনি এ আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন।

তিনি লেখেন, সময় শেষ হয়ে আসছে। তাদের ওপর চরম বিপর্যয় নেমে আসার আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা বাকি।

এ আলটিমেটাম সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। জেনারেল আলী আবদুল্লাহি আলিয়াবাদি ট্রাম্পের এই হুমকিকে ‘অসহায়, অস্থির, ভারসাম্যহীন এবং বোকামির’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তিনি সতর্ক করে বলেন, তোমাদের জন্যই ভয়াবহ পরিস্থিতির দরজা খুলে যাবে।

পরে ট্রাম্প একটি ভিডিও পোস্ট করেন যেখানে রাতের আকাশে বড় ধরনের বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল, তেহরানে এই বিশাল হামলায় ইরানের অনেক সামরিক নেতাসহ আরও অনেক কিছু ধ্বংস হয়ে গেছে।

/এসবি/