ইরানের সামরিক শক্তি পুনরুদ্ধারের গতিতে হতবাক ইসরায়েল

ইরানের সামরিক শক্তি পুনরুদ্ধারের গতিতে হতবাক ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর সমস্ত হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করেছে ইরান। যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা থেকে এত কম সময়ের মধ্যে তেহরানের ঘুরে দাঁড়ানো তেল আবিবের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের রীতিমতো হতবাক করেছে।

জেরুজালেম পোস্টের খবর অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি নিজেদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার পুনরায় পূর্ণ করেছে। এটি ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। জুনের শুরুতে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে এবং জুলাইয়ে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণের মাধ্যমে তারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মানতে বাধ্য হচ্ছেন, তেহরান তাদের সমরাস্ত্র পুনর্গঠনে সম্পূর্ণ নতুন ও কার্যকরী কৌশল অবলম্বন করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের হাতে মাত্র ১৩০০টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট ছিল। অথচ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগেই সেই সংখ্যা রহস্যজনকভাবে আড়াই হাজারে উন্নীত হয়।
তেহরানের শীর্ষ কর্তারা আগেই দাবি করেছিলেন, তারা আগের চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে অস্ত্র উৎপাদন করছেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও সে দাবির সত্যতা পাচ্ছে। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ইরান মার্কিন গোয়েন্দাদের বেঁধে দেওয়া সম্ভাব্য সময়সীমার আগেই অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্গঠন করেছে। ধারণা করা হয়েছিল, অন্তত নভেম্বর মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে তাদের ড্রোন সক্ষমতা ফিরে পেতে। কিন্তু সেই হিসাব এখন আর টিকছে না। মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ধারাবাহিকভাবে ইরানের হাতে পৌঁছানোই এর কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডারেও টান পড়েছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, মার্কিন বাহিনী তাদের মজুদে থাকা প্রায় সব এটিএসিএমএস এবং নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে এক নতুন সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের ওপর নতুন করে বড় কোনো হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে বিমান হামলার ওপরই নির্ভর করতে হবে। এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির বিষয়ে আইডিএফ জানিয়েছে, যুদ্ধে তারা ইরানের সামরিক কাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এরফলে ইরানের যুদ্ধপূর্ব সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার গতিকে কিছুটা হলেও কমিয়ে দিয়েছে। আইডিএফ প্রতিনিয়ত ইরানের এ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ওপর কড়া নজর রাখছে এবং বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে নিজেদের কৌশল আপডেট করছে। তবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের উৎস ও পদ্ধতি গোপন রাখার স্বার্থে তারা তেহরানের অস্ত্র উৎপাদনের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখছে বলেও জানিয়েছে আইডিএফ।
সূত্রধ ইনডিপেন্ডেন্ট

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর সমস্ত হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করেছে ইরান। যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা থেকে এত কম সময়ের মধ্যে তেহরানের ঘুরে দাঁড়ানো তেল আবিবের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের রীতিমতো হতবাক করেছে।

জেরুজালেম পোস্টের খবর অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি নিজেদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার পুনরায় পূর্ণ করেছে। এটি ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। জুনের শুরুতে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে এবং জুলাইয়ে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণের মাধ্যমে তারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মানতে বাধ্য হচ্ছেন, তেহরান তাদের সমরাস্ত্র পুনর্গঠনে সম্পূর্ণ নতুন ও কার্যকরী কৌশল অবলম্বন করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের হাতে মাত্র ১৩০০টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট ছিল। অথচ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগেই সেই সংখ্যা রহস্যজনকভাবে আড়াই হাজারে উন্নীত হয়।
তেহরানের শীর্ষ কর্তারা আগেই দাবি করেছিলেন, তারা আগের চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে অস্ত্র উৎপাদন করছেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও সে দাবির সত্যতা পাচ্ছে। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ইরান মার্কিন গোয়েন্দাদের বেঁধে দেওয়া সম্ভাব্য সময়সীমার আগেই অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্গঠন করেছে। ধারণা করা হয়েছিল, অন্তত নভেম্বর মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে তাদের ড্রোন সক্ষমতা ফিরে পেতে। কিন্তু সেই হিসাব এখন আর টিকছে না। মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ধারাবাহিকভাবে ইরানের হাতে পৌঁছানোই এর কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডারেও টান পড়েছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, মার্কিন বাহিনী তাদের মজুদে থাকা প্রায় সব এটিএসিএমএস এবং নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে এক নতুন সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের ওপর নতুন করে বড় কোনো হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে বিমান হামলার ওপরই নির্ভর করতে হবে। এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির বিষয়ে আইডিএফ জানিয়েছে, যুদ্ধে তারা ইরানের সামরিক কাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এরফলে ইরানের যুদ্ধপূর্ব সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার গতিকে কিছুটা হলেও কমিয়ে দিয়েছে। আইডিএফ প্রতিনিয়ত ইরানের এ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ওপর কড়া নজর রাখছে এবং বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে নিজেদের কৌশল আপডেট করছে। তবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের উৎস ও পদ্ধতি গোপন রাখার স্বার্থে তারা তেহরানের অস্ত্র উৎপাদনের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখছে বলেও জানিয়েছে আইডিএফ।
সূত্রধ ইনডিপেন্ডেন্ট

ইরানের সামরিক শক্তি পুনরুদ্ধারের গতিতে হতবাক ইসরায়েল
সিজেডএন ডেস্ক

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর সমস্ত হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিয়ে অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে নিজেদের সামরিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করেছে ইরান। যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা থেকে এত কম সময়ের মধ্যে তেহরানের ঘুরে দাঁড়ানো তেল আবিবের শীর্ষ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের রীতিমতো হতবাক করেছে।

জেরুজালেম পোস্টের খবর অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রাথমিক ধাক্কা সামলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটি নিজেদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ভাণ্ডার পুনরায় পূর্ণ করেছে। এটি ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) কাছে সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল। জুনের শুরুতে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে এবং জুলাইয়ে প্রতিবেশী আরব দেশগুলোর ওপর নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তেহরান। পাশাপাশি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণের মাধ্যমে তারা নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা মানতে বাধ্য হচ্ছেন, তেহরান তাদের সমরাস্ত্র পুনর্গঠনে সম্পূর্ণ নতুন ও কার্যকরী কৌশল অবলম্বন করেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরানের হাতে মাত্র ১৩০০টির মতো ক্ষেপণাস্ত্র অবশিষ্ট ছিল। অথচ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর আগেই সেই সংখ্যা রহস্যজনকভাবে আড়াই হাজারে উন্নীত হয়।
তেহরানের শীর্ষ কর্তারা আগেই দাবি করেছিলেন, তারা আগের চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে অস্ত্র উৎপাদন করছেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও সে দাবির সত্যতা পাচ্ছে। সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কয়েকজন মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, ইরান মার্কিন গোয়েন্দাদের বেঁধে দেওয়া সম্ভাব্য সময়সীমার আগেই অস্ত্রভাণ্ডার পুনর্গঠন করেছে। ধারণা করা হয়েছিল, অন্তত নভেম্বর মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে তাদের ড্রোন সক্ষমতা ফিরে পেতে। কিন্তু সেই হিসাব এখন আর টিকছে না। মার্কিন অবরোধ সত্ত্বেও চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম ধারাবাহিকভাবে ইরানের হাতে পৌঁছানোই এর কারণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী এ যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডারেও টান পড়েছে। রয়টার্সের তথ্যমতে, মার্কিন বাহিনী তাদের মজুদে থাকা প্রায় সব এটিএসিএমএস এবং নির্ভুল লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ফেলেছে। এর ফলে এক নতুন সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের ওপর নতুন করে বড় কোনো হামলার জন্য মার্কিন বাহিনীকে বিমান হামলার ওপরই নির্ভর করতে হবে। এ উদ্বেগজনক পরিস্থিতির বিষয়ে আইডিএফ জানিয়েছে, যুদ্ধে তারা ইরানের সামরিক কাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি করেছে। এরফলে ইরানের যুদ্ধপূর্ব সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার গতিকে কিছুটা হলেও কমিয়ে দিয়েছে। আইডিএফ প্রতিনিয়ত ইরানের এ পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ওপর কড়া নজর রাখছে এবং বাস্তব পরিস্থিতির নিরিখে নিজেদের কৌশল আপডেট করছে। তবে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের উৎস ও পদ্ধতি গোপন রাখার স্বার্থে তারা তেহরানের অস্ত্র উৎপাদনের সুনির্দিষ্ট পরিসংখ্যান প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় নিজেদের সর্বোচ্চ প্রস্তুত রাখছে বলেও জানিয়েছে আইডিএফ।
সূত্রধ ইনডিপেন্ডেন্ট









