‘পঙ্গু হাসপাতালে দুই সপ্তাহ ঘুরে অপারেশনের সুযোগ পেলাম’

‘পঙ্গু হাসপাতালে দুই সপ্তাহ ঘুরে অপারেশনের সুযোগ পেলাম’
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন (নিটোর) বা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা। ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশ থেকে আসা হাজার হাজার রোগী সেবা পেতে গিয়ে পদে পদে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
কক্সবাজার থেকে আসা রোগী আশরাফ জানিয়েছেন, জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলেও পঙ্গু হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে এসে চিকিৎসা পাই না। দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করার পর অপারেশনের সুযোগ পেলাম।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে ডাক্তার দেখানো, ফি জমা দেওয়া কিংবা প্যাথলজিক্যাল টেস্ট প্রতিটি ধাপেই দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের। বহির্বিভাগের প্রথম তলার ৬ নম্বর কক্ষে ১ জন চিকিৎসক শতাধিক রোগীকে সেবা দিচ্ছেন। এসি বন্ধ থাকায় এবং অপর্যাপ্ত ফ্যানের অভাবে রোগীরা আরও বেশি অসুস্থবোধ করছেন। তথ্যের অভাবে এক ভবন থেকে আরেক ভবনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিভাগ খুঁজে পেতেও রোগীদের বেগ পেতে হচ্ছে।

একই চিত্র দেখা গেছে হাসপাতালের অন্য বিভাগেও। ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগে প্রতিদিন ৩-৪ শতাধিক রোগীর বিপরীতে মাত্র ৪টি কক্ষে চিকিৎসক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে প্রতি রোগীর জন্য গড়ে মাত্র ২-৩ মিনিট সময় মিলছে। প্লাস্টার ও ড্রেসিং কক্ষে রোগী সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন মাত্র ৬ জন নার্স। এছাড়া, অস্ত্রোপচার (ওটি) এবং আইসিইউ এর বাইরে স্বজনদের উদ্বেগজনকভাবে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। জরুরি বিভাগ ও পুরাতন ভবনের চিত্রও করুণ। চতুর্থ তলার পোস্ট অপারেটিভ ও ২০ বেডের ওয়ার্ডে অভিজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত নার্স না থাকায় সেবা দিচ্ছেন শিক্ষানবিশ নার্সরা। ক্যাজুয়ালিটি-৪ মহিলা ওয়ার্ডের ২টি কক্ষে ১২০ জন রোগীর সেবায় ছিলেন মাত্র ২ জন নার্স। আসন না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে বা রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
চিকিৎসক সংকটের কারণে অপারেশনের তারিখেও বিলম্ব ঘটছে। কক্সবাজার থেকে আসা রোগী আশরাফ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলেও পঙ্গু হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে এসে চিকিৎসা পাই না। দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করার পর অপারেশনের সুযোগ পেলাম।

মফিজুল ইসলাম নামের অপর এক রোগী বলেন, আমার অপারেশনের নির্ধারিত তারিখের দেড় মাস পর সম্পন্ন হয়েছে। সেবা পেতে বিলম্ব হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালের দিকে ঝুঁকছেন। আমাদের সাধ্য নেই বাইরে অপারেশন করার, তাই বিলম্ব হলেও এখানেই করতে হলো।
গত বৃহস্পতিবার ইসরাফ্রিল নামের এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার স্বজন আরমান বলেন, সেদিনই অপারেশন হয়েছে। তিন দিন ধরে কোনো সিট পায় নি। চিকিৎসা ভালো হচ্ছে। কিন্তু আমরা অনেক কষ্ট করতাছি। ডাক্তারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। নার্সরা শুধু ইনজেকশন দেওয়ার সময় হলে আসে।
সার্বিক বিষয়ে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) একজন কর্তব্যরত চিকিৎসক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা সবসময় রোগীদের সেরা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে আমাদের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেই সীমাবদ্ধতার ভেতরেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন (নিটোর) বা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা। ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশ থেকে আসা হাজার হাজার রোগী সেবা পেতে গিয়ে পদে পদে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
কক্সবাজার থেকে আসা রোগী আশরাফ জানিয়েছেন, জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলেও পঙ্গু হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে এসে চিকিৎসা পাই না। দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করার পর অপারেশনের সুযোগ পেলাম।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে ডাক্তার দেখানো, ফি জমা দেওয়া কিংবা প্যাথলজিক্যাল টেস্ট প্রতিটি ধাপেই দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের। বহির্বিভাগের প্রথম তলার ৬ নম্বর কক্ষে ১ জন চিকিৎসক শতাধিক রোগীকে সেবা দিচ্ছেন। এসি বন্ধ থাকায় এবং অপর্যাপ্ত ফ্যানের অভাবে রোগীরা আরও বেশি অসুস্থবোধ করছেন। তথ্যের অভাবে এক ভবন থেকে আরেক ভবনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিভাগ খুঁজে পেতেও রোগীদের বেগ পেতে হচ্ছে।

একই চিত্র দেখা গেছে হাসপাতালের অন্য বিভাগেও। ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগে প্রতিদিন ৩-৪ শতাধিক রোগীর বিপরীতে মাত্র ৪টি কক্ষে চিকিৎসক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে প্রতি রোগীর জন্য গড়ে মাত্র ২-৩ মিনিট সময় মিলছে। প্লাস্টার ও ড্রেসিং কক্ষে রোগী সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন মাত্র ৬ জন নার্স। এছাড়া, অস্ত্রোপচার (ওটি) এবং আইসিইউ এর বাইরে স্বজনদের উদ্বেগজনকভাবে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। জরুরি বিভাগ ও পুরাতন ভবনের চিত্রও করুণ। চতুর্থ তলার পোস্ট অপারেটিভ ও ২০ বেডের ওয়ার্ডে অভিজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত নার্স না থাকায় সেবা দিচ্ছেন শিক্ষানবিশ নার্সরা। ক্যাজুয়ালিটি-৪ মহিলা ওয়ার্ডের ২টি কক্ষে ১২০ জন রোগীর সেবায় ছিলেন মাত্র ২ জন নার্স। আসন না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে বা রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
চিকিৎসক সংকটের কারণে অপারেশনের তারিখেও বিলম্ব ঘটছে। কক্সবাজার থেকে আসা রোগী আশরাফ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলেও পঙ্গু হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে এসে চিকিৎসা পাই না। দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করার পর অপারেশনের সুযোগ পেলাম।

মফিজুল ইসলাম নামের অপর এক রোগী বলেন, আমার অপারেশনের নির্ধারিত তারিখের দেড় মাস পর সম্পন্ন হয়েছে। সেবা পেতে বিলম্ব হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালের দিকে ঝুঁকছেন। আমাদের সাধ্য নেই বাইরে অপারেশন করার, তাই বিলম্ব হলেও এখানেই করতে হলো।
গত বৃহস্পতিবার ইসরাফ্রিল নামের এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার স্বজন আরমান বলেন, সেদিনই অপারেশন হয়েছে। তিন দিন ধরে কোনো সিট পায় নি। চিকিৎসা ভালো হচ্ছে। কিন্তু আমরা অনেক কষ্ট করতাছি। ডাক্তারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। নার্সরা শুধু ইনজেকশন দেওয়ার সময় হলে আসে।
সার্বিক বিষয়ে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) একজন কর্তব্যরত চিকিৎসক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা সবসময় রোগীদের সেরা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে আমাদের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেই সীমাবদ্ধতার ভেতরেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

‘পঙ্গু হাসপাতালে দুই সপ্তাহ ঘুরে অপারেশনের সুযোগ পেলাম’
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন (নিটোর) বা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্স সংকটের কারণে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক চিকিৎসা সেবা। ঢাকার পাশাপাশি সারাদেশ থেকে আসা হাজার হাজার রোগী সেবা পেতে গিয়ে পদে পদে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
কক্সবাজার থেকে আসা রোগী আশরাফ জানিয়েছেন, জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলেও পঙ্গু হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে এসে চিকিৎসা পাই না। দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করার পর অপারেশনের সুযোগ পেলাম।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় হাসপাতাল ঘুরে দেখা যায়, বহির্বিভাগের টিকিট কাউন্টার থেকে শুরু করে ডাক্তার দেখানো, ফি জমা দেওয়া কিংবা প্যাথলজিক্যাল টেস্ট প্রতিটি ধাপেই দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে রোগীদের। বহির্বিভাগের প্রথম তলার ৬ নম্বর কক্ষে ১ জন চিকিৎসক শতাধিক রোগীকে সেবা দিচ্ছেন। এসি বন্ধ থাকায় এবং অপর্যাপ্ত ফ্যানের অভাবে রোগীরা আরও বেশি অসুস্থবোধ করছেন। তথ্যের অভাবে এক ভবন থেকে আরেক ভবনে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত বিভাগ খুঁজে পেতেও রোগীদের বেগ পেতে হচ্ছে।

একই চিত্র দেখা গেছে হাসপাতালের অন্য বিভাগেও। ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগে প্রতিদিন ৩-৪ শতাধিক রোগীর বিপরীতে মাত্র ৪টি কক্ষে চিকিৎসক সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সেখানে প্রতি রোগীর জন্য গড়ে মাত্র ২-৩ মিনিট সময় মিলছে। প্লাস্টার ও ড্রেসিং কক্ষে রোগী সামলাতে হিমসিম খাচ্ছেন মাত্র ৬ জন নার্স। এছাড়া, অস্ত্রোপচার (ওটি) এবং আইসিইউ এর বাইরে স্বজনদের উদ্বেগজনকভাবে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। জরুরি বিভাগ ও পুরাতন ভবনের চিত্রও করুণ। চতুর্থ তলার পোস্ট অপারেটিভ ও ২০ বেডের ওয়ার্ডে অভিজ্ঞ বা প্রশিক্ষিত নার্স না থাকায় সেবা দিচ্ছেন শিক্ষানবিশ নার্সরা। ক্যাজুয়ালিটি-৪ মহিলা ওয়ার্ডের ২টি কক্ষে ১২০ জন রোগীর সেবায় ছিলেন মাত্র ২ জন নার্স। আসন না পেয়ে অনেক রোগীকে মেঝেতে বা রাস্তায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে।
চিকিৎসক সংকটের কারণে অপারেশনের তারিখেও বিলম্ব ঘটছে। কক্সবাজার থেকে আসা রোগী আশরাফ সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, জরুরি অপারেশনের প্রয়োজন হলেও পঙ্গু হাসপাতালে নির্ধারিত সময়ে এসে চিকিৎসা পাই না। দুই সপ্তাহ ঘোরাঘুরি করার পর অপারেশনের সুযোগ পেলাম।

মফিজুল ইসলাম নামের অপর এক রোগী বলেন, আমার অপারেশনের নির্ধারিত তারিখের দেড় মাস পর সম্পন্ন হয়েছে। সেবা পেতে বিলম্ব হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতালের দিকে ঝুঁকছেন। আমাদের সাধ্য নেই বাইরে অপারেশন করার, তাই বিলম্ব হলেও এখানেই করতে হলো।
গত বৃহস্পতিবার ইসরাফ্রিল নামের এক রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার স্বজন আরমান বলেন, সেদিনই অপারেশন হয়েছে। তিন দিন ধরে কোনো সিট পায় নি। চিকিৎসা ভালো হচ্ছে। কিন্তু আমরা অনেক কষ্ট করতাছি। ডাক্তারের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। নার্সরা শুধু ইনজেকশন দেওয়ার সময় হলে আসে।
সার্বিক বিষয়ে জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (নিটোর) একজন কর্তব্যরত চিকিৎসক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, আমরা সবসময় রোগীদের সেরা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে আমাদের বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেই সীমাবদ্ধতার ভেতরেও আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।








