ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে ১০ কোটি ডলার দিলো আমিরাত

ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে ১০ কোটি ডলার দিলো আমিরাত
সিটিজেন ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নতুন একটি শক্তিশালী পুলিশ বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অফ পিসকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। টাইমস অফ ইসরায়েলের তথ্যের বরাতে মিডল ইস্ট আই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এ বিশাল অংকের অর্থ গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া নতুন ইউনিটের সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত দাতা সম্মেলনে বোর্ড সদস্যরা সাত বিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করার পর এটিই কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা সবচেয়ে বড় অনুদান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আমিরাতের নিরাপত্তা সংস্থার সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রায় ২৭ হাজার সদস্য নিয়ে এ বিশেষ বাহিনী গঠিত হতে যাচ্ছে, যাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে জর্ডান ও মিশরে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, গাজায় আগে যারা সরকারি চাকরি করেছেন তারা এ নতুন বাহিনীতে যোগদানের সুযোগ পাবেন, তবে প্রতিটি আবেদনকারীকে ইসরায়েলি অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নিরাপত্তা যাচাই বা স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
মূলত গাজার প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কাঠামোকে আমূল বদলে ফেলার লক্ষ্যেই এ সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পুলিশ বাহিনী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে গাজার জন্য গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাট বডি বা ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ গাজার অধীনে। কমিটির প্রধান আলী শাথ জানিয়েছেন, গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক এবং সেখানে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তবে গাজায় গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। সবশেষ বুধবার (৬ মে) একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজা উপত্যকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নতুন একটি শক্তিশালী পুলিশ বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অফ পিসকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। টাইমস অফ ইসরায়েলের তথ্যের বরাতে মিডল ইস্ট আই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এ বিশাল অংকের অর্থ গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া নতুন ইউনিটের সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত দাতা সম্মেলনে বোর্ড সদস্যরা সাত বিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করার পর এটিই কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা সবচেয়ে বড় অনুদান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আমিরাতের নিরাপত্তা সংস্থার সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রায় ২৭ হাজার সদস্য নিয়ে এ বিশেষ বাহিনী গঠিত হতে যাচ্ছে, যাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে জর্ডান ও মিশরে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, গাজায় আগে যারা সরকারি চাকরি করেছেন তারা এ নতুন বাহিনীতে যোগদানের সুযোগ পাবেন, তবে প্রতিটি আবেদনকারীকে ইসরায়েলি অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নিরাপত্তা যাচাই বা স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
মূলত গাজার প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কাঠামোকে আমূল বদলে ফেলার লক্ষ্যেই এ সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পুলিশ বাহিনী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে গাজার জন্য গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাট বডি বা ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ গাজার অধীনে। কমিটির প্রধান আলী শাথ জানিয়েছেন, গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক এবং সেখানে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তবে গাজায় গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। সবশেষ বুধবার (৬ মে) একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ট্রাম্পের বোর্ড অফ পিসে ১০ কোটি ডলার দিলো আমিরাত
সিটিজেন ডেস্ক

গাজা উপত্যকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও নতুন একটি শক্তিশালী পুলিশ বাহিনী গঠনের লক্ষ্যে গঠিত যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বোর্ড অফ পিসকে ১০ কোটি মার্কিন ডলার অর্থ সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। টাইমস অফ ইসরায়েলের তথ্যের বরাতে মিডল ইস্ট আই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। এ বিশাল অংকের অর্থ গাজায় মোতায়েন হতে যাওয়া নতুন ইউনিটের সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় করা হবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে আয়োজিত দাতা সম্মেলনে বোর্ড সদস্যরা সাত বিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্র ১০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার অঙ্গীকার করার পর এটিই কোনো একক রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসা সবচেয়ে বড় অনুদান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আমিরাতের নিরাপত্তা সংস্থার সরাসরি তত্ত্বাবধানে প্রায় ২৭ হাজার সদস্য নিয়ে এ বিশেষ বাহিনী গঠিত হতে যাচ্ছে, যাদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে জর্ডান ও মিশরে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে, গাজায় আগে যারা সরকারি চাকরি করেছেন তারা এ নতুন বাহিনীতে যোগদানের সুযোগ পাবেন, তবে প্রতিটি আবেদনকারীকে ইসরায়েলি অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার কঠোর নিরাপত্তা যাচাই বা স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
মূলত গাজার প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কাঠামোকে আমূল বদলে ফেলার লক্ষ্যেই এ সম্মিলিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পুলিশ বাহিনী তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে গাজার জন্য গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন টেকনোক্র্যাট বডি বা ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ গাজার অধীনে। কমিটির প্রধান আলী শাথ জানিয়েছেন, গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক এবং সেখানে মানবিক সহায়তার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। তবে গাজায় গত ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। সবশেষ বুধবার (৬ মে) একটি পুলিশ স্টেশনে ইসরায়েলি হামলায় ফিলিস্তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি আগ্রাসনে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭২ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।
সূত্র: আল জাজিরা

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় হামাস নেতার ছেলে নিহত 


