ইরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী

ইরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার পথ তৈরি করতে তেহরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরানে কয়েকজন ইরানি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে উত্তেজনা কমানোর উপায় এবং দুই দেশের মধ্যে সংলাপের অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হবে।
আল-আনসারি বলেন, মতবিরোধ সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক পথই সবচেয়ে কার্যকর উপায়—কাতার সবসময় এই অবস্থানকে সমর্থন করে।
ইরানও শেখ মোহাম্মদের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটি জানিয়েছে, বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতার চলমান প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
কাতার সবসময় বলে আসছে কূটনৈতিক পথই এই অঞ্চলে মতপার্থক্য নিরসন এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রসারের সর্বোত্তম উপায়। এই সফরটি সেই অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন আনসারি।
ইরানও এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটি জানিয়েছে, বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতার চলমান প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিকভাবে ইরানে ভয়াবহ হামলা শুরু করে। জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এই যুদ্ধের শুরু থেকেই কাতার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে দেশটি সহায়তা করেছিল, যা সাময়িকভাবে সংঘাত থামিয়েছিল। জুলাই মাসে চুক্তিটি ভেস্তে যায় এবং সংঘাতটি এখন ষষ্ঠ মাসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। যুদ্ধ মূলত বন্ধ থাকলেও কোনো কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর তেহরান ভ্রমণ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য করা অংশীদারদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
বুধবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করার বিষয়ে তিনি ‘তাড়াহুড়ো করছেন না’।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে তার কোনো তাড়া নেই। তিনি বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় পদক্ষেপই কার্যকর হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার পথ তৈরি করতে তেহরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরানে কয়েকজন ইরানি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে উত্তেজনা কমানোর উপায় এবং দুই দেশের মধ্যে সংলাপের অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হবে।
আল-আনসারি বলেন, মতবিরোধ সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক পথই সবচেয়ে কার্যকর উপায়—কাতার সবসময় এই অবস্থানকে সমর্থন করে।
ইরানও শেখ মোহাম্মদের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটি জানিয়েছে, বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতার চলমান প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
কাতার সবসময় বলে আসছে কূটনৈতিক পথই এই অঞ্চলে মতপার্থক্য নিরসন এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রসারের সর্বোত্তম উপায়। এই সফরটি সেই অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন আনসারি।
ইরানও এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটি জানিয়েছে, বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতার চলমান প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিকভাবে ইরানে ভয়াবহ হামলা শুরু করে। জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এই যুদ্ধের শুরু থেকেই কাতার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে দেশটি সহায়তা করেছিল, যা সাময়িকভাবে সংঘাত থামিয়েছিল। জুলাই মাসে চুক্তিটি ভেস্তে যায় এবং সংঘাতটি এখন ষষ্ঠ মাসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। যুদ্ধ মূলত বন্ধ থাকলেও কোনো কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর তেহরান ভ্রমণ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য করা অংশীদারদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
বুধবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করার বিষয়ে তিনি ‘তাড়াহুড়ো করছেন না’।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে তার কোনো তাড়া নেই। তিনি বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় পদক্ষেপই কার্যকর হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী
সিজেডএন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কমানো এবং দুই দেশের মধ্যে আলোচনা পুনরায় শুরু করার পথ তৈরি করতে তেহরান যাচ্ছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জসিম আল থানি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তেহরানে কয়েকজন ইরানি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে উত্তেজনা কমানোর উপায় এবং দুই দেশের মধ্যে সংলাপের অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হবে।
আল-আনসারি বলেন, মতবিরোধ সমাধান এবং মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে কূটনৈতিক পথই সবচেয়ে কার্যকর উপায়—কাতার সবসময় এই অবস্থানকে সমর্থন করে।
ইরানও শেখ মোহাম্মদের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটি জানিয়েছে, বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতার চলমান প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
কাতার সবসময় বলে আসছে কূটনৈতিক পথই এই অঞ্চলে মতপার্থক্য নিরসন এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রসারের সর্বোত্তম উপায়। এই সফরটি সেই অবস্থানের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন আনসারি।
ইরানও এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দেশটি জানিয়েছে, বৈঠকে কাতারের মধ্যস্থতার চলমান প্রচেষ্টা ও বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আকস্মিকভাবে ইরানে ভয়াবহ হামলা শুরু করে। জবাবে তেহরানও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি ও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালায়। এই যুদ্ধের শুরু থেকেই কাতার ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছে। জুনে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরে দেশটি সহায়তা করেছিল, যা সাময়িকভাবে সংঘাত থামিয়েছিল। জুলাই মাসে চুক্তিটি ভেস্তে যায় এবং সংঘাতটি এখন ষষ্ঠ মাসের কাছাকাছি পৌঁছেছে। যুদ্ধ মূলত বন্ধ থাকলেও কোনো কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এমতাবস্থায় কাতারের প্রধানমন্ত্রীর তেহরান ভ্রমণ গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের ওপর আরও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য করা অংশীদারদের ওপরও নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ওয়াশিংটন।
বুধবার আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আবার আলোচনা শুরু করার বিষয়ে তিনি ‘তাড়াহুড়ো করছেন না’।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার আল জাজিরাকে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করতে তার কোনো তাড়া নেই। তিনি বলেন, তেহরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় পদক্ষেপই কার্যকর হচ্ছে।
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজে নতুন রুট চালুর চুক্তি ওমান-ইরানের
‘ইরানের ওপর চাপানো মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ব্যর্থ হবে’

-CznNewsLab-ff6f88-256x144.webp)





