নেপালে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৬৫, নিখোঁজ ১৫০০

নেপালে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৬৫, নিখোঁজ ১৫০০
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৬০ ছাড়িয়েছে। ৮০০ জন বিদেশি নাগরিকসহ প্রায় দেড় হাজার পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত ১৬৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে নিম্নাঞ্চলীয় চিতওয়ান জেলায়। এছাড়া পূর্ব নওয়ালপরাসি জেলা থেকে আরও ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উত্তর নেপালের পাহাড়ি ভোটেকোশি নদীতে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এর জেরে তিব্বত সীমান্তের কাছে রসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপ ও কাদার স্রোতে ভেসে যায় বিস্তীর্ণ পাহাড়ি জনপদ।
পুলিশ এবং পর্যটন কর্মকর্তারা জানান, নেপালে প্রায় ৬শ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজের সংখ্যা ৮২৬। বিদেশিদের মধ্যে প্রায় ২৫টি দেশের পর্যটক রয়েছেন। এর মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রর ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৫ জন।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, তিব্বতের গিরং জেলায় ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেপালে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৫৪ জন মার্কিন পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। নিহতদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। নেপালকে ৫ লাখ ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বন্যাকবলিত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি আশ্রয়, পানি, স্যানিটেশন ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জলবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ মিলিয়ে তাদের প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এই প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয় এমন একটি পাহাড়ি এলাকায় ঘটেছে, যা ট্রেকিং ও তীর্থযাত্রার জন্য জনপ্রিয়। নিহত ও নিখোঁজদের অনেকেই কৈলাস ও মানস সরোবরের তীর্থযাত্রী ছিলেন। তিব্বতের এই স্থান হিন্দু, বৌদ্ধসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র। হিন্দুদের বিশ্বাস, কৈলাস পর্বত দেবতা শিবের আবাস। এই পর্বতের অবস্থান মানস সরোবর তীরে।
নেপাল সীমান্তের তিব্বত অংশ থেকে ধারণ করা সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, পাথর, কাদা ও পানির প্রবল স্রোত ভবন ও জনপদ ধ্বংস করে দেওয়ার আগে বহু মানুষ পালানোর চেষ্টা করছেন। ওই স্রোতে অনেক মানুষ প্রাণ হারান।
ড্রোন দিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের সব সড়ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের জনগণকে সহায়তা করতে জাতিসংঘের দল ও সহযোগী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

নেপালের তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৬০ ছাড়িয়েছে। ৮০০ জন বিদেশি নাগরিকসহ প্রায় দেড় হাজার পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত ১৬৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে নিম্নাঞ্চলীয় চিতওয়ান জেলায়। এছাড়া পূর্ব নওয়ালপরাসি জেলা থেকে আরও ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উত্তর নেপালের পাহাড়ি ভোটেকোশি নদীতে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এর জেরে তিব্বত সীমান্তের কাছে রসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপ ও কাদার স্রোতে ভেসে যায় বিস্তীর্ণ পাহাড়ি জনপদ।
পুলিশ এবং পর্যটন কর্মকর্তারা জানান, নেপালে প্রায় ৬শ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজের সংখ্যা ৮২৬। বিদেশিদের মধ্যে প্রায় ২৫টি দেশের পর্যটক রয়েছেন। এর মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রর ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৫ জন।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, তিব্বতের গিরং জেলায় ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেপালে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৫৪ জন মার্কিন পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। নিহতদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। নেপালকে ৫ লাখ ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বন্যাকবলিত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি আশ্রয়, পানি, স্যানিটেশন ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জলবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ মিলিয়ে তাদের প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এই প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয় এমন একটি পাহাড়ি এলাকায় ঘটেছে, যা ট্রেকিং ও তীর্থযাত্রার জন্য জনপ্রিয়। নিহত ও নিখোঁজদের অনেকেই কৈলাস ও মানস সরোবরের তীর্থযাত্রী ছিলেন। তিব্বতের এই স্থান হিন্দু, বৌদ্ধসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র। হিন্দুদের বিশ্বাস, কৈলাস পর্বত দেবতা শিবের আবাস। এই পর্বতের অবস্থান মানস সরোবর তীরে।
নেপাল সীমান্তের তিব্বত অংশ থেকে ধারণ করা সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, পাথর, কাদা ও পানির প্রবল স্রোত ভবন ও জনপদ ধ্বংস করে দেওয়ার আগে বহু মানুষ পালানোর চেষ্টা করছেন। ওই স্রোতে অনেক মানুষ প্রাণ হারান।
ড্রোন দিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের সব সড়ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের জনগণকে সহায়তা করতে জাতিসংঘের দল ও সহযোগী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

নেপালে বন্যায় মৃত্যু বেড়ে ১৬৫, নিখোঁজ ১৫০০
সিজেডএন ডেস্ক

নেপালের তিব্বত সীমান্তে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা ১৬০ ছাড়িয়েছে। ৮০০ জন বিদেশি নাগরিকসহ প্রায় দেড় হাজার পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।
নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত ১৬৫টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে নিম্নাঞ্চলীয় চিতওয়ান জেলায়। এছাড়া পূর্ব নওয়ালপরাসি জেলা থেকে আরও ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (২৬ আগস্ট) সকালে উত্তর নেপালের পাহাড়ি ভোটেকোশি নদীতে এই আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এর জেরে তিব্বত সীমান্তের কাছে রসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ধ্বংসস্তূপ ও কাদার স্রোতে ভেসে যায় বিস্তীর্ণ পাহাড়ি জনপদ।
পুলিশ এবং পর্যটন কর্মকর্তারা জানান, নেপালে প্রায় ৬শ বিদেশি নাগরিকসহ নিখোঁজের সংখ্যা ৮২৬। বিদেশিদের মধ্যে প্রায় ২৫টি দেশের পর্যটক রয়েছেন। এর মধ্যে ভারতের ১৭৭ জন, যুক্তরাষ্ট্রর ৬৩ জন, অস্ট্রেলিয়ার ৩৪ জন, যুক্তরাজ্যের ৩৩ জন এবং কানাডার ২৫ জন।
এদিকে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি জানায়, তিব্বতের গিরং জেলায় ৫৫৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেপালে আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৫৪ জন মার্কিন পর্যটক নিখোঁজ হয়েছেন। নিহতদের পরিবার ও প্রিয়জনদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। নেপালকে ৫ লাখ ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বন্যাকবলিত জনগোষ্ঠীর জন্য জরুরি আশ্রয়, পানি, স্যানিটেশন ও অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
নেপালের বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জলবিদ্যুৎ ও সৌরবিদ্যুৎ মিলিয়ে তাদের প্রায় ৪৩০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে।
এই প্রাণঘাতী প্রাকৃতিক বিপর্যয় এমন একটি পাহাড়ি এলাকায় ঘটেছে, যা ট্রেকিং ও তীর্থযাত্রার জন্য জনপ্রিয়। নিহত ও নিখোঁজদের অনেকেই কৈলাস ও মানস সরোবরের তীর্থযাত্রী ছিলেন। তিব্বতের এই স্থান হিন্দু, বৌদ্ধসহ বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র। হিন্দুদের বিশ্বাস, কৈলাস পর্বত দেবতা শিবের আবাস। এই পর্বতের অবস্থান মানস সরোবর তীরে।
নেপাল সীমান্তের তিব্বত অংশ থেকে ধারণ করা সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যায়, পাথর, কাদা ও পানির প্রবল স্রোত ভবন ও জনপদ ধ্বংস করে দেওয়ার আগে বহু মানুষ পালানোর চেষ্টা করছেন। ওই স্রোতে অনেক মানুষ প্রাণ হারান।
ড্রোন দিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে, সীমান্তের সব সড়ক পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নেপালের জনগণকে সহায়তা করতে জাতিসংঘের দল ও সহযোগী সংস্থাগুলো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

পাহাড়ি ঢলে লন্ডভন্ড নেপাল, নিহত বেড়ে ১৬০

-CznNewsLab-ff6f88-256x144.webp)





