লাখো মানুষের শ্রদ্ধা শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন

লাখো মানুষের শ্রদ্ধা শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন
সিজেডএন ডেস্ক

ইরাক ও ইরানের পাঁচটি শহরে টানা ছয় দিনব্যাপী শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার পর মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে দাফন সম্পন্ন হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। খামেনির দাফন উপলক্ষে তার জন্মভূমি ও শৈশবের শিক্ষাস্থল মাশহাদের রাজপথে লাখো মানুষের ঢল নামে। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত জনতা ইরানের পতাকা ও প্রতিশোধের প্রতীক লাল ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেন এবং ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মৃত্যুদণ্ড দাবি করে স্লোগান দেন।
কফিনটি যখন অষ্টম শিয়া ইমামের ঐতিহাসিক সোনালী গম্বুজবিশিষ্ট মাজারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন শোকের পাশাপাশি প্রতিশোধের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায় সাধারণ মানুষের মাঝে। ১৯৮৯ সালে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর দীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের শাসনক্ষমতায় থাকা আলী খামেনি দেশটির রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন। সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং এর আগে জানুয়ারির গণবিক্ষোভের ধাক্কা সামলে এ রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মাধ্যমে ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব জাতীয় ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছিল।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে এই গণশোকের আবহ বিঘ্নিত হয়েছে। আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, জানাজা ম্লান করতে তেহরান-মাশহাদ রেলপথের দুটি সেতুতে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের হামলা চালানোর পর ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ আরও ভয়াবহ হবে। এর জবাবে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে কাতারের মধ্যস্থতায় দুই মাসের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে দুদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, সেই শান্তি চুক্তিটি এখন সম্পূর্ণ 'শেষ' হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনির বাসভবনে ইসরায়েলি হামলায় তিনি ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন, যার যৌথ নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। খামেনির মৃত্যুর পর তার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা নতুন সর্বোচ্চ নেতা মনোনীত হলেও ওই হামলায় গুরুতর আহত হওয়ায় তিনি তেহরান, কোম কিংবা মাশহাদের কোনো জানাজায় জনসমক্ষে অংশ নিতে পারেননি।
সূত্র: বিবিসি

ইরাক ও ইরানের পাঁচটি শহরে টানা ছয় দিনব্যাপী শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার পর মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে দাফন সম্পন্ন হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। খামেনির দাফন উপলক্ষে তার জন্মভূমি ও শৈশবের শিক্ষাস্থল মাশহাদের রাজপথে লাখো মানুষের ঢল নামে। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত জনতা ইরানের পতাকা ও প্রতিশোধের প্রতীক লাল ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেন এবং ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মৃত্যুদণ্ড দাবি করে স্লোগান দেন।
কফিনটি যখন অষ্টম শিয়া ইমামের ঐতিহাসিক সোনালী গম্বুজবিশিষ্ট মাজারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন শোকের পাশাপাশি প্রতিশোধের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায় সাধারণ মানুষের মাঝে। ১৯৮৯ সালে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর দীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের শাসনক্ষমতায় থাকা আলী খামেনি দেশটির রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন। সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং এর আগে জানুয়ারির গণবিক্ষোভের ধাক্কা সামলে এ রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মাধ্যমে ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব জাতীয় ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছিল।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে এই গণশোকের আবহ বিঘ্নিত হয়েছে। আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, জানাজা ম্লান করতে তেহরান-মাশহাদ রেলপথের দুটি সেতুতে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের হামলা চালানোর পর ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ আরও ভয়াবহ হবে। এর জবাবে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে কাতারের মধ্যস্থতায় দুই মাসের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে দুদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, সেই শান্তি চুক্তিটি এখন সম্পূর্ণ 'শেষ' হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনির বাসভবনে ইসরায়েলি হামলায় তিনি ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন, যার যৌথ নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। খামেনির মৃত্যুর পর তার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা নতুন সর্বোচ্চ নেতা মনোনীত হলেও ওই হামলায় গুরুতর আহত হওয়ায় তিনি তেহরান, কোম কিংবা মাশহাদের কোনো জানাজায় জনসমক্ষে অংশ নিতে পারেননি।
সূত্র: বিবিসি

লাখো মানুষের শ্রদ্ধা শেষে খামেনির দাফন সম্পন্ন
সিজেডএন ডেস্ক

ইরাক ও ইরানের পাঁচটি শহরে টানা ছয় দিনব্যাপী শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার পর মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজা মাজারে দাফন সম্পন্ন হয়েছে ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির। খামেনির দাফন উপলক্ষে তার জন্মভূমি ও শৈশবের শিক্ষাস্থল মাশহাদের রাজপথে লাখো মানুষের ঢল নামে। কালো পোশাক পরিহিত শোকাহত জনতা ইরানের পতাকা ও প্রতিশোধের প্রতীক লাল ব্যানার নিয়ে মিছিলে অংশ নেন এবং ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মৃত্যুদণ্ড দাবি করে স্লোগান দেন।
কফিনটি যখন অষ্টম শিয়া ইমামের ঐতিহাসিক সোনালী গম্বুজবিশিষ্ট মাজারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তখন শোকের পাশাপাশি প্রতিশোধের তীব্র আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায় সাধারণ মানুষের মাঝে। ১৯৮৯ সালে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর পর দীর্ঘ ৩৭ বছর ইরানের শাসনক্ষমতায় থাকা আলী খামেনি দেশটির রাজনীতি ও সশস্ত্র বাহিনীর ওপর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিলেন। সাম্প্রতিক যুদ্ধ এবং এর আগে জানুয়ারির গণবিক্ষোভের ধাক্কা সামলে এ রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মাধ্যমে ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব জাতীয় ঐক্য ও শক্তি প্রদর্শন করতে চেয়েছিল।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের কারণে এই গণশোকের আবহ বিঘ্নিত হয়েছে। আইআরজিসি অভিযোগ করেছে, জানাজা ম্লান করতে তেহরান-মাশহাদ রেলপথের দুটি সেতুতে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করতে মার্কিন বাহিনী দ্বিতীয় দফায় বড় ধরনের হামলা চালানোর পর ট্রাম্প সতর্ক করেছেন যে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ আরও ভয়াবহ হবে। এর জবাবে কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানি বাহিনী। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে কাতারের মধ্যস্থতায় দুই মাসের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে দুদেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়ে দিয়েছেন, সেই শান্তি চুক্তিটি এখন সম্পূর্ণ 'শেষ' হয়ে গেছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনির বাসভবনে ইসরায়েলি হামলায় তিনি ও তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য নিহত হন, যার যৌথ নির্দেশ দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। খামেনির মৃত্যুর পর তার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা নতুন সর্বোচ্চ নেতা মনোনীত হলেও ওই হামলায় গুরুতর আহত হওয়ায় তিনি তেহরান, কোম কিংবা মাশহাদের কোনো জানাজায় জনসমক্ষে অংশ নিতে পারেননি।
সূত্র: বিবিসি

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন আজ


