ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে যা বললেন ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে যা বললেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এয়ার ফোর্স ওয়ানে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। কিন্তু তেহরান একটি চুক্তিতে আসতে চায়।
এর আগে গতকাল বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি শেষ। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার অভিযোগে মঙ্গলবার ইরানের একাধিক স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের করা ওই মন্তব্যের পর দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)।
গত দুই দিনে ইরানের ১৭০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার রাতে ইরানের সামরিক এবং অবকাঠামোগত ৯০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, এসবের মধ্যে রয়েছে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী স্থাপনা ও সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ডিপো, নৌবাহিনী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা, সমুদ্র বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকায় ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন লজিস্টিক অবকাঠামো।
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে উপসাগরী দেশগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে অন্যতম কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন। এসব দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করছে তেহরান।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) পরিচালিত হামলায় কুয়েতের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, কাতারের একটি স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা এবং বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর জ্বালানি ডিপোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা সতর্ক করছেন, মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে আইআরজিসি এই অঞ্চলজুড়ে এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোতেও তাদের হামলা প্রসারিত করবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এয়ার ফোর্স ওয়ানে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। কিন্তু তেহরান একটি চুক্তিতে আসতে চায়।
এর আগে গতকাল বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি শেষ। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার অভিযোগে মঙ্গলবার ইরানের একাধিক স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের করা ওই মন্তব্যের পর দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)।
গত দুই দিনে ইরানের ১৭০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার রাতে ইরানের সামরিক এবং অবকাঠামোগত ৯০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, এসবের মধ্যে রয়েছে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী স্থাপনা ও সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ডিপো, নৌবাহিনী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা, সমুদ্র বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকায় ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন লজিস্টিক অবকাঠামো।
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে উপসাগরী দেশগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে অন্যতম কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন। এসব দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করছে তেহরান।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) পরিচালিত হামলায় কুয়েতের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, কাতারের একটি স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা এবং বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর জ্বালানি ডিপোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা সতর্ক করছেন, মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে আইআরজিসি এই অঞ্চলজুড়ে এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোতেও তাদের হামলা প্রসারিত করবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে যা বললেন ট্রাম্প
সিজেডএন ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে আবারও যুদ্ধ শুরু করার বিষয়টি বিবেচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এয়ার ফোর্স ওয়ানে দেওয়া এক ভাষণে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনার টেবিলে রয়েছে। কিন্তু তেহরান একটি চুক্তিতে আসতে চায়।
এর আগে গতকাল বুধবার তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি শেষ। বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা অব্যাহত রাখা সম্ভব নয়।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলার অভিযোগে মঙ্গলবার ইরানের একাধিক স্থাপনায় নতুন করে বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আঙ্কারায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের করা ওই মন্তব্যের পর দেশটিতে দ্বিতীয় দফায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম)।
গত দুই দিনে ইরানের ১৭০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বুধবার রাতে ইরানের সামরিক এবং অবকাঠামোগত ৯০টি স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ৮০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, এসবের মধ্যে রয়েছে এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, উপকূল অঞ্চলে নজরদারী স্থাপনা ও সরঞ্জাম, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ডিপো, নৌবাহিনী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থাপনা, সমুদ্র বন্দর এবং উপকূলীয় এলাকায় ইরানি প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন লজিস্টিক অবকাঠামো।
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার জবাবে উপসাগরী দেশগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান। এর মধ্যে অন্যতম কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন। এসব দেশে অবস্থিত মার্কিন স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করছে তেহরান।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) পরিচালিত হামলায় কুয়েতের একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা, কাতারের একটি স্যাটেলাইট অ্যান্টেনা এবং বাহরাইনে মার্কিন সেনাবাহিনীর জ্বালানি ডিপোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
কর্মকর্তারা সতর্ক করছেন, মার্কিন হামলা অব্যাহত থাকলে আইআরজিসি এই অঞ্চলজুড়ে এবং অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোতেও তাদের হামলা প্রসারিত করবে।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের বন্দর আব্বাসে বিস্ফোরণ
মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশে মার্কিন স্থাপনায় হামলা ইরানের
