কোর্তোয়াকে তুলে নেয়ার কারণ জানালেন কোচ

কোর্তোয়াকে তুলে নেয়ার কারণ জানালেন কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে শুক্রবার (১০ জুলাই) এক নাটকীয় ও হৃদয়বিদারক ম্যাচে স্পেনের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে বেলজিয়াম। ম্যাচের ৭১ মিনিটে দলের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া চোট পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন। বদলি গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে পা রাখে স্পেন। ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচটিতে বেলজিয়ামের অন্যতম সেরা ভরসা কোর্তোয়ার মাঠ থেকে প্রস্থানই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচ শেষে ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়া জানান, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লং কিক নেওয়ার সময় তিনি ঊরুর পেশিতে তীব্র ব্যথা অনুভব করেছিলেন। তবে ব্যথা সত্ত্বেও তিনি খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কারণ গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে থাকার মতো ফিটনেস তার ছিল, কেবল লং কিক নিতে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া কোনো রকম ঝুঁকি নিতে রাজি হননি। সংবাদ সম্মেলনে কোচ জানান, বিশ্বকাপের শুরু থেকেই শতভাগ ফিট নন এমন কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে না রাখার সিদ্ধান্ত ছিল তার, আর কোর্তোয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সেই নিয়ম মেনেছেন।
কোচের এ সিদ্ধান্তের খেসারত বেলজিয়ামকে দিতে হয় ম্যাচের শেষ মুহূর্তে। কোর্তোয়ার বদলে মাঠে নামা ২৪ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের জন্য বিশ্বকাপে এটিই ছিল প্রথম ম্যাচ। চরম স্নায়ুচাপের ম্যাচে ৮৮তম মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এ গোলরক্ষক স্পেনের পাউ কুবারসির একটি শট ঠিকঠাক গ্রিপ করতে ব্যর্থ হন। আলগা বল পেয়ে নিখুঁত শটে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। এ ভুলের কারণে দল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও ম্যাচ শেষে তরুণ সতীর্থের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোর্তোয়া। তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিয়ে কোর্তোয়া বলেন, লামেন্স একজন দারুণ গোলরক্ষক এবং এই কঠিন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে।
অথচ মাঠ ছাড়ার আগে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন কোর্তোয়া। স্প্যানিশ আক্রমণভাগকে রুখে দিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের একটি শট দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে বেলজিয়াম প্রথম গোলটি হজম করেছিল। গোল হজমের বাইরে স্পেনের হাই-প্রেসের বিপক্ষে বল বিল্ডআপেও ২৯টি পাসের মধ্যে ২২টি সফলভাবে সম্পন্ন করে দক্ষ ভূমিকা রাখেন তিনি।
স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালটি ছিল বিশ্বকাপে কোর্তোয়ার ২১তম ম্যাচ। এর মাধ্যমে গোলরক্ষকদের মধ্যে বিশ্বকাপে এককভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন তিনি। এই তালিকায় ২৩টি ম্যাচ খেলে শীর্ষে রয়েছেন কেবল জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার। তবে ব্যক্তিগত এই বড় অর্জন ছাপিয়ে, মাঠের বাইরে বসে দলের এমন ট্রাজিক বিদায় দেখা কোর্তোয়ার এবারের বিশ্বকাপ যাত্রাকে বিষাদে রূপ দিল।

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে শুক্রবার (১০ জুলাই) এক নাটকীয় ও হৃদয়বিদারক ম্যাচে স্পেনের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে বেলজিয়াম। ম্যাচের ৭১ মিনিটে দলের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া চোট পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন। বদলি গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে পা রাখে স্পেন। ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচটিতে বেলজিয়ামের অন্যতম সেরা ভরসা কোর্তোয়ার মাঠ থেকে প্রস্থানই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচ শেষে ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়া জানান, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লং কিক নেওয়ার সময় তিনি ঊরুর পেশিতে তীব্র ব্যথা অনুভব করেছিলেন। তবে ব্যথা সত্ত্বেও তিনি খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কারণ গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে থাকার মতো ফিটনেস তার ছিল, কেবল লং কিক নিতে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া কোনো রকম ঝুঁকি নিতে রাজি হননি। সংবাদ সম্মেলনে কোচ জানান, বিশ্বকাপের শুরু থেকেই শতভাগ ফিট নন এমন কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে না রাখার সিদ্ধান্ত ছিল তার, আর কোর্তোয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সেই নিয়ম মেনেছেন।
কোচের এ সিদ্ধান্তের খেসারত বেলজিয়ামকে দিতে হয় ম্যাচের শেষ মুহূর্তে। কোর্তোয়ার বদলে মাঠে নামা ২৪ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের জন্য বিশ্বকাপে এটিই ছিল প্রথম ম্যাচ। চরম স্নায়ুচাপের ম্যাচে ৮৮তম মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এ গোলরক্ষক স্পেনের পাউ কুবারসির একটি শট ঠিকঠাক গ্রিপ করতে ব্যর্থ হন। আলগা বল পেয়ে নিখুঁত শটে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। এ ভুলের কারণে দল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও ম্যাচ শেষে তরুণ সতীর্থের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোর্তোয়া। তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিয়ে কোর্তোয়া বলেন, লামেন্স একজন দারুণ গোলরক্ষক এবং এই কঠিন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে।
অথচ মাঠ ছাড়ার আগে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন কোর্তোয়া। স্প্যানিশ আক্রমণভাগকে রুখে দিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের একটি শট দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে বেলজিয়াম প্রথম গোলটি হজম করেছিল। গোল হজমের বাইরে স্পেনের হাই-প্রেসের বিপক্ষে বল বিল্ডআপেও ২৯টি পাসের মধ্যে ২২টি সফলভাবে সম্পন্ন করে দক্ষ ভূমিকা রাখেন তিনি।
স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালটি ছিল বিশ্বকাপে কোর্তোয়ার ২১তম ম্যাচ। এর মাধ্যমে গোলরক্ষকদের মধ্যে বিশ্বকাপে এককভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন তিনি। এই তালিকায় ২৩টি ম্যাচ খেলে শীর্ষে রয়েছেন কেবল জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার। তবে ব্যক্তিগত এই বড় অর্জন ছাপিয়ে, মাঠের বাইরে বসে দলের এমন ট্রাজিক বিদায় দেখা কোর্তোয়ার এবারের বিশ্বকাপ যাত্রাকে বিষাদে রূপ দিল।

কোর্তোয়াকে তুলে নেয়ার কারণ জানালেন কোচ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে শুক্রবার (১০ জুলাই) এক নাটকীয় ও হৃদয়বিদারক ম্যাচে স্পেনের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে বেলজিয়াম। ম্যাচের ৭১ মিনিটে দলের তারকা গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া চোট পেয়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছাড়েন। বদলি গোলরক্ষকের মারাত্মক ভুলে শেষ মুহূর্তের গোলে জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালে পা রাখে স্পেন। ১-১ সমতায় থাকা ম্যাচটিতে বেলজিয়ামের অন্যতম সেরা ভরসা কোর্তোয়ার মাঠ থেকে প্রস্থানই শেষ পর্যন্ত কাল হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচ শেষে ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়া জানান, দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লং কিক নেওয়ার সময় তিনি ঊরুর পেশিতে তীব্র ব্যথা অনুভব করেছিলেন। তবে ব্যথা সত্ত্বেও তিনি খেলা চালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন, কারণ গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে থাকার মতো ফিটনেস তার ছিল, কেবল লং কিক নিতে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু বেলজিয়াম কোচ রুডি গার্সিয়া কোনো রকম ঝুঁকি নিতে রাজি হননি। সংবাদ সম্মেলনে কোচ জানান, বিশ্বকাপের শুরু থেকেই শতভাগ ফিট নন এমন কোনো খেলোয়াড়কে মাঠে না রাখার সিদ্ধান্ত ছিল তার, আর কোর্তোয়ার ক্ষেত্রেও তিনি সেই নিয়ম মেনেছেন।
কোচের এ সিদ্ধান্তের খেসারত বেলজিয়ামকে দিতে হয় ম্যাচের শেষ মুহূর্তে। কোর্তোয়ার বদলে মাঠে নামা ২৪ বছর বয়সী তরুণ গোলরক্ষক সেনে লামেন্সের জন্য বিশ্বকাপে এটিই ছিল প্রথম ম্যাচ। চরম স্নায়ুচাপের ম্যাচে ৮৮তম মিনিটে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এ গোলরক্ষক স্পেনের পাউ কুবারসির একটি শট ঠিকঠাক গ্রিপ করতে ব্যর্থ হন। আলগা বল পেয়ে নিখুঁত শটে গোল করতে ভুল করেননি স্প্যানিশ মিডফিল্ডার মিকেল মেরিনো। এ ভুলের কারণে দল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও ম্যাচ শেষে তরুণ সতীর্থের পাশে দাঁড়িয়েছেন কোর্তোয়া। তাকে বুকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দিয়ে কোর্তোয়া বলেন, লামেন্স একজন দারুণ গোলরক্ষক এবং এই কঠিন অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে সে আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরবে।
অথচ মাঠ ছাড়ার আগে বেলজিয়ামকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন কোর্তোয়া। স্প্যানিশ আক্রমণভাগকে রুখে দিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন তিনি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজের একটি শট দুর্ভাগ্যজনকভাবে ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে জালে জড়ালে বেলজিয়াম প্রথম গোলটি হজম করেছিল। গোল হজমের বাইরে স্পেনের হাই-প্রেসের বিপক্ষে বল বিল্ডআপেও ২৯টি পাসের মধ্যে ২২টি সফলভাবে সম্পন্ন করে দক্ষ ভূমিকা রাখেন তিনি।
স্পেনের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালটি ছিল বিশ্বকাপে কোর্তোয়ার ২১তম ম্যাচ। এর মাধ্যমে গোলরক্ষকদের মধ্যে বিশ্বকাপে এককভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন তিনি। এই তালিকায় ২৩টি ম্যাচ খেলে শীর্ষে রয়েছেন কেবল জার্মানির ম্যানুয়েল নয়্যার। তবে ব্যক্তিগত এই বড় অর্জন ছাপিয়ে, মাঠের বাইরে বসে দলের এমন ট্রাজিক বিদায় দেখা কোর্তোয়ার এবারের বিশ্বকাপ যাত্রাকে বিষাদে রূপ দিল।

সেমিফাইনালে মুখোমুখি ইয়মাল-এমবাপ্পে, খেলা কবে
আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী

