ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার ইতিহাস

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার ইতিহাস
সিজেডএন ডেস্ক

সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠক শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। এর ফলে দশকের পর দশক ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার শুরু ও ব্যাপ্তী যেভাবে
১৯৭৯ সালে ইসলামী আন্দোলনের সময় ইরানি ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়ে কূটনীতিকদের জিম্মি করে। এই ঘটনার পর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যার আওতায় ইরানি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয় এবং ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়।
১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করে। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেস ইরানের তেল খাতে বিনিয়োগকারীদের শাস্তি প্রদানের জন্য একটি আইন পাস করে। কিন্তু ইউরোপীয় বিরোধিতার কারণে ২০১০ সালের আগে আইনটি বাস্তবায়িত হয়নি।
২০০৬ সালে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরবর্তী বছরগুলোতে পরিষদটি তার পারমাণবিক-সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রসারিত করতে থাকে।
২০১২ সালে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর বিপরীতে তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ করে দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ইরানি তেল আমদানি নিষিদ্ধ করতে সম্মত হয়।
২০১৫ সালে ইরান ও বিশ্ব শক্তিগুলো জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ) স্বাক্ষর করে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে।
২০১৮ সালে ট্রাম্প জেসিপিওএ থেকে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেয় এবং ইরানের তেল ও ব্যাংকিং খাতকে লক্ষ্য করে নতুন দফা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।
২০২৫ সালে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যরত তৃতীয় পক্ষ যেমন, চীনের তেল শোধনাগার এবং ইরানের তেল ক্রয়কারী জাহাজ কোম্পানিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠক শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। এর ফলে দশকের পর দশক ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার শুরু ও ব্যাপ্তী যেভাবে
১৯৭৯ সালে ইসলামী আন্দোলনের সময় ইরানি ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়ে কূটনীতিকদের জিম্মি করে। এই ঘটনার পর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যার আওতায় ইরানি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয় এবং ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়।
১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করে। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেস ইরানের তেল খাতে বিনিয়োগকারীদের শাস্তি প্রদানের জন্য একটি আইন পাস করে। কিন্তু ইউরোপীয় বিরোধিতার কারণে ২০১০ সালের আগে আইনটি বাস্তবায়িত হয়নি।
২০০৬ সালে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরবর্তী বছরগুলোতে পরিষদটি তার পারমাণবিক-সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রসারিত করতে থাকে।
২০১২ সালে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর বিপরীতে তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ করে দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ইরানি তেল আমদানি নিষিদ্ধ করতে সম্মত হয়।
২০১৫ সালে ইরান ও বিশ্ব শক্তিগুলো জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ) স্বাক্ষর করে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে।
২০১৮ সালে ট্রাম্প জেসিপিওএ থেকে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেয় এবং ইরানের তেল ও ব্যাংকিং খাতকে লক্ষ্য করে নতুন দফা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।
২০২৫ সালে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যরত তৃতীয় পক্ষ যেমন, চীনের তেল শোধনাগার এবং ইরানের তেল ক্রয়কারী জাহাজ কোম্পানিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার ইতিহাস
সিজেডএন ডেস্ক

সুইজারল্যান্ডে উত্তেজনা ও টানা ১২ ঘণ্টার আলোচনা শেষে প্রথম দফার বৈঠক শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। বৈঠকে ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ জব্দ করা সম্পদ ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন। এর ফলে দশকের পর দশক ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হচ্ছে।
ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার শুরু ও ব্যাপ্তী যেভাবে
১৯৭৯ সালে ইসলামী আন্দোলনের সময় ইরানি ছাত্ররা তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়ে কূটনীতিকদের জিম্মি করে। এই ঘটনার পর ওয়াশিংটন তেহরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যার আওতায় ইরানি পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয় এবং ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ করা হয়।
১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করে। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেস ইরানের তেল খাতে বিনিয়োগকারীদের শাস্তি প্রদানের জন্য একটি আইন পাস করে। কিন্তু ইউরোপীয় বিরোধিতার কারণে ২০১০ সালের আগে আইনটি বাস্তবায়িত হয়নি।
২০০৬ সালে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি বন্ধ করতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ইরানের ওপর প্রথম নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। পরবর্তী বছরগুলোতে পরিষদটি তার পারমাণবিক-সম্পর্কিত নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রসারিত করতে থাকে।
২০১২ সালে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এর বিপরীতে তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী ট্যাঙ্কার চলাচল বন্ধ করে দেয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নও ইরানি তেল আমদানি নিষিদ্ধ করতে সম্মত হয়।
২০১৫ সালে ইরান ও বিশ্ব শক্তিগুলো জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন (জেসিপিওএ) স্বাক্ষর করে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় দেশগুলো নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে।
২০১৮ সালে ট্রাম্প জেসিপিওএ থেকে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেয় এবং ইরানের তেল ও ব্যাংকিং খাতকে লক্ষ্য করে নতুন দফা নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেন।
২০২৫ সালে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় ফেরার পর ট্রাম্প ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। যার মধ্যে তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্যরত তৃতীয় পক্ষ যেমন, চীনের তেল শোধনাগার এবং ইরানের তেল ক্রয়কারী জাহাজ কোম্পানিও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
সূত্র: আল জাজিরা

পারমাণবিক ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ছাড় দিয়েছে ইরান
ইরানের জব্দ সম্পদ মুক্ত হবে কীভাবে, জানালেন ভ্যান্স

