যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা বৈঠকের পর ইসরায়েল ও লেবানন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে। এছাড়া লেবাননের ভেতরে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠন করা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।
হিজবুল্লাহ লেবাননে সক্রিয় একটি শিয়া মুসলিম রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী। ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও অনেক দেশ এই গোষ্ঠীটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সকল অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি এলো। লেবানন জানিয়েছিল, এই চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।
আগামী ২২ জুন আবারও বৈঠকে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে।
এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
লেবানন সরকার জানিয়েছে, সোমবার স্বাক্ষরিত আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতের ওপর ব্যাপক হামলা চালাবে না’।
সরকার বলেছে, হিজবুল্লাহ এতে সম্মতি জানিয়েছে। কিন্তু দলটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মাহমুদ কামাতি বলেছেন, ‘কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি। শুধু দাহিয়েহকে রক্ষা করার বিষয় ছিল।’
কামাতি আরও জোর দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় করা কোনো প্রতিশ্রুতিই হিজবুল্লাহ মানবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি এই আলোচনাগুলোর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এর ফলাফল বা সিদ্ধান্তগুলোকেও স্বীকৃতি দিই না। আমরা নীতিগতভাবে সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছি।’
এদিকে চলমান সংঘাতে লেবাননের মানবিক পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ হাজারের অধিক মানুষ। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর সীমান্তের উভয় পাশে তাদের ২৬ সেনা ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এবং লেবানন-ইসরায়েল সংঘাতকে পৃথকভাবে দেখতে চান। তবে ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আঞ্চলিক কোনো যুদ্ধবিরতি হলে তার আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বুধবার সতর্ক করে বলেছেন, বৈরুতের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা এ খবর জানিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা বৈঠকের পর ইসরায়েল ও লেবানন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে। এছাড়া লেবাননের ভেতরে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠন করা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।
হিজবুল্লাহ লেবাননে সক্রিয় একটি শিয়া মুসলিম রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী। ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও অনেক দেশ এই গোষ্ঠীটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সকল অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি এলো। লেবানন জানিয়েছিল, এই চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।
আগামী ২২ জুন আবারও বৈঠকে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে।
এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
লেবানন সরকার জানিয়েছে, সোমবার স্বাক্ষরিত আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতের ওপর ব্যাপক হামলা চালাবে না’।
সরকার বলেছে, হিজবুল্লাহ এতে সম্মতি জানিয়েছে। কিন্তু দলটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মাহমুদ কামাতি বলেছেন, ‘কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি। শুধু দাহিয়েহকে রক্ষা করার বিষয় ছিল।’
কামাতি আরও জোর দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় করা কোনো প্রতিশ্রুতিই হিজবুল্লাহ মানবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি এই আলোচনাগুলোর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এর ফলাফল বা সিদ্ধান্তগুলোকেও স্বীকৃতি দিই না। আমরা নীতিগতভাবে সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছি।’
এদিকে চলমান সংঘাতে লেবাননের মানবিক পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ হাজারের অধিক মানুষ। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর সীমান্তের উভয় পাশে তাদের ২৬ সেনা ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এবং লেবানন-ইসরায়েল সংঘাতকে পৃথকভাবে দেখতে চান। তবে ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আঞ্চলিক কোনো যুদ্ধবিরতি হলে তার আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বুধবার সতর্ক করে বলেছেন, বৈরুতের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা এ খবর জানিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত ইসরায়েল-লেবানন
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা বৈঠকের পর ইসরায়েল ও লেবানন ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত হয়েছে। এছাড়া লেবাননের ভেতরে কয়েকটি পরীক্ষামূলক নিরাপত্তা অঞ্চল গঠন করা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এসব এলাকায় হিজবুল্লাহর সদস্যদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ থাকবে।
হিজবুল্লাহ লেবাননে সক্রিয় একটি শিয়া মুসলিম রাজনৈতিক ও সামরিক গোষ্ঠী। ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও অনেক দেশ এই গোষ্ঠীটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।
চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ লেবাননের লিতানি নদী থেকে ইসরায়েল সীমান্ত পর্যন্ত ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকা থেকে হিজবুল্লাহর সব সদস্যকে সরিয়ে নিতে হবে। এছাড়া হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ করতে হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এমন ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ তৈরিতে দিকনির্দেশনা দেবে, যেখানে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী সকল অরাষ্ট্রীয় পক্ষকে বাদ দিয়ে ভূখণ্ডটির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ নেবে। তবে অঞ্চলগুলো কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
সোমবার একটি আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার পর এই ঘোষণাটি এলো। লেবানন জানিয়েছিল, এই চুক্তি অনুযায়ী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে হামলা না করার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতে বোমা হামলা থেকে বিরত থাকবে।
আগামী ২২ জুন আবারও বৈঠকে বসবে ইসরায়েল ও লেবানন। সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা চুক্তির বিষয়ে আলোচনা হবে।
এই ঘোষণার বিষয়ে হিজবুল্লাহ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।
লেবানন সরকার জানিয়েছে, সোমবার স্বাক্ষরিত আংশিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে বলা হয়েছে, ‘হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকার বিনিময়ে ইসরায়েল বৈরুতের ওপর ব্যাপক হামলা চালাবে না’।
সরকার বলেছে, হিজবুল্লাহ এতে সম্মতি জানিয়েছে। কিন্তু দলটির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মাহমুদ কামাতি বলেছেন, ‘কোনো যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়নি। শুধু দাহিয়েহকে রক্ষা করার বিষয় ছিল।’
কামাতি আরও জোর দিয়ে বলেন, ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত লেবানন-ইসরায়েল আলোচনায় করা কোনো প্রতিশ্রুতিই হিজবুল্লাহ মানবে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করি এই আলোচনাগুলোর সাথে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা এর ফলাফল বা সিদ্ধান্তগুলোকেও স্বীকৃতি দিই না। আমরা নীতিগতভাবে সেগুলো প্রত্যাখ্যান করেছি।’
এদিকে চলমান সংঘাতে লেবাননের মানবিক পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৩ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১০ হাজারের অধিক মানুষ। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
অন্যদিকে ইসরায়েল জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর সীমান্তের উভয় পাশে তাদের ২৬ সেনা ও ৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা এবং লেবানন-ইসরায়েল সংঘাতকে পৃথকভাবে দেখতে চান। তবে ইরান জোর দিয়ে বলেছে, আঞ্চলিক কোনো যুদ্ধবিরতি হলে তার আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বুধবার সতর্ক করে বলেছেন, বৈরুতের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধ পুনরায় শুরু করতে ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’। ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা এ খবর জানিয়েছে।
সূত্র: বিবিসি

‘পরিস্থিতি যাই হোক, লেবাননে হামলা চালিয়ে যাবে ইসরায়েল’
লেবাননে কি ‘টার্গেট কিলিং’ করছে ইসরায়েল
লেবাননে হামলা নিয়ে ইরানের হুঁশিয়ারি


