শিরোনাম

হামলার নতুন ছক ইরানের, ছাড় পাবে না ইউরোপও

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
হামলার নতুন ছক ইরানের, ছাড় পাবে না ইউরোপও
ইরানের তৈরি যুলফিকার ক্ষেপণাস্ত্র

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত এবার ইউরোপের দরজায় নাড়া দিচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ আরও বাড়ালে জবাবে ইউরোপে আমেরিকার সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে ইরান। এ খবর প্রকাশ্যে আসার পরই সরব হয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। বুধবার (১৯ আগস্ট) জোটটি জানিয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতি বা হুমকি সামাল দিতে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।

বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে ন্যাটোর এক কর্মকর্তা বলেন, ন্যাটো যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত এবং সকল মিত্রকে রক্ষা করার জন্য যা যা করা প্রয়োজন, তা করবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলতি বছরের শুরুতে ন্যাটোর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চারটি পৃথক ঘটনায় ইরান থেকে তুরস্কের দিকে ধেয়ে আসা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করেছিল। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, আমাদের প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী এবং কার্যকর।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা পরীক্ষা করে দেখছে ইরানি বাহিনী। এর মধ্যে বুলগেরিয়াও আছে। গত মাসেই দেশটি যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের বিমান ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে। এর বাইরে সাইপ্রাসকেও সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তেহরানের সামরিক কর্তারা আগেই বার্তা দিয়েছিলেন, ইরানের ভূখণ্ডে আক্রমণ করার জন্য যেসব সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার করা হবে, তার কোনোটিকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

এ খবর এমন এক সময় এলো, যখন ওয়াশিংটন ও তেহরানের সম্পর্কের বরফ গলার আর কোনো লক্ষণ নেই। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার কূটনৈতিক প্রচেষ্টা একদমই স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও সম্প্রতি সব দ্বিপক্ষীয় আলোচনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তিনি জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা বা চলছে না।

উল্লেখ্য. জুনেই দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছিল। কিন্তু কিছুদিনের ব্যবধানে একে অপরের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অবিযোগ ও নতুন পাল্টা-পাল্টি হামলা শুরু হওয়ায় সেই উদ্যোগ ভেস্তে যায়।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

/এমএকে/