শর্তসাপেক্ষে পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দিতে চায় ইরান

শর্তসাপেক্ষে পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দিতে চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিমাদের কাছ থেকে ইতিবাচক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি পেলে নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা ও সমঝোতায় আসতে রাজি হয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি।
তিনি উল্লেখ করেন, পারমাণবিক বিষয়টি আলোচনার জন্য সবসময়ই উন্মুক্ত এবং এ ক্ষেত্রে তেহরান নমনীয়তা দেখাতে প্রস্তুত। সাক্ষাৎকারে ইজাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল উদ্বেগ যদি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা হয়, তবে তার সমাধানের কাঠামো আগে থেকেই তৈরি আছে। কারণ, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ইরান ইতোমধ্যেই বড় ধরনের ছাড় দিয়েছিল। সে সময় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যা দিয়ে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ব্যাপক ও বিস্তারিত পরিদর্শনের ব্যবস্থাও মেনে নিয়েছিল তেহরান।
তবে যেকোনো নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে এবার তেহরানের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট ও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচিতে যেকোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে দেশটির ওপর আরোপিত সমস্ত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সমস্ত সম্পদও মুক্ত করতে হবে। ফোয়াদ ইজাদি বলেন, এগুলো তেহরানের কাছে কোনো গৌণ বিষয় নয়, বরং পশ্চিমাদের সাথে যেকোনো ভবিষ্যৎ চুক্তির প্রধান ও কেন্দ্রীয় শর্ত।
সূত্র: আল জাজিরা

পশ্চিমাদের কাছ থেকে ইতিবাচক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি পেলে নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা ও সমঝোতায় আসতে রাজি হয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি।
তিনি উল্লেখ করেন, পারমাণবিক বিষয়টি আলোচনার জন্য সবসময়ই উন্মুক্ত এবং এ ক্ষেত্রে তেহরান নমনীয়তা দেখাতে প্রস্তুত। সাক্ষাৎকারে ইজাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল উদ্বেগ যদি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা হয়, তবে তার সমাধানের কাঠামো আগে থেকেই তৈরি আছে। কারণ, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ইরান ইতোমধ্যেই বড় ধরনের ছাড় দিয়েছিল। সে সময় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যা দিয়ে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ব্যাপক ও বিস্তারিত পরিদর্শনের ব্যবস্থাও মেনে নিয়েছিল তেহরান।
তবে যেকোনো নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে এবার তেহরানের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট ও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচিতে যেকোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে দেশটির ওপর আরোপিত সমস্ত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সমস্ত সম্পদও মুক্ত করতে হবে। ফোয়াদ ইজাদি বলেন, এগুলো তেহরানের কাছে কোনো গৌণ বিষয় নয়, বরং পশ্চিমাদের সাথে যেকোনো ভবিষ্যৎ চুক্তির প্রধান ও কেন্দ্রীয় শর্ত।
সূত্র: আল জাজিরা

শর্তসাপেক্ষে পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দিতে চায় ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

পশ্চিমাদের কাছ থেকে ইতিবাচক ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি পেলে নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পুনরায় আলোচনা ও সমঝোতায় আসতে রাজি হয়েছে ইরান। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ফোয়াদ ইজাদি।
তিনি উল্লেখ করেন, পারমাণবিক বিষয়টি আলোচনার জন্য সবসময়ই উন্মুক্ত এবং এ ক্ষেত্রে তেহরান নমনীয়তা দেখাতে প্রস্তুত। সাক্ষাৎকারে ইজাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল উদ্বেগ যদি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখা হয়, তবে তার সমাধানের কাঠামো আগে থেকেই তৈরি আছে। কারণ, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তিতে ইরান ইতোমধ্যেই বড় ধরনের ছাড় দিয়েছিল। সে সময় ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছিল, যা দিয়ে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা সম্ভব নয়। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) ব্যাপক ও বিস্তারিত পরিদর্শনের ব্যবস্থাও মেনে নিয়েছিল তেহরান।
তবে যেকোনো নতুন চুক্তির ক্ষেত্রে এবার তেহরানের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট ও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, পারমাণবিক কর্মসূচিতে যেকোনো ধরনের ছাড় দেওয়ার বিনিময়ে দেশটির ওপর আরোপিত সমস্ত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সমস্ত সম্পদও মুক্ত করতে হবে। ফোয়াদ ইজাদি বলেন, এগুলো তেহরানের কাছে কোনো গৌণ বিষয় নয়, বরং পশ্চিমাদের সাথে যেকোনো ভবিষ্যৎ চুক্তির প্রধান ও কেন্দ্রীয় শর্ত।
সূত্র: আল জাজিরা

ইরানে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র


